বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

কিরঘিজস্তানের নারী অধিকারকর্মীদের গল্পের শেষ নেই

রাইজিং ভয়েসেস-এর অনুদানপ্রাপ্ত প্রকল্পের সর্বশেষ অবস্থার খবর

ky

আগস্ট মাসটা খুব ভালো গেল কিরঘিজস্তানের নারী অধিকারকর্মীদের।

আমরা যেসব বিষয়গুলো নিয়ে লিখবো তার আইডিয়া ইতোমধ্যে পেয়ে গেছি। ঘরে-বাইরে নারীর প্রতি সহিংসতা, চলাফেরার স্বাধীনতা, লিঙ্গ বৈষম্যসহ আরো কিছু বিষয় উঠে এসেছে কর্মশালায় অংশ নেয়া নারীদের যৌথ চিন্তাভাবনা থেকে। আমাদের বাবা, ভাইয়েরা যখন টিভি দেখে, তখন ঘরে কী কাজ করি, সেটা নিয়েও লেখার পরিকল্পনা করেছি। আমরা কী পোশাক পরি এবং এর ফলে রাস্তাঘাটে কী ধরনের অপদস্তের শিকার হই, আমাদের কেন স্মার্ট হতে দেয়া হয় না, কেন বিজ্ঞান পড়তে দেয়া হয় না, কেন আমরা আমাদের সিদ্ধান্ত নিজেদের মতো করে নিতে পারি না, সমাজ কেন আমাদের ওপর সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেয়, সেসব নিয়েও লিখবো আমরা। আমাদের কনে বন্ধুরা অপহরণের শিকার হন, তাদের খুব তাড়াতাড়ি বিয়ে হয়ে যায়। আমরা লজ্জার সংস্কৃতি এবং পাছে লোকে কি বলবে সেসব নিয়েও লিখতে চাই। আমাদের শিক্ষা দেয়া হয় শরীর এবং যৌনতা নিয়ে লজ্জা পেতে, আমাদের পরিবারের প্রতি আনুগত্য থাকতে।

আমাদের স্কুলগুলোর সহিংসতাও একটা সমস্যা। শিক্ষকেরা এই সহিংসতা দূর করতে কোনো ধরনের ব্যবস্থাই নেন না। কিছু কিছু সময়ে শিক্ষার্থীদের মারধরও করেন। স্কুলে আরো সমস্যা আছে। এখানে উত্যক্ত করার পাশাপাশি অপমান এবং পিয়ার প্রেশারও থাকে।

দুর্ভাগ্যক্রমে কী ঘটেছে সেটা নিয়ে অনেকেই কথা বলতে চান না। কেউ কেউ যে সহিংসতার অবসান চায়, সেটাও তারা দেখতে পান না। কিছু কিছু সময় আমরা বাবা-মা, শিক্ষক এবং অন্যদের সামনে এটা নিয়ে কথা বলতেও ভয় পাই। কারণ, আমরা এগুলো নিয়ে কথা বললে পরে আবার সহিংসতার শিকার হতে পারি।

- কর্মশালায় অংশ নেয়া একজনের মন্তব্য

স্মার্টফোনগুলো নারীদের কী ধরনের কাজে লাগতে পারে আমরা কর্মশালায় অংশ নেয়া নারী অধিকারকর্মীদের দেখিয়েছি। একজন অংশগ্রহণকারী স্মার্টফোন ব্যবহার করে ছবি এবং ভিডিও শেয়ার করেছেন। একজন কীভাবে স্মার্টফোনে নোট লেখা যায়, কথা বা শব্দ রেকর্ড করা যায়, সে সম্পর্কে বলেছেন। আরেকজন কীভাবে কথা বলা এবং বার্তা আদান-প্রদান করা যায়, সে সম্পর্কে বলেছেন। কেউ কেউ অবশ্য সামাজিক যোগাযোগ এবং ব্লগিং সম্পর্কেও বলেছেন। স্কুলে যেভাবে শিক্ষা দেয়া হয়, তেমন ভাবে এখানে কিছুই করা হয়নি। আমরা শুধু আমাদের অভিজ্ঞতা এবং ভাবনা শেয়ার করেছি।

কর্মশালা নিয়ে এক কিরঘিজ মেয়ে ছিলেন খুবই রোমাঞ্চিত। তিনি তার দৈনন্দিনের ঘটনা নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন। তিনি কীভাবে গরুর পাল দেখাশোনার পর রাশবেরি তুলে বিক্রি করে ইংরেজি শেখার জন্য অর্থ যোগান, সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখেছেন। তিনি সত্যি সত্যি ইংলিশ শিখতে চান। তিনি কী কী পোস্ট দিয়েছেন, তার অনুমতি নিয়ে সেগুলো নিচে প্রকাশ করা হলো:

Ураааааа нашлась моя потерявшась корово y моей подрyге дома,но она исспортила иx нюю всю малинy.

হুররে, হারিয়ে যাওয়া গরু আমি খুঁজে পেয়েছি। সে আমার বন্ধুর বাড়িতে ছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্য, বন্ধুদের রাস্পবেরি বাগান নষ্ট করে ফেলেছে।

Вы не поверите я соберала малинy 11 часов ,я где то в 9:00 часоов зашла в 17:00 вышла, Не x ила да? За что 46 банок собрала, и здала за 65 сомов

আপনারা কেউ বিশ্বাস করবেন না, কিন্তু সত্যিই বলছি, আমি ১১ ঘণ্টা রাস্পবেরি তুলেছি! সকাল ৯টায় শুরু করেছিলাম। আর শেষ করেছি বিকেল ৫টায়। আমি ৪৬ জার রাস্পবেরি তুলেছি। আর দাম পেয়েছি ৬৫ সমস (স্থানীয় মুদ্রার নাম)। মন্দ না।

তবে পরের পোস্টগুলোতে গ্রামের জীবনযাপন নিয়ে বেশ গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য পাওয়া গেছে:

Жизнь в селе как вы себе придставляете?

У каждого она разная это зависит как сам/сама относятся к этой жизни
для меня жизнь в селе порой надоедала и я проста xотела покончить жизнь само убийством,порой просто xотела жить и наслождатся что живу,что я есть порой я чувствовала что моя душа была далеко от меня и я не наxодила что мне делать я просто жила

я почти каждый день собераю малину,а другие ребята моего возраста работают соберают клубнику,малину ии зарабатывают себе на жизнь,к счастью я мак не работаю, но я знаю что это очень трудно 

গ্রামের জীবন… আপনি কীভাবে ম্যানেজ করবেন?

এখানে সবারই আলাদা একটা জীবন আছে। এটা নির্ভর করে এটাকে কে কীভাবে দেখছে, তার উপর। গ্রামের জীবন আমাকে খুব পীড়া দেয়। আমি এভাবে জীবনযাপন করতে চাই না। তবে অন্য সময়ে আমি আমার জীবনকে উদযাপন করতে চাই। কিছু কিছু সময়ে আমি বুঝি না কেন আমি বেঁচে আছি। কিন্তু হ্যাঁ, আমি আমার জীবনকে ঠিকই চালিয়ে যাচ্ছি।

প্রতিদিন আমি রাস্পবেরি তুলি। যদিও অন্যরা তখন আমার চেয়েও বেশি পরিশ্রম করে থাকে। আমি জানি, এটা তাদের জন্য খুব কষ্টের। সৌভাগ্যক্রমে, আমার জীবন খুব সহজ-সরল।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .