বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

শব্দ সহ জাপানের ১৯২৯ সালের কিছু দূর্লভ সংবাদ চলচ্চিত্রের ফুটেজ

Everyday scenes in Kyoto Japan in 1929

১৯২৯ সালে জাপানের কিয়োটো নগরী, নাইন্টিন টুয়েন্টি নাইন-আর্লি সাউন্ড ফুটেজ অফ কিয়োটো জাপান (১৯২৯ এ শুরুর দিককার শব্দ সংযোজিত কিয়োটোর নিউজরীল ফুটেজ বা সংবাদ চলচ্চিত্রের দৃশ্যাবলী) নামের এক ভিডিও থেকে নেওয়া দৃশ্য। এটি সম্পাদনা এবং ইউটিউবে আপলোড করেছেন গাই জোনস

একটি জনপ্রিয় ইউটিউব চ্যানেল ১৯২৯ সালের কিয়োটোর সংবাদ বিষক কিছু ফুটেজ পুনরায় দর্শনযোগ্য করে আপলোড করেছে। এই চলচ্চিত্রে যে সকল ফুটেজ রয়েছে সেগুলো এখন স্মরনীয় এই কারণে যে এগুলো সেই সকল শব্দ সহ ধারণ করা হয়েছে যা সে সময়ের শহুরে জীবনে শোনা যেত। সাধারণত সে সময় ছিল নির্বাক চলচ্চিত্রের যুগ।

এই সকল সংবাদ ভিত্তিক ফুটেজে রয়েছে বাজারের দৃশ্য, শিন্টো শিরিন নামের এক উপাসনালয় এবং জাপানের কিশোরীদের ঐতিহ্যবাহী এক খেলার দৃশ্য, আর সকল দৃশ্যে যে সমস্ত শব্দ শোনা যাচ্ছে তা একেবারে পরিষ্কার।

এটিতে মাত্র এক ডজন সংবাদ দৃশ্য আছে, আর এগুলো পুনরায় সংস্কার করে সংরক্ষণ ও ইউটিউবে আপলোড করেছেন ভিডিওগ্রাফার গাই জোনস, যিনি বর্তমান সময়ের মান অনুসারে শত বছর আগের ভিডিওগুলোকে সঠিক ভাবে সম্পাদনা করেছেন।

জোনস, সাধারণ ভাবে এই সকল চলচ্চিত্রের প্রকৃত যে গতি তার খানিকটা কমিয়ে দিয়েছেন, আর তিনি এতে শহরের রাস্তায় যে সকল কার্যক্রম ঘটেছিল সে সকল কার্যক্রমের মূল শব্দ যোগ করেছেন, যেমন শত বছর আগের টোকিওর সংবাদ বিষয়ক দৃশ্যাবলী বা ফুটেজের পুনরায় উদ্ধার ভিডিওতে নতুন করে শব্দ যোগ করা।

এই ক্ষেত্রে, এই অসাধারণ সময়ের শব্দ ধারণ করা হয়েছিল, আর এটি করা হয়েছিল মুভিটোন নামের ক্যামেরায়, যা ছিল ১৯২৯ সালের সব থেকে উৎকৃষ্ট যন্ত্র। মুভিটোন নামের ক্যামেরার এক বিশেষ পদ্ধতিতে শব্দ ধারণ করত যা অপটিকাল সাউন্ড অন ফিল্ম পদ্ধতি নামে পরিচিত ছিল, এটি শব্দ ও চলচ্চিত্রের মাঝে সামঞ্জস্য বিধান করার উপযোগী করে তৈরি করা হয়েছিল।

এই সকল ফুটেজ পাওয়া গেছে ইউনিভার্সিটি অফ সাউথ ক্যারোলিনা মুভিং ইমেজ রিসার্চ কালেকশন (এমআইআরসি) নামের সংগ্রহশালা থেকে, যারা ফক্স মুভিটোন নিউজ কালেকশন নামক প্রতিষ্ঠানের ফুটেজের তত্বাবধায়ক।

উল্লেখ্যঃ এই প্রবন্ধ এমআইআরসি এর ফুটেজের প্রতিফলনের ভিত্তিতে আপলোড করা হয়েছে, আর এর জন্য ড্যান স্ট্রেইবেলকে ধন্যবাদ।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .