বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

আজারবাইজান: নির্বাচন আসছে এবং সামাজিক নেটওয়ার্কিং চলছে পুরোদমে

আগামী ৭ই নভেস্বর আজারবাইজানে আবারও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এবং এবারে সংসদ সদস্য নির্বাচনে ভোট নেয়া হবে। তবে ভোট শুরুর ২৩ দিন আগে নির্বাচন অভিযান শুরু হবে না সরকারীভাবে যা গত নির্বাচনের চেয়ে ৫ দিন কম। গত জুনে বিতর্কিত নির্বাচন কোড পাস হবার পরে এমন হয়েছে।

তবে ফেসবুকে ইতিমধ্যে কিছু নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হয়ে গেছে।

এরকিন গেদিরি পেশায় একজন উকিল এবং নেশায় ব্লগার। অনেকের মধ্যে তিনিও এই জনপ্রিয় সামাজিক নেটওয়ার্কিং সাইট ব্যবহার করছেন। এইবারের সংসদ নির্বাচনে দাঁড়াবার জন্যে মনস্থির করার পর তিনি ফেসবুকে একটি গ্রুপ খোলেন। এ পর্যন্ত ৪১৬ জন এতে যোগ দিয়েছে এবং এর লক্ষ্য হচ্ছে নির্বাচনের প্রক্রিয়া সম্পর্কে সবাইকে তথ্য দেয়া। এছাড়াও নির্বাচন পদ্ধতি, অভিযান সম্পর্কে জানানো এবং পাঠকদের কোন প্রশ্ন থাকলে সেটির উত্তর দেয়া তার কাজের মধ্যে পরে।

এই গ্রুপ এ বছর জুলাই মাসে চালু হয়েছে এবং এটি বিতর্কের উর্ধে ছিল না। গোদিরির ফেসবুক পাতা চালু হবার পর কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের সচিব নাতিক মা্ম্মাদভ এ্ নিয়ে অভিযোগ করেছেন যে এমন উদ্যোগ সরকারীভাবে নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বেই নির্বাচন অভিযান চালানোর সমান।

এই অভিযোগ নির্বাচনের সময় নতুন এবং সামাজিক মিডিয়ার ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। যেমন ধরুন গেদিরি এখনও সরকারীভাবে নির্বাচনের প্রার্থী হিসেবে নিবন্ধিত নন। এমন অবস্থায় নির্বাচনের লক্ষ্যে সামাজিক মিডিয়ার ব্যবহার পরিস্থিতি ঘোলাটে করবে এবং অনেকে, বিশেষ করে কর্তৃপক্ষ এর ভুল ব্যাখ্যা করবে।

এই ব্যাপারটি সত্যি কারন অনেক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বই তাদের নিজস্ব ফেসবুক পাতা খুলেছেন যার মাধ্যমে তারা তাদের সমর্থকদের সাথে যোগাযোগে সচেষ্ট হয়েছেন।

তবে বাক স্বাধীনতা এবং প্রচার মাধ্যম এখনও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আজারবাইজানের জন্যে, বিশেষ করে যখন ২০০৯ সালের গোড়ার দিক থেকে বিবিসি, ভয়েস অফ আমেরিকা এবং আরএফই ইত্যাদি বিদেশী রেডিও স্টেশন থেকে প্রচার নিষিদ্ধ হয়েছে। তাই অনলাইনে আরও কার্যক্রম চালানো হবে বলেই সকলের বিশ্বাস।

এই উন্নয়ন অবশ্য বিভিন্ন সামাজিক কর্মী কর্তৃক অনলাইন এবং নতুন এবং সামাজিক মিডিয়া ব্যবহারকে তুলে ধরছে। বিশেষ করে এটি যখন সরকার কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত গণমাধ্যম এর বিকল্প হিসাবে আবির্ভুত হচ্ছে। এই পর্যন্ত দেশটিতে কোন নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষ হয়নি, যা বিদেশী পর্যবেক্ষকরা বলেছেন।

আজারবাইজানের প্রায় ১৭০,০০০ জন ফেসবুক ব্যবহার করে যা সাইটটির নিজস্ব হিসেব বলছে। এই পরিসংখ্যান অনুসারে এর মাঝে অনেকেরই বয়স ১৮-৩০ এর মধ্যে।

এখনকার মত আরেকজন সম্ভাব্য প্রার্থী এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ইলগার মাম্মাদভও তার নিজস্ব পাতা খুলেছেন ফেসবুকে। মাম্মাদভ ও গেদিরি রিপাবলিককান অল্টার্নেটিভস দলের সদস্য, যাদের নিজস্ব ব্লগ আছে । তিনি @ilgarmammadov (@ইলগারমাম্মাদভ) নামে টুইট করেন।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .