বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

বেঁচে যাওয়া অভিবাসন প্রত্যাশী নাগরিকদের কাহিনী বলছে কতটা বিপজ্জনক সাহারা মরুভূমি পাড়ি দেওয়া

হালকা রাবারের ভেলা থেকে উদ্ধার হওয়া অভিবাসীরা। ছবি যুক্তরাষ্ট্র নৌবাহিনীর পাবলিক ডোমেইন থেকে নেওয়া।

“অ্যাওয়ার মাইগ্রেন্টস” হচ্ছে এক সোশ্যাল মিডিয়া প্রচারণা, যার উদ্দেশ্য আফ্রিকার ১৫টি রাষ্ট্রের সেই সমস্ত নাগরিকদের সাহারা মরুভূমি, লিবিয়া এবং ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়ার বিপদ সম্বন্ধে সচেতন করা, যারা অভিবাসনের উদ্দেশ্যে এই পথ পাড়ি দেয়।

বছরের পর বছর ধরে আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের অভিবাসন প্রত্যাশী এবং শরণার্থী হাজার হাজার নাগরিক দারিদ্র্য ও রাজনৈতিক নির্যাতনের হাত থেকে পরিত্রাণ পেতে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে প্রবেশের চেষ্টা করে।

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন বা আইওএম) নামের এক সংগঠন এই প্রকল্পের আয়োজন করে, যাদের প্রযুক্তি ও সৃষ্টিশীল কাজ নির্মাণে সহায়তা করেছে হোরেস কমিউনিকেশন এজেন্সি, আর এই প্রকল্পে অর্থ সাহায্য প্রদান করেছে ইতালীর “স্বরাষ্ট্র” এবং “নাগরিক স্বাধীনতা ও অভিবাসন মন্ত্রণালয়”।

১০ মার্চ, ২০১৭-এ প্রকাশিত আইওএম-এর প্রদান করা সর্বশেষ প্রতিবেদনে জানা গেছে গত বছর সমুদ্র পথে ১৯,৫৬৭ জন অভিবাসী ইতালিতে প্রবেশ করতে সক্ষম হয় হয়, কিন্তু সমুদ্রে মারা গেছে ৫২১ জন। ২০১৬ সালে এই সংখ্যাটি ছিল ৫০ জন। অভিবাসীদের বেশীর ভাগ আইভরি কোস্ট, নাইজেরিয়া, গিনি, সেনেগাল ও গাম্বিয়ার নাগরিক:

অভিবাসী কয়েকজন নাগরিক আইওএমকে জানিয়েছে যে ভাবনার চেয়ে এই যাত্রা ছিল অনেক বেশী বিপদসংকুল:

মানব পাচারকারীদের সাহায্যে বিদেশ পাড়ি জমানো এই সকল নাগরিকদের অনেকের কাছে এই পথের বিপদ ও ঝুঁকি ছিল অজানা। তারা একদিকে যেমন সমুদ্র বা মরুভূমি পাড়ি দেওয়ার মত বিপদ সম্বন্ধে অসচেতন ছিল, তেমনি অন্যদিকে অজ্ঞাত ছিলেন পথের মাঝখানে পড়া লিবিয়ার মত রাষ্ট্রের বিপজ্জনক পরিস্থিতি সম্বন্ধে। তাদের বার বার মনে পড়ছে প্রাণ হারানোর মত ঝুঁকিপূর্ণ ঘটনার কথা, অনেক ক্ষেত্রে এমন ঘটনা ঘটেছে যা মনে পড়ল তাদের এখনো গা শিউরে ওঠে। বেশীর ভাগ অভিবাসী এই সব ঘটনা ভুলে গিয়ে জীবনকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে চায়, আর এ কারণে একই রকম ভাবে বিদেশে আসতে ইচ্ছুক স্বদেশীদের কাছে তারা নিজেদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরতে চায় না।

এই প্রচারণা তুলে ধরার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে ফেসবুক, ইউটিউব, ইনস্টাগ্রাম এবং টুইটারে মত সাইট, যাতে সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝুঁকি নিয়ে এই বিপজ্জনক পথ পাড়ি দেওয়া অভিবাসীরা ছবি ও ভিডিওর মাধ্যমে নিজেদের মতামত এবং বক্তব্য তুলে ধরতে পারে, যেগুলো এই সকল যাত্রায় সংগ্রহ করা হয়েছে:

এই প্রচারণায় ৩১টি ভিডিও তৈরি করা হয়েছে, যেখানে অভিবাসীরা সাক্ষ্য হিসেবে তাদের বক্তব্য তুলে ধরেছে । নীচের ভিডিওটি ত্রিকা নামক এক ব্যক্তির কাহিনী যে সেবাহা নামক অঞ্চল থেকে ত্রিপলি পর্যন্ত গিয়েছিল :

পাকো জানাচ্ছে বছর জুড়ে কারাগারে বন্দী থাকার মত বেদনাদায়ক যন্ত্রণার কথা:

লিবিয়া দিয়ে যাওয়ার সময় লামিন তার প্রিয়জনকে হারিয়েছে:

ইব্রিমাকে বলা হয়েছিল হয় সমুদ্র পাড়ি দাও, নয়ত লিবিয়া কিংবা তিউনিশিয়ায় খুন হয়ে যাও:

ব্লেসিং বলছেন প্রতিদিন তাঁকে ধর্ষণ ও মারধর করা হত:

ইমাসুয়েন-এর সঙ্গীরা সাহারা মরুভূমিতে ক্ষুধায় মৃত্যুবরণ করে :

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .