বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

#বাসেলকেমুক্তকর: সিরিয়ার ওয়েব ডেভেলপারের মৃত্যুদণ্ড নিয়ে গুজব

বাসেল খারতাবিল। ছবি জোই ইতোর

বাসেল খারতাবিল। ছবি জোই ইতোর। উইকিমিডিয়ার সৌজন্যে- সিসি বাই ২.০ ।

গুজব ছড়িয়েছে সিরিয়ার সরকার কারারুদ্ধ সিরিয়ান-ফিলিস্তিনি সফটওয়্যার প্রকৌশলী বাসেল খারতাবিলকে গোপনে মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত করেছে। তিনি বাসেল সাফাদি নামেও পরিচিত।

এই ওপেন সোর্স সফটওয়্যার ডেভেলপার ও ব্লগার গত ২০১২ সালের মার্চ মাস থেকে সিরিয়ায় বিভিন্ন জেলে দিন কাটাচ্ছেন। ২০১৫ সালের অক্টোবর মাসে বাসেলকে আদরা কারাগার থেকে একটি অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। যে সময়ে, তার স্ত্রী নুরা গাজী জানিয়েছিলেন যে “সেনাবাহিনীর ফিল্ড কোর্টের একটি ‘অতি গোপনীয়’ সিল মারা অর্ডার মোতাবেক সামরিক পুলিশ বাসেলকে তার আদরা কারাগারের সেল থেকে সরিয়ে নেয়।”

গত ১২ই নভেম্বর গাজী জানিয়েছে আসাদ সরকারের ভেতরের লোকরা তাকে জানিয়েছে বাসেলের উক্ত মৃত্যুদণ্ডের কথা। গাজী ফেসবুকে লিখেছেন:

إجاني خبر صاعق انو باسل محكوم اعدام وهاد بيعني انو نقلو عالشرطة العسكرية كتير خطير … ما بعرف شي غير هيك وما بعرف اذا تنفذ شي بحقو … يارب نقدر نساعد باسل … يا رب ما يكون فات الاوان عالمحاولات …. كتير خايفين على حياة باسل

আমি খুবই ভয়ঙ্কর এবং হৃদয়বিদারক একটি খবর শুনেছি এইমাত্র যে বাসেলকে মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত করা হয়েছে। তার মানে হচ্ছে তার সেই সামরিক কারাগারে স্থানান্তর খুব বিপজ্জনক একটি লক্ষণ ছিল। আমি সত্যিই অন্যান্য খবর জানি না। ঈশ্বর তাকে সাহায্য করুন – আশা করি এখনো খুব দেরি হয়ে যায় নি। আমরা তার বেঁচে থাকার সম্ভাবনা নিয়ে খুবই চিন্তিত।

এই গুজব নিশ্চিত করা কঠিন এবং বাসেলের হদিস এখনও অজানা রয়েছে। বাসেলের সমর্থকবৃন্দ বিদেশী সরকার ও জাতিসংঘের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সিরিয়ার কর্তৃপক্ষের কাছে যেন তারা আবেদন করে যে বাসেল কোথায় আছে তা যেন তার পরিবারকে অবহিত করা হয় এবং তাকে ক্ষমা করে দেয়া হয়।

জাতিসংঘের পৃষ্ঠপোষকতায় সম্প্রতি ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত ইন্টারনেট গভর্নেন্স ফোরামে বাসেলের সমর্থকদের একটি বিবৃতি প্রচারিত হয়:

বাসেলকে জোরপূর্বক নির্বিচারে আটক রাখা হয়েছে যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন। তার হদিস প্রকাশ করতে কর্তৃপক্ষের অস্বীকার বুঝিয়ে দেয় যে এটি একটি বলপূর্বক অন্তর্ধান ছিল। তার প্রহসনমূলক বিচারের প্রক্রিয়া একটি ন্যায্য বিচারের মান পূরণ করে না। বাসেলকে নিঃশর্তভাবে তার পরিবারের কাছে মুক্ত করে দিতে হবে।

বাসেল গ্রেফতার হয় ২০১২ সালের মার্চ মাসে – সিরিয়ার বিপ্লবের শুরুর প্রথম বার্ষিকীতে। সিরিয়ার সামরিক শাখা ২১৫ তাকে পাঁচ দিনের জন্য রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ ও নির্যাতন করে। এরপর তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শাখা ২৪৮ এ স্থানান্তরিত করা হয় এবং নয় মাসের জন্য কোন যোগাযোগের সুযোগ না দিয়ে অন্তরীণ রাখা হয়। ২০১২ সালের ৯ই ডিসেম্বর খারতাবিলকে একজন উকিলের উপস্থিতিতে একটি সামরিক অভিশংসকের সামনে আনা হয়, এবং “একটি শত্রু রাষ্ট্রের জন্য গুপ্তচরবৃত্তি'র” অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়। এরপর তাকে দামাস্কাসের আদ্রা কারাগারে পাঠানো হয় যেখানে তিনি কিছুদিন আগে পর্যন্ত ছিলেন।

বাসেল এর সমর্থকদের সাইট Freebassel.org (বাসেল কে মুক্ত করো) দেখুন। বাসেল এর সমর্থনে এবং তার মুক্তির জন্য আহ্বানের জন্যে, বন্ধু এবং সক্রিয়কর্মী মোহাম্মদ নাজেম দ্বারা সূচিত এই অনলাইন পিটিশনে সই করতে পারেন।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .