নেটনাগরিক প্রতিবেদন: পানির উচ্চতা বৃদ্ধি, বার্তা অ্যাপে ইরানি নিষেধাজ্ঞায় বন্যার্তদের জরুরী ত্রাণ মন্থর

ইরানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে ২০১৭ সালের বন্যা। উইকিমিডিয়া সাধারণের মাধ্যমে তাসনিম সংবাদ সংস্থার ছবি (সিসি বাই ৪.০ আন্তর্জাতিক)

অ্যাডভক্স নেট-নাগরিক প্রতিবেদন বিশ্বজুড়ে ইন্টারনেট অধিকারগুলির ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা, সমস্যা থেকে উত্তরণ এবং উদীয়মান প্রবণতাগুলির একটি আন্তর্জাতিক আলোকপাত উপস্থাপন করে। এই প্রতিবেদনটিতে ২০১৯ সালের ২৮ মার্চ থেকে ৫ এপ্রিল তারিখ পর্যন্ত বিভিন্ন সংবাদ এবং ঘটনা কাভার করা হয়েছে।

১৯ মার্চ থেকে ইরানের ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে দেশের ৩১টি প্রদেশের ২৩টিতেই রেকর্ড পরিমাণ বন্যা হয়েছে। লেখার সময় পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় অনুমোদিত ফেয়ার সংবাদ সংস্থা (ফারস) বন্যার কারণে স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের ৬২ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করার কথা জানিয়েছে।

সাহায্য সংস্থার কর্মীরা দূর্গতদের কাছে পৌঁছানোর জন্যে যোগারযন্ত শুরু পর ত্রাণ প্রচেষ্টার উপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার প্রভাব নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হলে কিছু সরকারি কর্মকর্তাসহ ইরানি নাগরিকরা ইরানে প্রায় এক বছর ধরে সেন্সরকৃত টেলিগ্রামের মতো গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ মঞ্চগুলিতে প্রযুক্তিগত অবরোধ তুলে নিতে শীর্ষ কর্তৃপক্ষগুলোকে অনুরোধ জানাতে শুরু করেছে। যোগাযোগ করতে পারার ক্ষমতাটি আক্রান্ত বা দূর্গত ব্যক্তি এবং উদ্ধার অভিযান পরিচালনাকারী কারো জন্যে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে সেটা সবাই উল্লেখ করেছে।

২৪ মার্চ তারিখে সরকারের তথ্য পর্ষদের সচিব আলিরেজা মওজি টুইট করেছেন, “ফিল্টারিংয়ের কোন বাধা না থাকলে উদ্ধার অভিযানগুলি আরো কার্যকরী হতো।”

বিবিসির ফার্সি প্রতিবেদক কায়ভান হোসেনি এই পরিস্থিতিতে সেন্সর “মারাত্মক ঘটনা” হতে পারে বলে টুইট করেছেন।

এই টুইটটিতে দু’টো গুরুত্বপূর্ণ দিক রয়েছে যার প্রতিটিই ভয়ঙ্কর: একটি হলো ভূমিধ্বস এবং পাহাড়ের পাথর গড়িয়ে পড়ার বিপজ্জনক পরিস্থিতি আর অন্যটি হলো তার ভিপিএন কাজ না করা। তথ্য ভাগাভাগি করা জরুরী এমন পরিস্থিতিতে সেন্সর একটি মারাত্মক ঘটনা হতে পারে।

কাটা ঘায়ে নুনের ছিটার মতো ইরানি কর্তৃপক্ষ আবার তার নাগরিকদের সতর্ক করে দিয়েছে যে বন্যা সম্পর্কে তাদের অনলাইন পোস্টের জন্যে তাদের বিরুদ্ধে মামলা হতে পারে।

রাষ্ট্রীয় সাইবার পুলিশ বাহিনী ২৭ মার্চ তারিখে একটি বিবৃতি জারি করে বলেছে যে পুলিশ ইউনিটগুলিকে “সামাজিক প্রচার মাধ্যম পর্যবেক্ষণ করার এবং সমাজে শান্তি বিঘ্নিত করার উদ্দেশ্যে যারা ছবি প্রকাশ করবে এবং গুজব ছড়াবে তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”

অজ্ঞাত অভিযোগে ইরানি নিরাপত্তা বাহিনীর টেলিগ্রাম প্রশাসক গ্রেপ্তারের ভিডিও ভাইরাল

ইরানে ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে খোজেস্তান প্রদেশের ওমিদিহে টেলিগ্রাম চ্যানেলের প্রশাসকের গ্রেপ্তার দেখানো একটি ভিডিও উন্মোচিত হয়েছে। এই ভিডিওটিতে প্রশাসকের বাড়িতে সাদা সাধারণ পোশাকের নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদেরকে অজানা অভিযোগে তাকে আগ্রাসীভাবে গ্রেপ্তার করতে দেখা যাচ্ছে।

টেলিগ্রাম চ্যানেল (যার নাম জনসাধারণের কাছে প্রকাশ করা হয়নি) ওমিদিহের সরকারি জমি ব্যবহার ও বিক্রয়ের সমালোচনা করে এবং সেখানে কর্মরত সরকারী প্রসিকিউটরসহ কাউন্সিল ও সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে দুর্নীতির প্রমাণের দিকে আঙ্গুল তুলে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

তেহরানের সরকারি প্রসিকিউটর সরকারি সংবাদ সংস্থা ইরনাকে  বলেছেন যে চ্যানেলের সব প্রশাসককে গ্রেপ্তার করা হলেও কোন আনুষ্ঠানিক অভিযোগের কথা জানা যায়নি। তিনি আরো ব্যাখ্যা করে বলেছেন এই গ্রেপ্তারের আগে কিছু সময় ধরে ইরানের সাইবার পুলিশ বাহিনী তাদের কার্যকলাপ পর্যবেক্ষণ করেছে।

ভারতের প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দলগুলোর অ্যাকাউন্ট মুছে ফেলার সময় ফেসবুক শুধু বিরোধীদের নাম বলেছে

১১ এপ্রিল তারিখে ভারতের নির্বাচন চক্র শুরুর প্রাক্কালে ১ এপ্রিল তারিখে ফেসবুক ঘোষণা করেছে যে তারা দেশটির প্রভাবশালী বিরোধী দলীয় রাজনৈতিক দল ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস (আইএনসি)-এর আলোচ্য এবং স্বার্থ প্রচারের ৬৮৭টি পাতা এবং অ্যাকাউন্ট নামিয়ে ফেলেছে। কোম্পানিটি আইটি প্রতিষ্ঠান সিলভার টাচ সম্পর্কিত ১৫টি পাতা সরিয়ে ফেলার কথাও জানিয়েছে। কিন্তু ফেসবুক সিলভার টাচ যে ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)-এর পক্ষে কাজ করে বলে পরিচিত এবং এই পাতাগুলিতে বিজেপির সংশ্লিষ্ট উপাদান ছিল সেটা উল্লেখ করার কথা অবহেলা করেছে। কিছু কিছু রাজনৈতিক বিশ্লেষক এটাকে একটি জাজ্বল্যমান অনুল্লেখ বিবেচনা করে কোম্পানিটির সমালোচনা করেছেন।

সবাই বলেছিলেন সিলভার টাচ (এবং বিজেপির সম্প্রসারণ) এর সাথে সম্পর্কিত পাতাগুলোর প্রায় ২৬ লক্ষ অনুসারী ছিল, আর বিরোধী ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের প্রচারকারীগুলোর ছিল মোটামুটি ২ লক্ষ।

মৌরিতানিয়ার ব্লগাররা রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ ছড়ানোর জন্যে বিচারের মুখোমুখি

মৌরিতানীয় পুলিশ উত্তর আফ্রিকার দেশটির রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ উলদ আব্দেল আজিজের কথিত আর্থিক দুর্নীতি সম্পর্কে প্রতিবেদন করায় দুইজন ব্লগারকে গ্রেপ্তার করেছে। পাবলিক প্রসিকিউটর এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন যে তাদের প্রতিবেদন অসত্য হওয়ায় ব্লগারদের বর্তমান অবস্থান মৌরিতানিয়ার দণ্ডবিধির ৩৪৮ ধারা অনুসারে উলদ আব্দেল আজিজের বিরুদ্ধে “মিথ্যা অভিযোগ” ছড়ানোর দায়ে অভিযুক্ত। এতে তাদের ছয় মাস থেকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের ঝুঁকি রয়েছে। চলমান বিচারে তারা কারাগারে রয়েছেন।

পাকিস্তান জামাল খাশোগির প্রতি সংহতি জানানো সাংবাদিকদের তদন্ত করছে

২০১৮ সালের অক্টোবরে তুর্কী দূতাবাসে নিহত সৌদি আরবের সাংবাদিক জামাল খাশোগির প্রতি সংহতি প্রকাশের জন্যে পাকিস্তানের পাঁচজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে তদন্ত করা হচ্ছে। ২০১৯ সালের মধ্য ফেব্রুয়ারিতে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান পাকিস্তানে সরকারি সফরে থাকার সময় এই সাংবাদিকরা টুইটারে তাদের প্রোফাইল ছবি নিহত সাংবাদিকদের ছবি দিয়ে প্রতিস্থাপন করেছিলেন। কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার তদন্ত আদেশের একটি অনুলিপি সামাজিক মিডিয়ায় ঘুরছে যাতে বলা হয়েছে যে সাংবাদিকরা “সফররত সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি/অতিথির প্রতি একটি অত্যন্ত অসম্মানজনক বার্তা প্রকাশ করেছেন।”

তদন্তের লক্ষ্যবস্তু সাংবাদিকদের অন্যতম মুর্তাজা সলঙ্গি টুইট করেছেন:

এটা খুবই লজ্জাজনক যে আপনার টুইটার প্রোফাইলে নিহত সাংবাদিক #জামাল_খাশোগির ছবি লাগানো হলে সেটা @ইমরান_খান_পিটিআই সরকারের জন্যে একটা সমস্যা, আর এটা কি আইনের পরিপন্থী? এসে আমায় গ্রেপ্তার করো, হে লজ্জাহীন প্রাণী!

রুশ নিয়ন্ত্রক ভিপিএনগুলোকে কালো তালিকাভুক্ত ওয়েবসাইট ব্লক করতে বলছে

রাশিয়ার মিডিয়া নিয়ন্ত্রক রাশিয়াতে “কালো তালিকাভুক্ত” ওয়েবসাইটগুলিতে প্রবেশ অবরোধ করতে ১০টি ভিপিএন সেবা প্রদানকারীকে চাপ প্রয়োগ করছে। ভিপিএন সরবরাহকারীদেরকে কোন কোন ওয়েবসাইট অবরোধ করতে হবে তার সংকেত দেওয়া একটি প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা “কেন্দ্রীয়-রাষ্ট্রীয় তথ্য ব্যবস্থা (এফজিআইএস)”-এ সংযুক্ত হওয়ার দাবি করছে সংস্থাটি। এটি প্রাথমিকভাবে জনগণের অবস্থিত এলাকায় অবরুদ্ধ থাকা ওয়েবসাইটগুলিতে প্রবেশে সাহায্য করার প্রযুক্তি হিসেবে ব্যবহৃত ভিপিএন পরিষেবার উদ্দেশ্যকে ব্যর্থ করে দেবে। কেবল রাশিয়াভিত্তিক পরিষেবা প্রদানকারী একটি মাত্র কোম্পানি (ক্যাস্পারস্কি সিকিউর কানেকশন) সংকেত দিয়েছে যে তারা এটি মেনে চলবে।

অস্ট্রেলিয়াতে অনলাইনে সহিংস বিষয়বস্তু প্রতিরোধ প্রচেষ্টায় একটি নতুন স্তর পর্যন্ত নজরদারি হতে পারে

অস্ট্রেলিয়ার সংসদ তাড়াহুড়ো করে সামাজিক মিডিয়ার মঞ্চগুলিকে তাদের নেটওয়ার্কে “ঘৃণ্য সহিংস উপাদান” হোস্ট না করা এবং এর অস্তিত্ব সম্পর্কে সচেতন হওয়ার পর দ্রুত সরাতে বাধ্য করার জন্যে নতুন আইন  অনুমোদন করেছে। এটা মেনে চলতে ব্যর্থ মঞ্চগুলির (স্থানীয় কর্মীদের) তিন বছরের কারাদণ্ড এবং ১ কোটি ৫ লক্ষ অস্ট্রেলীয় ডলার (প্রায় ৬৩ কোটি ৩৫ লক্ষ টাকা) অথবা মঞ্চটির বার্ষিক আয়ের ১০ শতাংশের মধ্যে যেটা বেশি সেই পরিমাণ জরিমানা হতে পারে। এই আইনটি কেবলমাত্র সংঘটনকারীর ধারণকৃত বিষয়বস্তু বিশেষতঃ ভিডিও এবং ফটো অথবা “সন্ত্রাসবাদী হত্যা, হত্যা প্রচেষ্টা, নির্যাতন, ধর্ষণ, এবং অপহরণ” কর্মের একজন সহযোগীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। আইনটি মঞ্চগুলি কীভাবে সংঘটনকারী এবং সাক্ষীদের গৃহিত ভিডিওর  মধ্যে পার্থক্য করবে সে সম্পর্কে কোন নির্দেশনা দেয় না।

এছাড়াও আইনটি অনুসারে ইন্টারনেট পরিষেবা প্রদানকারীকে তাদের নেটওয়ার্কে চলমান এমন বিষয়বস্তু সম্পর্কে অবগত হলে জাতীয় পুলিশকে জানাতে হবে। নিম্যান ল্যাব ব্লগ এর জন্যে লিখতে গিয়ে আন্দ্রে ওবোলা যুক্তি দেখিয়েছেন যে এটা আইএসপিগুলিকে “জাতীয় নজরদারি নেটওয়ার্ক”-এ রূপান্তরিত করবে:

আইএসপিগুলো যেমন গ্রাহকদের ইন্টারনেটে সবকিছুতে প্রবেশাধিকার প্রদান করে, তেমনি এটি আইএসপিগুলিকে জাতীয় নজরদারি নেটওয়ার্কে পরিণত করবে। এটির মধ্যে ইতোমধ্যেই সমস্যাযুক্ত মেটাডাটা সংরক্ষণ পরিকল্পনা থেকে সরিয়ে নিয়ে আইএসপিগুলির মাধ্যমে বিবৃত সবকিছুর গভীর প্যাকেট তদন্ত ও পর্যবেক্ষণ বাস্তবায়ন করার প্রত্যাশার দিকে ধাবিত করার সম্ভাবনা রয়েছে।

পাঁচ বছর কারাবাসের পর মিশরীয় বিপ্লবের ব্লগারের মুক্তি

কর্তৃপক্ষ মিশরীয় ব্লগার ও সক্রিয় কর্মী আলা আব্দ এল ফাত্তাহকে একটি বিক্ষোভ নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার জন্যে পাঁচ বছরের কারাদন্ডের পর ২৮ মার্চ গভীর রাতে মুক্তি দিয়েছিল। তার বোন রাজনৈতিক কর্মী মোনা সেইফ  কেবল “আলা বের হয়েছে” টুইট করার পর টুইটারে এই খবরটি ছড়িয়ে পড়ে।

  • ২০১৩ সালের নভেম্বর মাসে ৩৭ বছর বয়সী এই সক্রিয় কর্মীকে তার পারিবারিক বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর এক বছরেরও বেশি সময় পরে অবশেষে অননুমোদিত বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করা ২০১৩ সালের একটি আইনে তার বিচার করে একটি প্রতিবাদ-বিক্ষোভ “সংগঠিত” করার অপরাধে তাকে পাঁচ বছর কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। তার জীবদ্দশায় রাষ্ট্র পরিচালনা করা প্রত্যেকটি মিশরীয় প্রধানের আমলে তাকে কারাদণ্ড প্রদান অথবা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। ২০০৬ সালে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে অংশ নেওয়ার জন্যে তাকে গ্রেপ্তার গ্রেপ্তার করা হয়। ২০১১ সালে দুইমাস জেলে অতিবাহিত করায় তিনি তার প্রথম সন্তান খালেদের জন্ম দেখতে পাননি। ২০১৩ সালে তিনি গ্রেপ্তার হয়ে ১১৫ দিন বিনা বিচারে আটক ছিলেন।

গ্লোবাল ভয়েসেস এবং বিশ্বজুড়ে তার সমর্থকরা টুইটারে “গৃহে স্বাগতম, আলা!” সাইনসহ ছবি পোস্ট করেছে:

@গ্লোবালভয়েসেস এবং @অ্যাডভক্স এর দীর্ঘদিনের বন্ধু @আলা #মিশরে দীর্ঘ পাঁচ বছর কারাগারে থাকার পর কারাগারের বাইরে। #আলাকে_মুক্ত_কর #গৃহে_স্বাগতম_আলা

নেট-নাগরিক প্রতিবেদনের গ্রাহক হোন

 

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .