বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

আঠালো ও সুগন্ধী সয়াবিন দিবস উদযাপন করছে জাপান

natto

নাট্টো ও ভাত, ছবি ফ্লিকার ব্যবহারকারী মাসাফুমি আইওয়াই-এর। লাইসেন্স এ্যাট্রিবিউশন-নন কমার্শিয়াল ২.০ জেনেরিক (সিসি বাই এনসি ২.০)।

নাট্টো, যাকে অনেক সময় সব্জির পনির হিসেবে অভিহিত করা হয় তা জাপানের এক ঐতিহ্যবাহী খাবার, এটি এক ধরনের সুগন্ধি সয়াবিন দিয়ে তৈরি করা হয়। ১০ জুলাই দিনটি জাপান এই খাবারের প্রতি উৎসর্গ দিন হিসেবে উদযাপন করে, এই দিনটি উপলক্ষ্যে অনেক টুইটার ব্যবহারকারী নাট্টোডে (#納豆の日)হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে ছবি আপলোড করেছে।

ছবির শিরোনামঃ ১০ জুলাই নাট্টো দিবস! !

টুইটঃ আজ নাট্টো দিবস !

\(・ ω・)/  “Natto!”

নাট্টো হচ্ছে জাপানের রান্নার সংস্কৃতিতে জনপ্রিয় তবে মেরু করণ অংশ, অনেকে এর উমামি সুগন্ধ এবং সবাস্থ্যগত সুবিধার জন্য পছন্দ করে, অন্যদিকে বাকীরা প্রবল গন্ধ এবং আঠালো ভাবের জন্য অনেকটা ফার্মেন্টেড বা গাঁজিয়ে তোলা এই খাবার এড়িয়ে চলে।

সাধারণত স্টেরিওফোম প্যাকেটে ভরে বিক্রি করা হয় আর গরম সরিষা আর চালের সিরকা দিয়ে তৈরি সস দিয়ে মিশিয়ে পরিবেশন করা হয়। অনেক জাপানী নাগরিক স্থানীয় ভাবে উৎপাদিত ব্রান্ডের নাট্টো পছন্দ করে থাকে। যেমন নাট্টোর এই প্যাকেট, যা মারিওকা শহরে বিক্রি হয়ে থাকে, এটি আইওয়াটা জেলার উত্তর পূর্বে অবস্থিত:

তার মানে, ১০ জুলাই হচ্ছে নাট্টো দিবস, যখন জাপানের অন্য শহরের সাথে তুলনায়, মারিকো শহরের এই নাট্টোর পেছনে পরিমাণ অর্থ ব্যয় করা হয় এবং প্রতি বছর এখানে যে পরিমাণ এই খাবার বিক্রি হয়, তাতে এই শহর নাট্টো খাওয়ার বিক্রির তালিকার শীর্ষে থাকবে, নিঃসন্দেহে এখানকার লোকেরা নাট্টো ভালবাসে।

গাঁজানো প্রক্রিয়ায় রান্না করা এই সীম খাওয়ার আগে দ্রুত চপস্টিকের সাথে মিশে যায়। নাট্টোর একটি বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এর চটচটে ভাব, যার জন্য এটা নাড়া অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে:

প্যানকেকপানাৎসু, নাট্টো নিয়ে জাপানের এক সুন্দর অ্যাানাইম বা কার্টুন

বিভিন্ন রকম খাবার মিশায়ে, বিভিন্ন ভাবে নাট্টো খাওয়া যেতে পারে। টোকিওর খানিকটা উত্তরে, ইবারাকির এক সমুদ্র তীরবর্তী শহর কাসুমিগাররুর এক মৎস সমবায় প্রতিষ্ঠান নাট্টো দিবসে নাট্টোর সাথে কী কী খাওয়া যেতে পারে সে বিষয়ে কয়েকটি পরামর্শ প্রদান করছে।

১০ জুলাই হচ্ছে নাট্টো দিবস। এই শুকনো এবং সিদ্ধ বেইটফিশ নাট্টোর সাথে অসাধারণ লাগে। মাছের ক্যালসিয়াম নাট্টোর শক্তিকে বাড়িয়ে দেয় এবং গরমের তাপকে হারিয়ে দেয়, আর সামনে আগত মাসে এই শক্তি বজায় থাকে।  (^_^)/

কেন ১০ জুলাই তারিখকে নাট্টো দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে, এই বিষয়ে জাপানী শব্দের প্রতীকীবাদের প্রতি উৎসর্গকৃত এক ওয়েবসাইট ব্যাখ্যা করছে:

আজ, ১০ জুলাই হচ্ছে নাট্টো দিবস :

এটা হচ্ছে ৭ ( যাকে অনেক সময় “নানাতসু বা না” উচ্চারণ করা হয়) যা জুলাই বা সপ্তম মাস এবং ১০ ( কখনো তো০এর মত উচ্চারিত হয়)-থেকে উদ্ভূত।
এই শব্দটি সবসময় দাইজু-এর সাথে যুক্ত (大豆,দাইজু, যে সীম দিয়ে নাট্টো তৈরি হয়) যার অর্থ হচ্ছে সৌভাগ্য, যার সবসময় আগমন ঘটবে। “

এই প্রবন্ধে আরো কিছু তথ্য যোগ করা হয়েছে এই বিষয়টি তুলে ধরার জন্য যে নাট্টো হচ্ছে কালচারড বা বিশেষ ভাবে তৈরি করা সয়াবিন দিয়ে বানানো হয়, ঠিক গাঁজানো প্রক্রিয়ায় নয়।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .