বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

মিশরঃ ছবিতে চূড়ান্ত পর্বের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন

এই প্রবন্ধটি মিশরের নির্বাচন ২০১১/২০১২-এর বিষয়ে করা আমাদের বিশেষ কাভারেজের অংশ।

সুপ্রিম কাউন্সিল ফর দি আর্মড ফোর্সেস-এর [এসসিএএফ- মিশরের সম্মিলিত সামরিক শাসক] রাজনৈতিক অঙ্গনের মাঝে কঠোরভাবে ছড়ি ঘুরানোর প্রচেষ্টার মাঝেও ১৬ জুন তারিখে মিশরীয় নাগরিকদের দ্বিতীয় দফা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট প্রদানের আহবান জানানো হয়। যখন সংসদ বিলুপ্ত এবং নতুন সংবিধানের ঘোষণা প্রদান করার মধ্যে প্রায় দিয়ে সকল ক্ষমতা এসসিএএফ-এর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে, তার মাঝে রাষ্ট্রপতি হিসেবে মুসলিম ব্রাদারহুড-এর প্রার্থী মোহাম্মদ মোরসি এবং শাসক গোষ্ঠীর প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী আহমেদ শফিকের মাঝে একজনকে বেছে নেওয়া ছিল এমনকি আরো বেদনাদায়ক।

বাস্তবতা হচ্ছে, দৃশ্যত উভয় প্রার্থীকে কাঙ্ক্ষিত নন, কারণ এদের মধ্যে একজন হচ্ছে বিতাড়িত রাষ্ট্রপতি হোসনি মুবারকের রয়ে যাওয়া অবশিষ্ট অংশের প্রতীক আর দ্বিতীয় জনকে বিপ্লবের সাথে প্রতারণার প্রতীক হিসেবে দেখা হচ্ছে। .

নীচে এই ঐতিহাসিক নির্বাচনী দিনটির কয়েকটি ছবি প্রদান করা হল, যেগুলো বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ সাইটে নেট নাগরিকরা পোস্ট করেছে :

বাণী হাতে তরুণ মিশরীয়, যার মানে “ আমি এক খ্রিস্টান এবং আমি শফিককে ভোট প্রদান করব না”। ছবি খালেদ মোহাম্মদ-এর (ফেসবুক থেকে নেওয়া)।

এক বালক শফিকের পোস্টার হাতে ধরে আছে। ছবি জোনাথান রাশাদ-এর (ছবি ফ্লিকার থেকে নেওয়া, সিসি বাই-এনসি এসএ ২.০-এর অধীনে ব্যবহার করা হয়েছে।)

মিশরীয় নাগরিকরা চুড়ান্ত দুই প্রার্থী মোরসি এবং শফিক-এর পোস্টার ধরে আছে। ছবি জনাথান রাশেদের (ছবি ফ্লিকার থেকে নেওয়া, সিসি বাই-এনসি এসএ ২.০-এর অধীনে ব্যবহার করা হয়েছে।)

ভোট দেবার পর মিশরীয় এক প্রবীণ নাগরিক তার কালি মাখানো আঙ্গুল প্রদর্শন করছে। ছবি জোনাথান রাশাদ-এর ( ছবি ফ্লিকার থেকে নেওয়া, সিসি বাই-এনসি এসএ ২.০-এর অধীনে ব্যবহার করা হয়েছে।)

মিশরীয় টুইটার ব্যবহারকারী @দিমিনজ রসাত্মক বাণী যুক্ত কিছু নষ্ট করে ফেলা ব্যালটের ছবি একত্রিত করেছে:

মিশরীয় ভোটাররা ভোটে দাড়ানো প্রার্থীদের বদলে বেলিড্যান্সার হায়াতেমকে ভোট প্রদানের ইচ্ছে প্রকাশ করেছে। ছবি @ শাহহির-এর (টুইটার থেকে নেওয়া)।

মিশরীয় এক নাগরিক নির্বাচন বয়কট করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে এবং “আমি তোমাকে ভালবাসি সারা” নামক ব্যালটের প্রতি তার ভালবাসা প্রদর্শন করেছে। ছবি @ কোয়াতিব-এর (টুইটার থেকে নেওয়া)।

মোরসি এবং শফিকের বদলে ভোটাররা ব্যাটম্যানকে ভোট দিতে ইচ্ছুক। ছবি @ওয়াসসেম_এস-এর (ওয়াইফ্রগ থেকে নেওয়া ) ।

এই সমস্ত ব্যালটের কয়েকটি আবার আরো অনেক বেশী রাজনৈতিক আদর্শের বাণী বহন করেছে:

একজন ভোটার একটি নষ্ট ব্যালট নিয়ে দাঁড়িয়ে, যেখনে উল্লেখ করা আছে “ কোন আক্রমণ নয়, তবে সচেতনতার স্বর কষ্ট দেয়”। ছবি @ ইয়োসারাসেলিম-এর (টুইটার থেকে নেওয়া)।

আরেকজন ভোটার নিজের ভোটটি নষ্ট করে সেখানে এই লেখাটি লিখে এই ধরনের নির্বাচনের প্রতি সাধারণ নাগরিকের যে অনুভূতি তা তুলে ধরেছে “ একজন খুনী এবং একজন বিশ্বাসঘাতক-এর মাঝে আমি একজনকেও বেছে নেব না। সামরিক শাসন নিপাত যাক, শহিদের মর্যাদার প্রতি”। ছবি মোবটেলুন-এর (ফেসবুক থেকে নেওয়া হয়েছে)।

একজন ভোটার একটি স্টিকার লাগিয়ে তার ভোট নষ্ট করেছে, যেখানে লেখা আছে “শূন্য”। ছবি @আমিরাএলএক্স-এর (টুইটপিক থেকে নেওয়া)।

ব্যঙ্গাত্মকভাবে, একটি ব্যালট এই মন্তব্য বহন করছে “ পছন্দনীয় দুটি প্রার্থী এত দারুণ যে, আমি এদের একজনকেও বেছে নিতে পারলাম না। এসসিএএফ, আপনাদের ধন্যবাদ”। ছবি মবটেলুন–এর (ফেসবুকের পাতা থেকে নেওয়া)।

এই প্রবন্ধটি মিশরের নির্বাচন ২০১১/২০১২-এর বিষয়ে করা আমাদের বিশেষ কাভারেজের অংশ

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .