বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

পাঁচ বছর আগে এক সুনামিতে বিধ্বস্ত জাপান, একজন চলচ্চিত্র নির্মাতার ফিরে দেখা

Video about Japan tsunami

ফিউনাকোশি থেকে স্ক্রিনক্যাপ, ছবি তুলেছেন এস্টেলে হেবার্ট।

কানাডিয়ান চলচ্চিত্র নির্মাতা এস্টেলে হেবার্ট ১১ মার্চ, ২০১১ সালে মারাত্মক সুনামির পরে জাপানের বিধ্বস্ত অবস্থা পুনরুজ্জীবিত করতে একটি গ্রামের সংগ্রাম সম্পর্কে এক ঘণ্টার একটি ডকুমেন্টারি তৈরি করেছেন।

এক ঘন্টা দীর্ঘ ডকুমেন্টারির সূচনাতে হারবার্ট বলেছেনঃ

[…]অনেকে ভেবেছেন বেঁচে যাওয়া বন্ধু অথবা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে শহরাঞ্চলে গিয়ে আবার বসতি গড়ে তোলা বেশ সহজ এবং আরও বেশি সুবিধাজনক হবে। কম জনবহুল শহরগুলিতে কখন অথবা আদৌ সরকার সহায়তা দিবে কিনা তা না জেনেই বাড়িতে ফিরে যাওয়ার অর্থ শূন্য এক খন্ড জমি এবং ধ্বংসস্তুপের রাশিতে ফিরে যাওয়া। ফলাফলস্বরূপ পূর্ব উপকূল বরাবর শত শত ছোট গ্রাম পরিত্যক্ত হয়ে গেছে।

দুর্যোগের আগে ফিউনাকোশি নামক এই মাছ ধরার শহরে প্রায় ৩৫০ জন লোকের বসবাস ছিল। অন্য যেকোন শহরের সাথে এই শহরের গল্পের কোন পার্থক্য নেই। স্থানীয়দের কয়েকজন সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাঁরা তাঁদের এই আদি শহরটি পরিত্যক্ত অবস্থায় ছেড়ে কোথাও যাবে না এবং তাঁরা আবার পুনরুজ্জীবনের জন্য কাজ করবে।

ফিউনাকোশি শহরের সাম্প্রদায়িক নেতা এবং জেলে কোইচি নাকাসাতো। এই বিয়োগাত্মক ফলাফলের সাথে খাপ খাওয়ানোর ক্ষেত্রে তাঁর ব্যক্তিগত অনেক চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও কিছু সংখ্যক অনুগত বাসিন্দার সমন্বয়ে গঠিত একটি গ্রুপের পাশাপাশি তিনি তাঁর ধুয়ে-মুছে যাওয়া শহরটিকে বাঁচিয়ে রাখার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন।

ইংরেজি সাবটাইটেল সহ ভিমিওতে সম্পূর্ণ তথ্যচিত্রটি দেখা যাচ্ছে। এখানে ফরাসি সাবটাইটেল দিয়েও তথ্যচিত্রটির একটি সংস্করণ পাওয়া যাচ্ছে।

জাপানের বিনিময় এবং শিক্ষণ কর্মসূচিতে হেবার্ট একজন শিক্ষক হিসেবে অংশগ্রহণ করেন। তিনি বলেন দূর্যোগের পর একজন স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে তিনি মিয়াগি অঞ্চলটি পরিদর্শন করতে গেলে বিধ্বংসের সত্যিকার মাত্রা সেখানে দেখেছেন।

আমরা ফিউনাকোশি থেকে বিতাড়িত হয়ে আসার পর আমি চিন্তা করতে শুরু করি যে এইটি একটি সুন্দর গল্প হতে পারে। এমন একটি গল্প যা নথিভুক্ত করে রাখা উচিত আর যা ভুলে যাওয়া উচিত নয়। প্রাকৃতিক দূর্যোগের পর দীর্ঘমেয়াদী পুনরুদ্ধারের প্রকল্প সম্পর্কে প্রচার মাধ্যমগুলোতে বেশীরভাগ সময়েই আপনি হয়তোবা শোনেন না। এই মানুষগুলো কেমন করে এই পরিস্থিতি মোকাবেলা করে? তাঁদের জীবনে স্বাভাবিকতা ফিরিয়ে আনতে কতোটা সময় লাগে? তাঁদেরকে কি ধরণের দীর্ঘমেয়াদী সহায়তা দেয়া হয়? ফিউনাকোশি কি আর কখনও পুনর্নির্মিত হবে? এত কিছু হারানো সত্ত্বেও এই জেলেরা কীভাবে নিজেদের জীবন চালাচ্ছেন?

হারবার্ট বলেছেন, তিনি ফিউনাকোশি গ্রামটি বছরের বিভিন্ন সময়ে পরিদর্শন করেছেন। সেখানে কি ঘটছে বা [ঘটেছিল] তা ধারণ করে রাখতে, এই ছোট জাপানি সম্প্রদায়ের সদস্যদের ঘিরে থাকা ধ্বংসের এই বিশাল ক্ষয়ক্ষতি সত্ত্বেও তাঁদের জীবন পুনর্নির্মাণের প্রচেষ্টার প্রতি দর্শকদের ব্যক্তিগত ঘনিষ্ঠ এবং গভীরতর দৃষ্টি আকর্ষণ করতেই তিনি বার বার সেখানে গিয়েছেন।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .