বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

জাপানি হরর সিনেমার সংক্ষিপ্ত ইতিহাস জানুন

onibaba

১৯৬৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত হরর সিনেমা অনিবাবা’র ছবি। ইউটিউব থেকে স্ক্রিনশট নেয়া হয়েছে।

জাপানের হরর (ভৌতিক) সিনেমা নিয়ে আপনার আগ্রহ আছে? তাহলে আপনি ঢুঁ মারতে পারেন সিনেমার একশ’ বছর নামের ইউটিউব চ্যানেলে। এখানে জাপানের হরর সিনেমা নিয়ে ১৫ মিনিটের একটি তথ্যচিত্র রয়েছে।

তথ্যচিত্রটির নাম জাপানি হরর সিনেমার সংক্ষিপ্ত ইতিহাস। সেখানে যুগ যুগ ধরে লোককাহিনি আর কাবুকি নাটকের মাধ্যমে জাপানি সংস্কৃতিতে ভীতিকর বিষয়বস্ত কীভাবে ঠাঁই করে নিয়েছে, সেটাই তুলে ধরা হয়েছে।

ডকুমেন্টারি ভিডিওতে কাইদান অনিবাবা’র মতো পঞ্চাশ ও ষাট দশকের স্বর্ণযুগের হরর সিনেমা যেমন স্থান পেয়েছে। তেমনি সাম্প্রতিককালের টেসাও: দ্য আইয়র ম্যান এবং রিনগু’র মতো সিনেমার কথাও তুলে ধরা হয়েছে।

শুধু কি তাই? এই ইউটিউব চ্যানেলে ‘হাউ মেট্রোপলিস চ্যালেঞ্জড দ্য ওয়ে উই সি দ্য ফিউচার’, সিনেমার আবিস্কার (১৮৮৮ থেকে ১৯১৪) এবং ‘হোয়াট ডু পজেজড হ্যান্ড মুভিজ টেল আস অ্যাবাউট ফিয়ার (কিভাবে ভুতে ধরা লোক আমাদের ভয় সম্পর্কে বলে)?’ শিরোনামে আরো কিছু ছোট ছোট তথ্যচিত্র রয়েছে।

আপনি যদি আরো বিস্তারিত জানতে চান, তাহলে আনবাউন্ড ওয়ার্ল্ড ওয়েবসাইটে ফেলিজা কাসানোর ‘জাপানি হরর সম্পর্কে জানতে চান: তাহলে এখান থেকে শুরু করুন’ শিরোনামের লেখাটি পড়তে পারেন। তবে এই ওয়েবসাইট মূলত সায়েন্স ফিকশন এবং ফ্যান্টাসি নিয়েই বেশি লেখা প্রকাশ করে থাকে।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .