বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

মৌরিয়াতানিয়ায় দাস প্রথার শিকার ৩৫ জনকে ব্লগিং প্রশিক্ষণ

Rising Voices Grantee Project Update

IRA bloggers. Photo by Seydi Camara.

আইআরএ ব্লগারদের দল, ছবি সেইদি কামারার।

দাস প্রথা বিলুপ্তি নিয়ে কাজ করা এনজিও আইআরএ-মৌরিতানিয়ার পঁয়ত্রিশ জন তরুণ একটিভিস্ট এবং সমর্থক এবছরের ১১, ১২ এবং ১৩ আগস্টে অনুষ্ঠিত নাগরিক সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ থেকে সুবিধাপ্রাপ্ত হন, যা ছিল রাইজিং ভয়েসেস-এর অনুদানে পরিচালিত এক প্রকল্পের অংশ। তিনদিন এই প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়, কিন্তু এই উদ্যোগের প্রতি অংশগ্রহণকারীদের প্রবল আগ্রহের কারণে এর সময় বাড়ানো কথা ভাবা হয়েছিল। পরিকল্পনা অনুসারে ৩৫ জন অংশগ্রহণকারীর বদলে প্রতি সেশন ৪০ জন প্রশিক্ষণার্থীর মনোযোগ আকর্ষণ করে।

প্রগতিশীল এবং অনুপ্রাণিত, নির্যাতনের শিকার মৌরিতানিয়া নাগরিকরা (আইআরএ–মূলত প্রাক্তন দাসেরা কেবল এর সমর্থক) ছিল প্রধান আবিষ্কার যারা শোনা এবং নিঃস্বার্থপরায়ণতা চর্চা করছে, এগুলো এমন কিছু গুণ যা তাদের প্রশিক্ষণের বাকী সময়ে তারা প্রদর্শন করে।

প্রশিক্ষণের পুরোটা সময় জুড়ে একজন অনুবাদক অনুবাদের কাজ চালিয়ে যান যা ভাষার সীমাবদ্ধ দূর করতে সাহায্য করে। বিশেষ করে তারা যখন হারাতিন (প্রাক্তন দাস)। উচ্ছ্বসিত অংশগ্রহণকারীদের বেশীরভাগই নিজেদের অনুভূতি আরবিতে প্রকাশ করেছে, যা তাদের প্রাক্তন মালিকদের ভাষ্য, তবে প্রশিক্ষকেরা ফরাসী ভাষায় ভাষণ দিয়েছিল।

২৩টি কম্পিউটার এবং ডিএসএল ইন্টারনেট সংযোগ সহকারে এক কামরায় মূলত প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছিল, যা সম্প্রদায়ের উচ্চাকাঙ্ক্ষা পূরনের জন্য অনেক ব্যয়বহুল। ব্যয় কমানোর জন্য, সুবিধাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের প্রাপ্ত প্রযুক্তিগত সম্ভাবনাকে জিইয়ে রাখতে সহায়তার বিষয়টি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে, প্রকল্পের সামর্থ্যের সাথে গ্রহণযোগ্য এমন ব্যয়ের মধ্যে দিয়ে আইআরএ-মৌরিতানিয়া নামক এনজিও তাদের হেডকোয়ার্টারে তিনটি তত্ত্বীয় সেশনের আয়োজন করে। সিটিজেন সাংবাদিকতার এই প্রশিক্ষণের সময় তৈরী করা ব্লগ উদ্বোধনের জন্য আইসিটি ল্যাবে একটি সারসংক্ষেপ আলোচনা এবং ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ দিবসের আয়োজন করা হয়েছিল। অদূর ভবিষ্যতে এগুলোর জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করা হবে।

এই সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করা হয়েছিল, যার জন্য এনজিও আইআরএ-মৌরিতানিয়া-এর আগ্রহকে ধন্যবাদ, যারা তাদের কয়েকজন একটিভিস্টকে নাগরিক সাংবাদিকতার সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়ছে তাদের ব্লগ–এর সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে, যা এই সংগঠনকে বিলুপ্তি ঘটানোর সংগ্রামে সাহায্য করবে।

মৌরিতানিয়ার ব্লগার সম্প্রদায় এক বাস্তবতায় পরিণত হচ্ছে। প্রশিক্ষণের সময় ব্যক্তিগত প্রবন্ধ লেখা হয়েছিল। পরবর্তী দিনে মাঠ কর্মের উপরে লেখা তিনটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করার জন্য অংশগ্রহণকারীদের তিনটি সম্পাদনা গ্রুপে ভাগ করা হয়।

এই প্রকল্পের প্রয়োগ মূলত মৌরিতানিয়ায় মানবাধিকারের প্রচারণা অবদান রাখবে এবং বিশেষ করে যা করবে:

  • যারা দাস প্রথা সমর্থন করে এবং তাদের সহযোগীদের নিন্দা জানানো।
  • তথ্য সব জায়গায় ছড়িয়ে দিয়ে সংস্কৃতিক এবং সম অধিকারের বিষয়ে প্রচারণা চালানো
  • সবচেয়ে নাজুক সম্প্রদায়ের জন্য সচেতনতা সৃষ্টির একটা প্লাটফর্ম এবং মনোযোগ সৃষ্টির জায়গা তৈরী করা
  • এবং সবশেষে সাম্য, ন্যায় ও রাষ্ট্রের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধার ভিত্তিতে আইনের শাসন বিদ্যমান এমন এক রাষ্ট্র গঠনে অবদান রাখা।

এই বিষয়টি জটিলতা তৈরী করবে যে ইসলামিক প্রজাতন্ত্র মৌরিতানিয়া একটি বহুজাতিক, বহু সংস্কৃতিক, দ্বি-বর্ণ বিশিষ্ট এক আফ্রিকান রাষ্ট্র, যেখানে আফ্রিকান বংশোদ্ভুত, হারিতান, পেয়ুলহ, সোনিনকে, ওলাফ এবং বাম্বারা এবং বেদুঈন বংশোদ্ভুত (মুর) জাতি বাস করে।

২০০৮ সাল থেকে দাস প্রথার অনুশীলন করা ২১ টি ঘটনার ক্ষেত্রে, অভিযুক্তদের বদলে যারা বাদী ছিল তাদেরকেই আদালতে বিপুল পরিমাণ কর দিতে হয়েছে। দাস প্রথার এই সব ঘটনার নিন্দা জানানো এবং বিচার মন্ত্রণালয়ের নির্বাহী বিভাগের নিন্দা জানানোর জন্য স্বাধীন সংবাদপত্রসমূহ তাদের সংবাদপত্রে যথেষ্ট জায়গা প্রদান করেনি। ব্লগ এবং সোশাল মিডিয়া পাতার একদল সক্রিয়কর্মী দেশটিতে যে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে তা উন্মোচন করতে পারে।

ইংরেজিতে অনুবাদ করেছেন আফেফ আবরুজি।

এই পোস্টে মন্তব্য বন্ধ করা হয়েছে।