বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

কাজাখস্তানে নাগরিকদের এমনি টাকা দেওয়ার কারণে পুলিশ এক নাগরিককে গ্রেফতার করেছে

কাজাখস্তানের মুদ্রা ১০,০০০ টেনজে, যা প্রায় ৩০ মার্কিন ডলারের সমান। উইকিমিডিয়া কমন্স-এর ছবি।

কাজাখস্তানে, দেশটির সবচেয়ে বড় শহর আলমাতির এক সড়কের পাশে এক ব্যক্তি টাকা নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল যার জামায় কিছু টাকা রাখা ছিল, সাথে ছিল একটা সাইন বোর্ড ছিল। সেখানে লেখা ছিল যার যা প্রয়োজন উক্ত পরিমাণ টাকা সে এখান নিয়ে যেতে পারে। এর চূড়ান্ত পরিণতি তাই হয়েছে যা কী না মধ্য এশিয়ার এক পুলিশি রাষ্ট্রে হয়ে থাকে আর তা সহজেই অনুমান করা যায়।

সম্ভবত সে পথ দিয়ে যাওয়া এক ব্যক্তির অভিযোগের প্রেক্ষিতে অথবা পুলিশ নিজে স্বউদ্যোগী হয়ে তাকে গ্রেফতার করে । পুলিশের রেডিওতে একটি শব্দ ধরা পড়েছে যেটিতে রুশ ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে। এই শব্দের অর্থ “ তাকে ধরেছি”, যেন রাস্তার ধারে টাকা বিতরণ করতে থাকা একজন মানুষকে পাকড়াও করা খুব কঠিন এক কাজ।

ভিডিওর শেষ অংশে দেখা যাচ্ছে পুলিশ লোকটিকে ধরে নিয়ে যাচ্ছে, তাকে জিজ্ঞেস করছে সে যে নাগরিকদের সাহায্য করছে তার কী বৈধতা আছে, আর সে কী কোন সম্প্রদায়ের সদস্য কিনা? এর উত্তরে উক্ত ব্যক্তি জানাচ্ছেঃ “সম্প্রদায় কী, মানুষকে সাহায্য করার জন্য কী আমার বৈধতা দরকার?

উক্ত ব্যক্তি পুলিশের হাতে আটক হওয়ার পরে প্রচার মাধ্যম ঘটনাটিকে আর অনুসরণ করেনি, কিন্তু ইউটিউব ব্যবহারকারীদের মধ্যে বেশীর ভাগ ব্যক্তি উক্ত নাগরিকের প্রতি সমর্থন প্রদান করেছিল:

менты всего боятся….Ну и завидуют тоже)

পুলিশের শঙ্কা এবং সকল কিছুকে ঈর্ষা করা

পরিহাসের বিষয় হচ্ছে, কাজাখস্তানের এক অন্যতম চেইন শপ বা দোকান সম্প্রতি ঠিক একই রকম ভাবে “যতটুকু দরকার নিয়ে যাও” হিসেবে বিনামূল্যে রুটি ও ময়দার তৈরি সামগ্রী দরিদ্রের মাঝে বিতরণ করছে। কাজাখস্তান ক্রমাগত অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের মুখে রয়েছে যা ঘটেছে মূলত তেলের দাম কমে যাওয়ার কারণে, যার ফলে ২০১৪ সালে দেশটির বৈদেশিক আয় অর্ধেকে নেমে আসে, সাথে দেশটির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানী সামগ্রীর রপ্তানি কমে যায়।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .