বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

মৃত্যুদন্ড বাতিল করতে প্রথম সৌদি মানবধিকার সংগঠনের যাত্রা শুরু

কোর্টের আদেশ অনুযায়ী গত মাসে সৌদি সিভিল এন্ড পলিটিক্যাল রাইটস সংগঠনের (এসিপিআরএ) বিলুপ্তি ঘটে এবং এর যাবতীয় সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা হয়। সেটি বন্ধ করে দেওয়ার পর এক দল প্রতিবাদকারি ‘ইউনিয়ন ফর হিউম্যান রাইটস’ নামের একটি নতুন সংগঠন চালুর ঘোষণা দিয়েছে। সংগঠনটির ঘোষিত লক্ষ্য গুলোর মধ্যে প্রতিবন্ধক মৃত্যুদণ্ড কার্যকর বাতিল করা অন্যতম, যে ইস্যুটি দেশটিতে খুব কমই আলোচিত হয়।

সংগঠনটির চার সহ-প্রতিষ্ঠাতার মধ্যে রয়েছেন মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল-অতিবি, যিনি ২০০৯ সালের জানুয়ারির শুরুতে শান্তিপূর্ণভাবে গাজাতে একটি বিক্ষোভ প্রদর্শন আয়োজনের চেষ্টা করায় তিন বছরের জন্য আটক হন।

অনেক রাজনৈতিক বিশ্লেষক মনে করেন, মূল বিষয়টি ছিল এসিপিআরএ এর রাজনৈতিক অবস্থান। যেমন, সাংবিধানিক রাজতন্ত্রের দাবি, যেটি কর্তৃপক্ষের দমনের লক্ষ্যকে দুর্বল করে দেয়। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে ‘ইউনিয়ন ফর হিউম্যান রাইটস’ এসব রাজনৈতিক দাবি পরিহার করে ভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বনের পরিকল্পনা করছে। সংগঠনটির সূচনা বক্তব্যটি [আরবি] হলঃ

وليس لهذه الجمعية غايات سياسية أو حزبية أو دينية، لذلك فإن جمعية الاتحاد لحقوق الإنسان تقف مع حقوق الإنسان الأساسية دون تفرقة في الدين او العرق او العنصر أو ذكراً أو انثى.

সংগঠনটির কোন রাজনৈতিক, উপদলিয়তা অথবা ধর্মীয় লক্ষ্য নেই। সে কারণে ধর্ম, গোত্র অথবা লিঙ্গ বৈষম্য ছাড়াই ‘ইউনিয়ন ফর হিউম্যান রাইটস’ সংগঠনটি মৌলিক মানবাধিকারের উপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত।

আমেনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল রিপোর্ট করেছে যে, ২০১৩ সালের শুরু থেকে সৌদি আরবে প্রতি সপ্তাহে অন্তঃত দুই জনের শিরঃচ্ছেদ করা হয়েছে। বিচারক গণনা দাবি বাদ দিয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেওয়ার সম্মতি দিয়ে ২০১২ সালের সেপ্টেম্বরে শিরশ্ছেদের মানদণ্ড শিথিল [আরবি] করা হয়েছে। সৌদি আরবের প্রায় সব প্রাণদণ্ডের ঘটনাই “প্রতিবন্ধক” এবং এগুলোর বেশিরভাগই মাদক ও ডাকাতির দায়ে হয়ে থাকে। কিন্তু “প্রতিবন্ধক মৃত্যুদণ্ড” একমাত্র ধরণ নয়। অন্য আরেক ধরনের প্রাণদণ্ড হলো “প্রতিশোধাত্মক শিরঃচ্ছেদ”। এটি খুন করার অপরাধে প্রয়োগ করা হয়।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .