বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

মিশরের সংবাদ পরিবেশনে পক্ষপাতদুষ্টতার দায়ে অভিযুক্ত আল জাজিরা

এই পোস্টটি আমাদের মিশরীয়দের মুরসি উৎখাত এর বিশেষ কভারেজের একটি অংশ

গত ৪ জুলাই মিশরের সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মাদ মুরসির উচ্ছেদের সময় এবং তার পরপরই, অনেকের মতে “পক্ষপাতদুষ্ট” রিপোর্ট করার কারনে মিশরে আল জাজিরা চ্যানেলটি রোষানলে পরেছে। মুসলিম ব্রাদারহুডের পক্ষ নেওয়া ও এর মুখপাত্র হিসেবে কাজ করার অভিযোগে কাতার-ভিত্তিক এই চ্যানেলটিকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

সামরিক বাহিনী কর্তৃক মুরসিকে দপ্তর থেকে সরিয়ে দেয়ার পর মিশরে আল জাজিরায় সরাসরি সম্প্রচারিত আল জাজিরা মুবাশেরের প্রচার সাথে সাথে বন্ধ হয়ে যায়। নেটওয়ার্কটি ঘোষনা করেছেঃ

আরো বেশকিছু টিভি চ্যানেলের পাশাপাশি মিশরে আল জাজিরার সরাসরি সম্প্রচার বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

আমাদের প্রতিনিধির রিপোর্ট থেকে বলা যায় যখন সরাসরি সম্প্রচার চলছিল তখন নিরাপত্তা বাহিনী দালানটিতে অভিযান চালায় এবং উপস্থাপক, অতিথি এবং প্রযোজকদের গ্রেপ্তার করে।

চ্যানেলটির সংবাদ পরিচালক আব্দেল ফাত্তাহ ফায়েদের জন্য শহরতলী কায়রোর ফৌজদারি মামলার সরকারী উকিল একটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। ফায়েদের বিরুদ্ধে “গৃহদাহক সংবাদ প্রচারের মাধ্যমে জনগণের শান্তি এবং জাতীয় নিরাপত্তাকে হুমকির সম্মুখীন করার” অভিযোগ আনা হয়। তিনি দু’দিন জেলে ছিলেন এবং এরপর তাঁকে জামিনে মুক্ত করা হয়।

এবং আজ কর্মচারিদের মধ্য থেকে ২২ জন স্টাফ সদস্যের গণ পদত্যাগ দেখা গেল। তাঁরা দাবি করেছেন, “মিশরে সত্য ঘটনার সমকালীনতার বাইরে কভারেজ করা হয়”। অন্যান্য রিপোর্ট [আরবি] বলছে, দোহার প্রধান দপ্তরে চারজন সহ ২৬ জন মিশরিয় কর্মী পদত্যাগ করেছেন।

এদের মধ্যে অয়েসাম ফাধেল নামের একজন রিপোর্টার একটি ফেসবুক পোস্টে [আরবি] পদত্যাগ করেছেন। নোটটিতে বলা হয়েছেঃ

আমি আজ আল জাজিরা থেকে পদত্যাগ করেছি। এটি প্রকাশ্যে মিথ্যা বলছে। তাঁরা শূন্য তাহরিরের পুরোন ভিডিও দৃশ্য দেখাচ্ছে। তাঁরা বলছে এটি অল্প সময় আগে ধারণ করা হয়েছে এবং কয়েক ঘন্টা ধরে তাঁরা এই দৃশ্যগুলো দেখাচ্ছে। যখন আমি আহমেদ আবু আল মাহাসেনকে এর কারন জিজ্ঞাসা করলাম তখন তিনি আমাকে আমার নিজ কাজ নিয়ে মাথা ঘামাতে বললেন। আল জাজিরা ক্যামেরাগুলো বর্তমানে তাহরির থেকে সরাসরি সম্প্রচার করছে। আমি ভাবতাম, আমি এমন একটি জায়গায় কাজ করি যার বিশ্বাসযোগ্যতা আছে, কিন্তু [আমি এখন বুঝতে পারছি] দুঃখের বিষয় এটির বিশ্বাসযোগ্যতার ভিত্তি হচ্ছে জঘন্য রাজনৈতিক অবস্থান।

ইলিজাহ জারওয়ান টুইটারে মন্তব্য করেছেনঃ

@ইলিজাহজারওয়ানঃ “পক্ষপাতদুষ্ট কভারেজ” – এর কারনে আল জাজিরার মিশর কর্মীদের পদত্যাগঃ ১ জুন পদত্যাগ করা একটি সাহসী পদক্ষেপ http://tinyurl.com/mjculx8

এবং নেজার আলসায়াদ আরো বলেছেনঃ

@নেজারঃ সাম্প্রতিক সময়ে মিশরে আল জাজিরা ইসলামপন্থী হয়ে গেছে, যা বহু বছর ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফক্স নিউজ প্রাথমিক রিপাবলিকান হিসেবে করে আসছে।

 

কায়রোতে আল জাজিরার রিপোর্টার রাওয়া রাগেহ রাসায়নিক দ্রব্যের সাহায্যে আলোকচিত্রের অন্য একটি প্রকাশে, আল জাজিরার কায়রো অফিসের বাইরে আজ হুমকিস্বরূপ প্রচারপত্র ফেলার ছবি টুইট করেছেনঃ

A threatening leaflet dropped outside Al Jazeera office in Cairo. Photograph shared on Twitter by @RawyaRageh

কায়রোর আল জাজিরা অফিসের বাইরে রাখা হুমকি স্বরূপ একটি লিফলেট। ছবিটি @রাওয়ারাগা টুইটারে শেয়ার করেছেন

@রাওয়ারাগেহঃ কায়রোতে আল জাজিরা অফিসের কাছে হুমকিস্বরূপ প্রচারপত্র ফেলা হয়েছে – রক্তপাতকৃত হাত ও সীমারেখা “মিথ্যা বলে এবং অন্যকে বলায়” #মিশর

A lying camera kills a nation reads a flyer thrown outside Al Jazeera office in Cairo. Photograph shared by @RawyaRageh on Twitter

আল জাজিরা অফিসের কাছে ফেলা একটি প্রচারপত্রে লিখা, একটি মিথ্যাবাদী ক্যামেরা একটি জাতিকে হত্যা করতে পারে। ছবিটি @রাওয়ারাঘা টুইটারে শেয়ার করেছেন

@রাওয়ারাগেহঃ আল জাজিরা অফিসের কাছে ফেলা প্রচারপত্রগুলোতে লেখা আছে “একটি বুলেট একজন মানুষকে মেরে ফেলতে পারে, একটি মিথ্যাবাদী ক্যামেরা একটি জাতিকে মেরে ফেলতে পারে” #মিশর

এই পোস্টটি আমাদের মিশরীয়দের মুরসি উৎখাত এর বিশেষ কভারেজের একটি অংশ

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .