বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

ইয়েমেনে অপহৃত হওয়া এক তাজিক নার্স স্বদেশে ফিরে এসে সরাসরি কাজে যোগদান করেছে

Rofiza did not waste time when she came across a road accident when driving back to her home town of Panjikent. Screenshor from video uploaded by RFE/RL's Tajik service.

নিজের শহর পানজিকেন্ট –এ গাড়ি চালিয়ে যাওয়ার সময় এক সড়ক দুর্ঘটনা পতিত হওয়ার পর রোফিয়েভা আর এক মুহূর্ত সময় নষ্ট করেনি। আরএফএফ/আরএল’এর তাজিক সেবায় আপলোড করা ভিডিওর স্ক্রিনশট থেকে নেওয়া ছবি।

নার্স হিসেবে নিজের শহর থেকে বিদায় নেওয়া এক মহিলা বীর হিসেবে আবার সেখানে ফিরে এসেছে।

গুলরুখশোর রোফিয়েভা নামক এক তাজিক নার্সকে ইয়েমেনে অপহরণ করার পর ১০৫ দিন ধরে বন্দী করে রাখা হয়, মুক্তি পেয়ে সে ২১ ফেব্রুয়ারি তারিখে স্বদেশে ফিরে আসে এবং ফিরে এসে সে একই দিনে সরাসরি তার কর্মস্থলে যোগদান করে, সেখানে এসে সড়ক দূর্ঘটনায় আহত এক পুরুষকে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদানের বিষয়টির তদারক করে।

রাশিয়ার এক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ইয়েমেনে কাজ করতে যাওয়া ৩৬ বছর বয়স্ক এই নার্সকে যখন ২৯ অক্টোবর ২০১৪-এ এক স্থানীয় উপজাতি অপহরণ করে, সে সময় সে ইয়েমেনের মারিবের সামরিক হাসপাতালের মহিলা বিভাগে কাজ করত।

তার উদ্ধার করার জন্য ইয়েমেনের স্বরাষ্ট্র এবং তাজিকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (এমএফএ) উভয়ের তৎপরতাকে ধন্যবাদ, ১০ ফেব্রুয়ারি তারিখে স্থানীয় এক বন্দীর বিনিময়ে রোফিয়েভাকে ছেড়ে দেওয়া হয়

২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ তারিখে সে তাজিকিস্তানের রাজধানী দুশানবে থেকে বিমান যাত্রা করে, কিন্তু মাঝখানে এক জটিলতা এমনকি এই সুখী পরিণতিকে আরো আরো আনন্দদায়ক করে তোলে, আরএফএফ/আরএল’এর তাজিক সেবা বিভাগ, ওজোদি সংবাদ প্রদান করেছে যে নিজ প্রদেশের আপন শহর পানজিকেন্ট-এ ফেরার পথে গাড়ি দুর্ঘটনায় আহত এক ব্যক্তিকে রোফিয়েভা প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করে।

এক ওজোদি ব্যবহারকারী লিখেছে :

Худованд нигахбонатон бону Гулрухсор хамеша дар хидмати мардум бошед аз ин пас агар системаи тандурустии Точикистон кор карден хатман аз адлу инсоф ба духтуроне ки барои дилбардории беморон пеш аз хама кисаи вайро нигох мекунан насихат кунен ки ин дунё бако надора.

গুলরুখশোর, সৃষ্টিকর্তা আপনার মঙ্গল করুন! সবসময় মানুষকে সাহায্য করে যাচ্ছেন। যদি আপনি তাজিকিস্তানের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগে আরো দীর্ঘ সময় কাজ করে যান, তাহলে দয়া করা ওই সমস্ত ডাক্তারদের একটু নসিহত করবেন যারা প্রথমে রোগীর পকেটের দিকে তাকায়।

ইয়েমেনে অপহৃত হওয়া রোফিয়েভার কাহিনীর প্রতি তাজিকিস্তানের অনেকে নজর রাখছিল। আরএফএফ/আরএল’এর তাজিক সেবা বিভাগের আরেক মন্তব্যকারী আয়োর তাদের সমালোচনা করেছে যারা রোফিয়েভাকে ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টা তাজিকিস্তানের এমএফ-এর দক্ষতা প্রতি সন্দিহান ছিল

সে লিখেছে:

Eeee kani hamun nafare ki Xudro Беном–mexonad!!!!gufta budi ki Xudat chorata bin hukumati Tj tura najot nameta—– fikr mekardi mardum besohibay Ee rahmat ba konsuli Tj ki dar istanbul rafiqoni mara hamsinfoma kumak kardand to vaqti parvoz… 

তারা এখন কোথায় যারা লিখেছিল তাজিক সরকার কাছ থেকে কোন কিছুর আশা না করতে? আপনারা মনে করেন কেউ নাগরিকদের প্রতি যত্নশীল নয়? তাজিক রাষ্ট্রদূতকেও ধন্যবাদ, যিনি ইস্তাম্বুলে অবস্থান করা আমার বন্ধুকে সাহায্য করেছে..।

তবে সরকার পুরোপুরি সমালোচনা এড়িয়ে যেতে পারেনি। বিশ্বব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুসারে তাজিকিস্তান বিশ্বের সবচেয়ে অভিবাসী শ্রমিকদের পাঠানো বৈদেশিক মুদ্রার উপর নির্ভরশীল রাষ্ট্র, আর দেশটির ৯০ শতাংশ অভিবাসী কর্মী রাশিয়ায় কাজ করে এবং তারা দেশটিতে যে পরিমাণ অর্থ পাঠায় তা দেশটির মোট জিডিপির অর্ধেকের সমান।

“রাশিয়ার দাস” হিসেবে নিজেকে অভিহিত করা এক পাঠক দেশটির লাখেরও বেশী অভিবাসী শ্রমিকদের জীবন বিপন্ন হওয়ার মুখে ঠেলে দেওয়ায় তার ক্ষোভ প্রকাশ করেছে

সে তীব্র ক্ষোভের সাথে লিখেছে:

Е кош хамаи гарибоне ки аз зери зулми уруси берахм ба ватан бар мегарданд чунин бо кахрамонона пешвоз гирифта шаванд. Е кош ба кадри хар як точики чигарсухта бирасанд на факат холатхои алохидае ки хукумат ба хотири обуруи худаш истифода мекунад.

আমি আশা করি যে সকল তাজিক অভিবাসী শ্রমিক নির্মম রুশদের নির্যাতনের হাত থেকে (রোফিয়েভার) মত এক বীরের বেশে মাতৃভূমিতে ফিরে আসুক। আমি আশা করি তারা সকল তাজিক নাগরিকের প্রশংসা করুক, কেবল তাদের নয় যারা সরকারে ভাবমূর্তি পরিষ্কার করার কাজে সাহায্য করছে।

ইয়েমেনে পণ বন্দী হওয়ার তালিকায় রোফিয়েভা প্রথম তাজিক নাগরিক নয়। ২০০৭ ও ২০১১ সালে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমুহে স্থানীয় উপজাতিরা তাজিক ডাক্তারদের অপহরণ করে নিয়ে যায়। তুলনামূলক ভাবে বেশী বেতনের আকর্ষণে মধ্য এশিয়ার এই গরীব রাষ্ট্রের ৭০ জন ডাক্তার ও নার্স ইয়েমেনে চাকুরী নিয়ে সেখানে ছুটে গেছে।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .