বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

১৫০ বছরের সিলন চা: একজন চা শ্রমিকের প্রতিদিনের গল্প

সরস্বতীর গল্প। ছবি: গ্রাউন্ডভিউজ।

এই ভিডিও পোস্ট লিখেছেন সেলভারাজা রাজাসেগর। পোস্টটি প্রথম গ্রাউন্ডভিউজে প্রকাশিত হয়, যা শ্রীলঙ্কার এক পুরস্কার বিজয়ী নাগরিক সাংবাদিকতা বিষয়ক ওয়েবসাইট। লেখা বিনিময় চুক্তি অনুসারে নিচে এই প্রবন্ধের এক সম্পাদিত সংস্করণ প্রকাশ করা হল।

সরস্বতীর বয়স ৩৮ বছর। প্রতিদিন সকাল ৫.৩০-এ ঘুম থেকে উঠেন। নিজে কাজে যাওয়ার আগে ছেলেমেয়েদের স্কুলে পাঠান।

সরস্বতীর গল্পে উঠে এসেছে শ্রীলংকার চা বাগানে কর্মরত তামিল সম্প্রদায়ের বেশ কিছু চ্যালেঞ্জের কথা। উল্লেখ, এই সম্প্রদায়ের মানুষেরা ১৫০ বছর ধরে শ্রীলংকায় বসবাস করে আসছেন।

চা শ্রমিক হিসেবে কর্মরত বাবা-মায়েরা তাদের ছেলেমেয়েদের প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর খাবার দিতে পারেন না। যদিও তারা সরকারি স্কুল থেকে খাবার পেয়ে থাকে। আর প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় থাকে রুটি। এতে পুষ্টি উপাদান থাকে না বললেই চলে। কিন্তু রুটির বাইরে আর কোনো পুষ্টিকর খাবার দেয়ার সামর্থ্য তাদের নেই।

শ্রীলংকায় চা শিল্পে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় ১০ লাখ মানুষ কর্মরত রয়েছেন। এদের মধ্যে ৫ লাখ তামিল সম্প্রদায়ভুক্ত। উনিশ শতকে ব্রিটিশ শাসকেরা ভারত থেকে তামিল ভাষী এই চা শ্রমিকদের শ্রীলংকায় এনেছিলেন। এই চা শ্রমিকদের অর্ধেকই আবার নারী।

চা শ্রমিকরা একবছর ধরে তাদের প্রতিদিনের মজুরি বাড়িয়ে ১ হাজার রুপির করার দাবি জানিয়ে আসছেন। সম্প্রতি শ্রমিক সংগঠন এবং চা বাগান মালিকদের মধ্যে দ্য কালেকটিভ ওয়েজ অ্যাগ্রিমেন্ট নামে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। যেখানে প্রতিদিনের মজুরি ৭০০ রূপি করার কথা বলা হয়েছে। এটা নিয়ে চা শ্রমিকরা ব্যাপক আন্দোলন করছেন। কলম্বোতে আন্দোলনের সঙ্গে অনেকেই সংহতি জানিয়েছেন।

দেশের চা বাগানের মালিকেরা বলছেন, প্রতিদিন ১ হাজার রূপি মজুরি দেয়া সম্ভব নয়। যদিও সিলন চা শ্রীলংকার অন্যতম রপ্তানি পণ্য। বর্তমানে জলবায়ু পরিবর্তন-সহ আরো কিছু কারণে শ্রীলংকার চা শিল্প আর্থিক ক্ষতির মুখে রয়েছে। এদিকে সরস্বতীর গল্প বলছে, সে যে পরিমাণ আয় করে, সেটা দিয়ে পরিবার চালানোর তার পক্ষে সম্ভব নয়। আর এ কারণে তরুণ চা শ্রমিকরা চাকরি ছেড়ে দিয়ে নতুন চাকরি খুঁজছেন।

সরস্বতীর গল্প শুনুন:

சரஸ்வதியின் ஒருநாள் கதை

சரஸ்வதியின் ஒருநாள் கதை maatram.org/?p=7508 #MalayagaTamil

Geplaatst door Maatram op Dinsdag 5 februari 2019

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .