বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

মিশর: তরুণরা সামাজিক মিডিয়া ব্যবহার করছেন দূরত্ব কমাতে

ক্লোজিং দ্যা গ্যাপ প্রকল্প

ত্রিশজন মিশরীয়, ১৮ থেকে ২৮ বছরের মধ্যে যাদের বয়স, একসাথে ১০টি সামাজিক বিজ্ঞাপন নির্মাণ করেছেন সামাজিক সংস্কারের লক্ষ্যে। তিন ধাপে নির্মিত তাদের এই প্রকল্পের নাম ক্লোজিং দ্যা গ্যাপ (দুরত্ব কমানো), যা ফ্রিডমহাউজ আর ‘ইজিপশিয়ান লাইফ সেন্টার ফর ক্রিয়েটিভিটি এন্ড কালচার’ (সৃজনশীলতা আর সংস্কৃতির মিশরীয় জীবন কেন্দ্র) এর সহায়তায় কাজ করছে। এর প্রাথমিক ধাপের মধ্যে ছিল কর্মশালা যা ২০০৯ সালের জুলাইয়ে অনুষ্ঠিত হয়। এই কর্মশালার লক্ষ্য ছিল সামাজিক মার্কেটিং এর জন্যে মিশরীয় অবস্থান নির্দিষ্ট করা, পূর্বের সামাজিক সমস্যা যা সমাজের উচিত মিডিয়ার মাধ্যমে জানানোর, আর সে সংক্রান্ত চিন্তাগুলো লিপিবদ্ধ করা আর বিজ্ঞাপনের গল্প তৈরি করা।

দলীয় ব্লগ বিকিয়া মাসর রিপোর্ট করেছে:

ক্লোজিং দ্যা গ্যাপ প্রকল্পের লক্ষ্য হচ্ছে ৩০ জনের একদল তরুণ মিডিয়া কর্মীকে নতুন মিডিয়া সম্পর্কে আগ্রহ তৈরিতে আর সমাজে এর সম্ভাব্য ভূমিকা সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দেয়া। এই প্রকল্প তাদেরকে সুযোগ দিচ্ছে নতুন আর যথাযথ মিডিয়া ব্যবহার করে তাদের মতামত জানানোর এবং এই সংক্রান্ত কিছু অগ্রগামী ধারণা তুলে ধরার জন্য।

ব্লগার মাহমুদ সাবের বলেছেন:

সম্পাদনাগুলো চূড়ান্ত করা হয়েছে মধ্য এপ্রিলে আর বিজ্ঞাপনের প্রথম স্ক্রিনিং এপ্রিলে হয়েছে’, বলেছেন প্রামাণ্য চিত্র প্রস্তুতকারী আর প্রকল্পের প্রযুক্তি সমন্বায়ক মাহমুদ সাবের। ২০১০ সালের মের প্রথম দিকে প্রযোজনার তৃতীয় স্তর শেষ হবার কথা।

তাদের ফেসবুকের পাতায়, ‘ইজিপশিয়ান লাইফ সেন্টার ফর ক্রিয়েটিভিটি এন্ড কালচার’ এই প্রকল্পের নতুনত্ব নিয়ে বলেছেন:

“এই প্রকল্প আমাদের সকলের জন্য একটা বিশেষ অভিজ্ঞতা, প্রথমবার তরুণরা সুযোগ পাচ্ছে চলচিত্রের মাধমে প্রকাশের কর্তৃপক্ষ বা ব্যবসায়ীদের ইচ্ছা থেকে স্বাধীন হয়ে,” মন্তব্য করেছেন প্রকল্পের নির্বাহী সমন্বায়ক বাসসাম বাহগাত।

এই প্রোজেক্টের অংশগ্রহণকারীরা হলেন বিভিন্ন প্রেক্ষিত থেকে আসা একদল তরুণ মিশরীয় মিডিয়া কর্মী যাদের মধ্যে মিডিয়ার ছাত্র আর কর্মজীবী আছেন। টেলিভিশনের প্রযোজক আর প্রকল্পের সাহায্যকারী মিরাল ব্রেঞ্জে এর মূল লক্ষ্য ব্যাখ্যা করেছেন – ‘কি ভাবে তথাকথিত আর নতুন যোগাযোগের আর মিডিয়ার মাধ্যম ব্যবহার করা যায় সামাজিক সংস্কারের জন্য ব্যক্তিগত দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টিতে‘ – তা শেখা।

মাহমুদ সাবের এর ব্লগ অনুসারে:

এই প্রকল্পের লক্ষ্য হচ্ছে ১০টি সামাজিক বিজ্ঞাপন প্রযোজনা আর প্রকাশ করা যেখানে নেটওয়ার্কিং মিডিয়া কর্মীরা অন্যদের সাথে কর্মশালার মাধ্যমে, মিডিয়া সামাজিক দায়িত্বের কথা আলোচনা করবে নাগরিক কেন্দ্রিক পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে। এই প্রকল্প সামাজিক সংস্কারের ক্ষেত্রে নতুন একটা পদক্ষেপের দ্বার উন্মোচিত করবে ।

তিনি তাদের কাজে নমুনাও দেখিয়েছেন।

সামাজিক বিজ্ঞাপন: আমি মিশরীয় | إعلان إجتماعي : أنا مصري

যৌন হয়রানির ব্যাপারে দুটি সামাজিক বিজ্ঞাপন; প্রথমটা হচ্ছে সত্তরের দশকের আর আজকের মিশরের মধ্যে তুলনা:

দ্বিতীয়টির শিরোনাম সামাজিক বিজ্ঞাপন: এটি আপনার অধিকার না | إعلان إجتماعي : مش من حقك

এই সামাজিক বিজ্ঞাপন আশা ধরে রাখার ব্যাপারে কথা বলে:

আর এটি মিশরে ইন্টারনেট স্বাধীনতার ব্যাপারে কথা বলে:

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .