বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

অনলাইনে ৯০ দশকের জাপান এখনো প্রাণবন্ত!

Retro photo of Tokyo

টোকিও। ছবি: লিলি হিরোশি স্যাক্সন। ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্স ৩ এর আওতায় প্রকাশিত

সময়ের হিসেবে ২৫ বছর! আর এই ২৫ বছর ধরেই তিনি টোকিও’র জীবন ক্যামেরায় বন্দি করছেন। তিনি লিলি হিরোশি স্যাক্সন। টোকিও’র বাসিন্দা। তাকে নিয়েই সম্প্রতি টিমসেল নামের একজন মেটাফিল্টার ব্যবহারকারী একটি প্রতিবেদন লিখেছেন। সেখান থেকেই জানা যায়, স্যাক্সনের একটি ওয়েসসাইট আছে। সেখানে তিনি টোকিও জীবনের চিত্র তুলে রাখছেন। ওয়েবসাইটে এতো বৈচিত্র্যময় উপাদান রয়েছে যে, পাঠকরা এতে ঢুকলে আশ্চর্য হয়ে যাবেন। স্যাক্সনের কাজগুলো তার ওয়েবসাইটে, ব্লগে, ইউটিউব চ্যানেলে এবং টুইটারের মতো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো রয়েছে। আজ থেকে ২৫ বছর আগে জাপানি বাবল অর্থনীতি'র খতিয়ান তার ছবি এবং ভিডিওতে উঠে এসেছে।

অনলাইনে স্যাক্সনের কাজের উপস্থিতি ব্যাপক। তিনি নিজেও খুব সক্রিয়। প্রতিমুহূর্তের আপডেটগুলো তিনি ব্লগে, টুইটারে এবং ইউটিউবে দিয়ে থাকেন। ৯০ এর দশক থেকে তার কাজগুলো ক্যাটালগ করে রেখেছেন। কাজেই খুব সহজেই বিষয় অনুযায়ী দেখতে পারবেন।

স্যাক্সন তার কাজগুলো যে ব্লগে সংরক্ষণ করে থাকেন, সেটির নাম এলএল-লেটার্স। এখানেই স্যাক্সনের টোকিও জীবন তুলে রাখা আছে। তবে সবচে’ ভালো হবে আপনি যদি স্যাক্সনের ইউটিউব চ্যানেল দেখেন। কারণ এখানে ১৯৯০ সাল থেকে বছর অনুযায়ী ক্যাটেগরি করা আছে। স্যাক্সন ইউটিউবে অসংখ্য ভিডিও আপলোড করেছেন। বছর অনুযায়ী সেগুলো প্লে লিস্টও করেছেন:

নিচের এই ভিডিও’র শিরোনাম ‘এখন-তখন’। ১৯৯০ সালের টোকিও’র ভিডিও এটি:

নিচের ভিডিও’টি টোকিও’র শিনজুকু স্টেশনের। একই বছরে তোলা:

স্যাক্সন তার ছবি ও ভিডিও সংগ্রহশালার ‘জিজ্ঞাসা’ অংশে এই প্রকল্পের পিছনের কারণ সম্পর্কে জানিয়েছেন। সেখানে তিনি উল্লেখ করেছেন, ‘একজনের থেকে আরেকজনের দিনযাপনের যে অপূর্ব পার্থক্য, দৈনন্দিনের অজস্র সব ঘটনা, পার্থিব জীবনের গভীর সত্য’ এসবই তুলে ধরতে চেয়েছেন।

স্যাক্সন আরো লিখেছেন:

I started the LL-Project when it occurred to me that, while people used to have no other way of communicating with other groups than to appoint a representative who would travel to distant lands to represent them, now that the Internet enables people to directly communicate with each other, they should do so! The further up you go in politics and (too often) in business, the fouler it gets, so for quality communication and – dare I say it – the future of the human race, we have got to start/maintain effective lateral networking.

এই ওয়েবসাইট চালু করার পিছনে একটি কারণ আছে। আমি খেয়াল করলাম, মানুষ দূরের কোনো জায়গায় যাবে, কিন্তু অন্য গ্রুপের সাথে যোগাযোগ করতে পারছে না। আবার তাদের প্রতিনিধিত্ব করে এমন কেউ-ই নেই। তবে এখন ইন্টারনেটের যুগে মুহূর্তের মধ্যে একজন আরেকজনের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে। আবার আপনি যদি রাজনীতি, এমনকি ব্যবসার ক্ষেত্রেও দেখেন, এখানেও আপনি নানা প্রতিকূলতা দেখতে পাবেন। তাই ঠিকঠাকমতো যোগাযোগের জন্য, মানব সম্প্রদায়ের পক্ষে টিকে থাকার জন্য আমাদের লিটারাল নেটওয়ার্কিং শুরু বা মেইনটেইন করা দরকার।

স্যাক্সনের মূল ওয়েবসাইটের হোমপেইজে আরো অনেকগুলি উপভাগ রয়েছে। একটি ছবিঘরের মধ্যেও অসংখ্য লিংক আছে। তাই নির্দিষ্ট বিষয়ে ছবি আ ভিডিও খোঁজার জন্য ফটো ইনডেক্স-এ অনুসন্ধান করলেই ভালো করবেন।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .