বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

ভুল পরিচয়ের কারণে অন্যায় ভাবে ইতালিতে বন্দী ইরিত্রীয় নাগরিকের মুক্তির দাবিতে দরখাস্ত

মানব পাচারকারী সন্দেহে গ্রেফতার কৃত ব্যক্তিকে জুন ২০১৬-এ নিয়ে আসা হয়। ছবি আল্ট্রেইকোনোমিয়া.ইটার মাধ্যমে পাওয়া।

২৯ বছরের এক ব্যক্তি যে নিজেকে মেদাহনিয়ে টেসফামারিয়াম বেহেরে বালে দাবি করেছে, সে মানব পাচারের অভিযোগে ইতালিতে দেড় বছর ধরে বিচারাধীন অবস্থায় কারাগারে বন্দী হয়ে রয়েছে। দৃশ্যত মনে হচ্ছে এতে পরিচয় গোলমালের কারণে ভুল লোককে গ্রেফতার করা হেয়ছে, পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছে কারণ পুলিশের ধারণা সে হচ্ছে মেদাহনিয়ে ইয়েহদেগো মেরেদ, যে “জেনারেল” নামে পরিচিত, বিগত কয়েক বছর ধরে ভূমধ্যসাগর এলাকায় মানব পাচারের পেছনে যাকে প্রধান হোতা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

৩ অক্টোবর, ২০১৩ সালে লামপেডুসার কুখ্যাত জাহাজ ডুবির ঘটনায় ইতালির পুলিশ মেরেদকে খুঁজছিল, যে ঘটনায় ৩৬৮ জন যাত্রী মারা যায় এবং এখনো ২০ জন নিখোঁজ রয়েছে।

বেহেরেকে গ্রেফতার করা হয় সুদানের রাজধানী খার্তুমের আসমারা কর্নার ক্যাফেতে, সুদানের পুলিশ মে, ২০১৬-এ তাকে গ্রেফতার করে যার আগে ইতালি, ইংল্যান্ড এবং সুদানের গোয়েন্দা পুলিশ মিলে দীর্ঘ সময় আন্তর্জাতিক এক তদন্ত পরিচালনার পর তাকে গ্রেফতার করা হয়। ৭ জুন, ২০১৬ তারিখে এক বিশেষ বিমানে করে তাকে ইতালিতে নিয়ে আসার মাধ্যমে দেশটির পুলিশের কাছে তাকে হস্তান্তর করা হয়।

যে সাংবাদিক এই ঘটনার প্রতি নজর রেখেছিলেন তিনি হচ্ছেন স্টেফানো কলোম্বো, তিনি দিসাবমেরিন.ইট এ লিখে থাকেন। তিনি ১৩ নভেম্বর তারিখে একটি পোস্ট লেখেন, এটি ইতালির পালেরমোর এক সাংবাদিক লরেঞ্জো টোনডো এই ঘটনায় যা আবিস্কার করেন স্টেফানো সেটাই তুলে ধরেছেন, দি গার্ডিয়ানে এই সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পর থেকে লরেঞ্জো এই ঘটনার প্রতি নজর রেখেছিলেন।

Mi occupo di questa cosa da un anno e mezzo, da quando c’è stato lo scambio di persona,” ci racconta, “doveva essere l’arresto del peggior trafficante di uomini, ma già appena l’abbiamo visto all’aeroporto ci siamo resi conto che con Mered non c’entrava un cazzo.”

[…]

Si scopre poi che mentre la procura di Palermo dava la caccia a Mered, questo — il vero trafficante! — era in carcere a Dubai per una questione di passaporti falsi. Ecco spiegato il suo silenzio totale sui social media. “È tornato in libertà ad agosto 2016,” ci conferma Tondo. Berhe, invece, è ancora in carcere, e non sembra che potrà tornare in libertà a breve. Finora il processo ha cambiato 4 volte giudice, e secondo la legge italiana, ogni volta che il giudice cambia, il processo va rifatto da capo.

লরেঞ্জো বলেন, দেড় বছর ধরে আমি এই ঘটনার প্রতি নজর রেখেছি, সবচেয়ে বড় মানব পাচারকারীর গ্রেফতারের ঘটনা হতে পারত এটি, কিন্তু যখন আমরা তাকে বিমান বন্দরে দেখি তখন উপলব্ধি করি মেরেদের সাথে তাঁর কোন মিল নেই।

[…]

এদিকে যখন পালেরমোর আদালত যখন মেরেদকে খুঁজে বেড়াচ্ছিল –তখন মানব পাচারকারী মূল মেরাদ–জাল পাসপোর্ট-এর দায়ে দুবাই-এর কারাগারে বন্দী ছিল। এই বিষয়টি সোশ্যাল মিডিয়া মেরেদ-এর পুরোপুরি নিশ্চুপ হয়ে যাওয়ার বিষয়টির ব্যাখ্যা করে” টোনডো নিশ্চিত করেছে যে মেরেদ আগস্ট ২০১৬-এ জেল থেকে ছাড়া পেয়েছে, কিন্তু এদিকে বেরথে এখনো জেলে এবং মনে হচ্ছে খুব শীঘ্রই সে জেল থেকে ছাড়া পাচ্ছে না। এই আদালতের চার বার বিচারকের বদল হয়েছে, ইতালির আইন অনুসারে যখন কোন বিচারকের বদলি, নতুন বিচারকের সময়ে আবার প্রথম থেকে অবশ্যই মামলার কার্যক্রম শুরু হতে হবে।

৪ জুলাই তারিখে নিউসিসিলিয়া.ইট নামের একটি সাইট এই বিষয়টি প্রকাশ করে যে এই মামলায় বাদী পক্ষ দুজন প্রত্যক্ষদর্শীকে হাজির করেছে, যারা এখন সুইডেনে আশ্রয় গ্রহণ করেছে, তারা বলেছে যে ব্যক্তিটিকে গ্রেফতার করা হয়েছে নিঃসন্দেহে সে মেরেদ নয়।

Fonte: eritrea-chat.com

ফন্টেঃ ইরিত্রেয়া-চ্যাট.কম

Oggi, però, ci sarebbero i due testimoni pronti a dimostrare che Mered non sarebbe il latitante ricercato da due anni. Ma un giovane di nome Mered Tesfamarian. Come anticipa il giornale britannico The Guardian, uno dei due testimoni sarebbe Ambesyer Yeman, 23 anni, rifugiato eritreo, arrivato in Italia con l’organizzazione di Mered nel 2013.

“Non conosco il ragazzo che hanno arrestato, l’ho visto nella foto di un articolo pubblicato su Facebook, e ho detto immediatamente: ‘Ma questo non è Mered”, ha detto il ragazzo.

আজ দুজন সাক্ষীকে উপস্থাপন করা হবে যারা সাক্ষ্য দিতে প্রস্তুত যে মেরেদ সেই অপরাধী নয়, যাকে দুবছর ধরে খোঁজা হচ্ছে, বরঞ্চ সে হচ্ছে মেরেদ টেসফামারিয়ান। গার্ডিয়ান নামের পত্রিকাটি যে সংবাদ প্রকাশ করেছে তাতে জানা যাচ্ছে একজন সাক্ষী হচ্ছেন ২৩ বছর বয়স্ক ইরিত্রিয়ার এক শরণার্থী আমবেসেয়ার ইয়েমান, ২০১৩ সালে ইতালির মেটেদা’স নামের এক সংগঠনের মাধ্যমে ইতালিতে যার আগমন ঘটে।

এই তরুণ শরণার্থী বলেন, “যে ব্যক্তিটিকে গ্রেফতার করা হয়েছে আমি তাকে জানি না, কিন্তু যখন ফেসবুকে তার ছবি প্রকাশ করা হয়েছে, সাথে সাথে আমি বলেছি যে এটা মেরাদ নয়”।

টেনডো তার ফেসবুক পাতায় আরো প্রকাশ করেছে যে ইতালির কর্মকর্তারা তার এক আলোচনা ধারণ করেছে। তার এই পোস্ট ব্যাপক ভাবে দেখা হয়েছে, যা প্রায় ৫০০ লাইক পেয়েছে।

Ieri è successa una cosa davvero spiacevole. Una cosa che in Italia, nella mia categoria, è considerata oramai pericolosamente ‘’normalità’’, ordinaria amministrazione, un ‘’incidente di percorso’’ come tanti altri: la procura di Palermo ha intercettato alcune mie conversazioni con una fonte, un ragazzo eritreo che mi aiutava anche come interprete nelle interviste in tigrino sul ‘’Caso Mered’’, il clamoroso scambio di persona di un rifugiato arrestato per errore perché ritenuto essere un trafficante di uomini. 

গতকাল দুর্ভাগ্যজনক এক ঘটনা ঘটেছে। ইতালিতে এমন কিছু ঘটেছে, আমার পেশাদার জীবনের ক্ষেত্রে, যথারীতি যা বিপজ্জনক ভাবে “ স্বাভাবিক” বিষয় হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে, অনেক বাজে ঘটনার মত একটা ঘটনা। পালেরমো এর তদন্ত কর্মকর্তারা এই ঘটনার ক্ষেত্রে এক সূত্রের সাথে আমার কথোপকথনের বিরুদ্ধে আবেদন করেছে, এক তরুণ ইরিত্রীয় নাগরিক যে আমাকে “মেরেদ-এর ঘটনায়” এক সাক্ষাৎকার প্রদানের মাধ্যমে আমাকে সাহায্য করেছে”, পরিচয় ভুলের কারণে এক শরণার্থীকে গ্রেফতার করা হয়, কারণ বিশ্বাস করা হয়েছিল যে সে আসলে এক মানব পাচারকারী।

একই ধরণের তদন্তের মানদণ্ডে, কেউ একজন হয়ত বিস্মিত হবে এই কারণে যে আদতে ইতালির বিচার বিভাগ কী মূল অপরাধীকে ধরার চেষ্টা করছে নাকি এই বিষয়ের ইতি টানার জন্য ঘটনার শিকার একজন বিসর্জন করছে।

এই কাহিনীর এক শক্ত ভিত্তি প্রদানের জন্য এই প্রবন্ধের লেখক আবদুল্লায়ে বাহ বিশাল এক একটিভিস্ট, পাঠক এবং বিশেষজ্ঞ দলের সমর্থনে এক দরখাস্ত তৈরি করেছে, যেখানে আপনাকে স্বাক্ষর করার আহ্বান জানানো হচ্ছে: 

Liberate Medhanie Tesfamariam Behre, il falegname eritreo, in carcere per omonimia (Petizione su Avaaz)

মেদহানিয়ে টেসফামারিয়ামে বেহেরে, নামের সাথে মিল থাকার কারণে এই ছুতার মিস্ত্রিকে কারাগারে আটকে রাখা হয়েছে তাকে মুক্ত করে দাও ( এই আবেদন আভাজ-এ রাখা আছে)।

Chiediamo che venga rilasciato immediatamente e che l’Italia ammetta il proprio errore pubblicamente, presenti le proprie scuse a Medhanie Tesfamariam Behre.

আমাদের দাবী মেদহানিয়ে টেসফামারিয়ামে বেহেরেকে অবিলম্বে ছেড়ে দিতে হবে এবং ইতালিকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়ে স্বীকার করে নিতে হবে যে তাদের ভুল হয়েছে।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .