বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

ইরানঃ ছাত্র-ছাত্রীরা লিঙ্গ ভিত্তিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছে

শত শত ছাত্র-ছাত্রীরা শিরাজ ইউনিভাসিটিতে লিঙ্গ ভিত্তিক বৈষম্য নিয়ে তাদের বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছিল গত ৪ঠা মার্চ মঙ্গলবারে ও। তারা চাচ্ছে ছেলে আর মেয়েদের আলাদা ক্লাসরুমে বসার নিয়ম যা তাদের ইউনিভার্সিটি গত ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু করেছে তা যেন বাতিল করা হয়।

ছাত্র-ছাত্রীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্টকে পদত্যাগ করতে বলেছে আর তাদের ক্যাফেটারিয়া আর আবাস স্থলের খারাপ অবস্থার উন্নতি চেয়েছে। তারা তাদের প্রতিনিধিদের নিজেরা পছন্দ করার অধিকারও চেয়েছে। ৪ঠা মার্চ এ বিক্ষোভ অষ্টম দিনে পৌঁছেছে আর বেশ কিছু ব্লগার এই ব্যাপারে লিখেছে যদিও মূল ধারার সংবাদ মাধ্যম তা এড়িয়ে গেছে।

এখানে একটা ছাত্র আন্দোলনের ভিডিও আছে, যেখানে ছাত্ররা, “ এটাই আমাদের চূড়ান্ত কথা, ছাত্র বিক্ষোভ বিদ্রোহে রুপ নিতে প্রস্তুত,” বলে স্লোগান দিচ্ছে।

‘শিরাজের বাহোনের ডিপাটমেন্টের সমাজবাদী ছাত্ররা’ নামক ব্লগে আমরা দেখছি:

কয়েক শত ছাত্র “ নিরাপত্তা আর শান্তি আমাদের সম্পূর্ণ অধিকার” বলে স্লোগান দিচ্ছে (ইরানী সরকার সাধারণত: আণবিক শক্তি আমাদের সম্পূর্ণ অধিকার এই স্লোগান দেয়)। বিশ্ববিদ্যালয় তো আর মিলিটারি ঘাঁটি না।

এই ব্লগার আরো বলেছেন যে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাদেরকে কথা দিয়েছিল যে বিক্ষোভের প্রথম কয়েক দিনের মধ্যে তাদের সমস্যার সমাধান করা হবে। কিন্তু মনে হচ্ছে আসলে কিছুই হয়নি।

ব্লগার আরো বলেছেন যে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়াদের স্বাধীনতা সীমিত হয়ে পড়েছে মিলিটারি উপস্থিতির কারনে যারা মহিলা আর মেয়েদের প্রতি পক্ষপাত মূলক আচরণ করছে।

‘শিরাজের সাহিত্য ডিপাটমেন্টের সমাজবাদি ছাত্ররা’ নামক ব্লগ ক্লাসে ছেলে মেয়ে আলাদা করার প্রতিবাদ জানিয়েছে (ফার্সী ভাষায়) আর এটাকে মানবাধিকারের উপর হামলা বলে জানিয়েছে। তিনি আরো লিখেছেন যে কিছু ছাত্রের সাথে দুর্ব্যবহার করা হয়েছে আর মিলিটিরির সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় তা ছাত্রদের বিরক্ত করছে।

তা আজাদি ৮৬ লিখেছেন (ফার্সী ভাষায়) যে বিক্ষোভ যেমন বাড়ছে তেমন বাড়ছে কর্তৃপক্ষের চাপ। তিনি বলেছেন:

প্রায় ১০ জন ছাত্রকে কোর্টে আসতে বলা হয়েছে। ছাত্রদের সঙ্গে কয়েক জন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও ছিলেন। বাসিজি বাহিনীরা চেয়েছিল বিক্ষোভকে ভেঙ্গে দিতে কিন্তু ছাত্রদের প্রতিরোধের মুখে তা পারে নি।

আমিরকাবির খাবারনামেহ, একটি ছাত্র তথ্যের ওয়েবসাইট লিখেছে যে বেশ কিছু ছাত্রের পরিবারের সাথে নিরাপত্তা বাহিনী যোগাযোগ করেছে আর তাদেরকে বলেছে তারা যেন তাদের সন্তানদের বলে যে তারা যেন বিক্ষোভে অংশগ্রহণ না করে।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .