বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

রাশিয়ার সাথে আছি আন্দোলনে আপনাকে স্বাগতম

Image edited by Kevin Rothrock.

ছবি সম্পাদনা কেভিন রথরক

গত ২৪শে নভেম্বর সিরিয়া-তুরস্ক সীমান্তে তুরস্কের বিমানবাহিনী রাশিয়ার সুখোই সু-২৪ নামের একটি বোমারু বিমান গুলি করে ভূপাতিত করে। এ ঘটনার পর থেকেই মস্কোর তুর্কি দূতাবাসের সামনে প্রতিবাদকারীরা জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করছেন। এ সময়ে তারা দূতাবাস লক্ষ্য করে পাথর ও ডিম ছোঁড়ে। এতে ভবনের জানালার কাচ ভেঙ্গে যায়। শুধু তাই নয়, রাশিয়ানরা অনলাইনেও তাদের ক্ষোভ ঝাড়েন। তারা গুগল ম্যাপের রিভিউ পেইজে তুরস্ক দূতাবাসকে গণহারে এক রেটিং দেয়া শুরু করেন।

একজন নেটিজেন রিভিউ দিতে গিয়ে লিখেছেন, তারা সন্ত্রাসবাদের সমর্থক। অন্য আরেকজন লিখেছেন, তারা যে ভূমিকা পালন করলো, তাতে করে ইতিহাসে তারা পতিতা হিসেবে চিহ্নিত হবেন । নাতালিয়া ভাসিলইয়েভনা নামের একজন নারী নেটিজেন প্রশ্ন করেছেন, আপনি কি ভুলে গেছেন আটবারের রাশিয়া-তুরস্ক যুদ্ধে কে জিতেছে?

Screenshot: Google Maps reviews of Turkey's embassy in Moscow.

স্ক্রিনশট: মস্কোর তুর্কি দূতাবাসের গুগল ম্যাপের রিভিউ।

তবে এই নেতিবাচক রিভিউয়ের জোয়ারের পরেও গুগল ম্যাপে তুরস্কের দূতাবাসের রেটিং ৪.৫ দেখাচ্ছে। যদিও সেখানে মাত্র ৪৪টি রিভিউ তালিকাভুর্ক্ত হয়ে আছে।

গত ২৫ নভেম্বর সরকারি পরিচালনাধীন পত্রিকা আরটি একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। যেখানে দাবি করা হয়েছে, রাশিয়ার বিমান ভূপাতিত করার প্রতিবাদে সারাবিশ্বের অনলাইন ব্যবহারকারীরা ‘রাশিয়ার সাথে আছি’ হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করছে। উল্লেখ্য, বিমান ভূপাতিত করার ঘটনায় একজন পাইলট নিহত হয়েছেন। আর পাইলটদের উদ্ধার অভিযান চালাতে গিয়ে আসাদবিরোধী বিদ্রোহীদের হামলায় একজন মেরিন সেনা নিহত হয়েছেন।

আরটি’র প্রতিবেদনের সাথে একটি ছবিও দেয়া হয়েছে। আরটি লিখেছে, রাশিয়ার সাথে সংহতি জানাতে সবাই শান্তির প্রতীকওয়ালা এই ছবিটি শেয়ার করছেন। শান্তির প্রতীকের মাঝখানে একটি রাশিয়ান যুদ্ধবিমান বসিয়ে দেয়া হয়েছে। এই ছবি’র মাধ্যমে গত ৩১ অক্টোবর সন্ত্রাসীদের হামলায় মিশরে রাশিয়ান বিমান ধ্বংসের কথাও স্মরণ করা হয়েছে। (বিমানের শান্তির প্রতীকটি এর আগে আইফেল টাওয়ার শান্তি প্রতীক হিসেবে চালু ছিল। এটি একেঁছিলেন ফরাসি গ্রাফিক্স ডিজাইনার জেন জুলিয়ান। নভেম্বরের ১৩ তারিখে প্যারিস হামলার পরপরই তিনি একেঁছিলেন এটি।)

আপনার সমর্থন চাইছি।

টুইটার ব্যবহারকারী @আন্দ্রেজালগোর ভাষ্যমতে, যদিও তুরস্কের হামলায় রাশিয়ার বিমান ভূপাতিত হওয়ার আগেই তিনি মজা করতে যুদ্ধ বিমানের শান্তির এই প্রতীকটি একেঁছিলেন।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .