বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

বোমা বিস্ফোরণের পর লেবাননে বেঁচে থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করছে “আমি বেঁচে আছি” অ্যাপ

লেবাননে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা নতুন না। অহরহ সেটা ঘটছে। তাতে মারা যাচ্ছে অনেক মানুষ। তাই বোমা বিস্ফোরণের পর নিকটজনকে বেঁচে থাকার কথা জানাতে একটি অ্যাপ তৈরি করা হয়েছে। অ্যাপটির নাম “আমি বেঁচে আছি”। ২৬ বছর বয়সী সান্দ্রা হাসান এটি বানিয়েছেন। সান্দ্রা হাসান লেবানিজ হলেও এখন প্যারিসে বসবাস করেন।

Screenshot of "I am Alive" app

“আমি বেঁচে আছি” অ্যাপ'র স্ক্রিনশট।

এই অ্যাপটি খুব সহজে কাজ করে: বিস্ফোরণের ঘটনা যখনই ঘটবে, তখন আপনি অ্যাপ ওপেন করে ক্লিক করবেন। ক্লিক করা মাত্রই আপনার টুইটার থেকে #লেবানন #সর্বশেষবোমাবিস্ফোরণ হ্যাশট্যাগ-সহ “আমি এখন বেঁচে আছি” শিরোনামে একটি টুইট পোস্ট হবে।

হাসানের এই অ্যাপ তৈরি করার পিছনের কারণ ব্যাখ্যা দিয়েছেন এনপিআর ব্লগার র‌্যাচেল মার্টিন:

“হতাশা থেকেই এটা এসেছে। আমরা লেবাননে এমন এক পরিস্থিতির মধ্যে আছি, যেখানে এ ধরনের একটি অ্যাপ খুব দরকারি। এই অ্যাপ তৈরি করে আমি আমার হতাশা প্রকাশ করেছি… পীড়াদায়ক পরিস্থিতির বিরুদ্ধে এটা একটি প্রতিবাদ, এটা একটা অসন্তোষ, যেটা আমি চাইলে প্রকাশ করতে পারি।”

অ্যাপটি প্রকাশ পাবার পর নানা প্রতিক্রিয়া এসেছে। লেবাননের বিখ্যাত ব্লগার গিনো রেইডি তার ব্লগে পাঠকদের কাছে অ্যাপ নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চেয়েছিলেন। বেশিরভাগ পাঠকের উত্তর ছিল নেতিবাচক:

@GinoRaidy, লজ্জাকর এবং খুব জঘন্য ভাবে করা। প্রতিবাদের আরো অনেক উপায় আছে। প্রিয় স্বদেশ, তুমি দীর্ঘজীবী হও।

@GinoRaidy, এটা কি হাস্যকর নয়?

@GinoRaidy,আমার এটা পছন্দ হয়নি। যাদের এটা পছন্দ হয়েছে, তারা আমাদের বলতে চায়, আমরা কখনোই নিরাপদ নই।

মন্ডেগ্রিন ২ এর তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক ব্লগার এরিক নেউ তার অনুভূতি শেয়ার করেছেন।

এটা সবচে’ বিষাদময় অ্যাপ।

তবে পিএসএফকে ব্লগের ব্লগার রস ব্রুক অ্যাপটির ইতিবাচক ভূমিকার কথা তুলে ধরেছেন:

“বোমা বিস্ফোরণের পরপরই আত্মীয়স্বজনকে ফোন করে অবস্থার কথা জানাতে মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্ক ব্যস্ত হয়ে পড়ে। সেসময়ে ইন্টারনেট প্রোভাইডারদের মাধ্যমে বার্তা পাঠানো অন্যতম বিকল্প হতে পারে।”

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .