বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

জাহাজের কার্বন নির্গমনের ক্ষেত্রে মার্শাল দ্বীপের প্রেরণা-পরিবর্তনকারি প্রস্তাবনা

A large cargo ship full of shipping containers sailing into port. Photo: stockarch.com

বন্দরে পাড়ি জমানো মালামালে পূর্ণ একটি বড় কার্গো জাহাজ। ছবিঃ স্টকার্চ ডট কম। সিসি বাই ৩.০

৩৫০ ডট ওআরজি’র জন্য বিষয় ভিত্তিক এই প্রবন্ধটি লিখেছেন অ্যারন প্যাকার্ড। উল্লেখ্য, ৩৫০ ডট ওআরজি সংস্থাটি বৈশ্বিক জলবায়ু নিয়ে একটি আন্দোলন প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে। প্রচার সূচী শেয়ার চুক্তির অংশ হিসেবে গ্লোবাল ভয়েসেসে প্রবন্ধটি পুনরায় প্রকাশ করা হয়েছে।  

হালনাগাদঃ ১৩ মে তারিখে মার্শাল দ্বীপ নিয়ে উত্থাপিত প্রস্তাবটি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মাঝে যথেষ্ট সমর্থন আদায়ে ব্যর্থ হওয়ার পর আন্তর্জাতিক সমুদ্র সংস্থা এটিকে স্থগিত রেখেছে।

যেহেতু এ সপ্তাহে আন্তর্জাতিক সমুদ্র সংস্থার (আইএমও) একটি বৈঠক লন্ডনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, তাই তারা মার্শাল দ্বীপ প্রজাতন্ত্র থেকে উত্থাপিত প্রস্তাবটি বিবেচনায় রাখবেন। কার্বন নিঃসরণের পরিমাণ কমানোর লক্ষ্যে বিশ্বকে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে এই প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়েছে। গত কয়েক বছর ধরে জাহাজের কার্বন নিঃসরণ কমানোর আন্দোলন ধীর গতিতে চলার পর উত্থাপিত প্রস্তাবটি এই সংকটপূর্ণ মূহুর্তে আন্দোলনের গতিকে আরও ত্বরান্বিত করেছে।

বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম জাহাজ নিবন্ধন বন্দর হওয়ার কারনে একদিকে সাড়া বিশ্বের নজর যেমন মার্শাল দ্বীপটির প্রতি আছে, অন্যদিকে জাহাজ চলাচলের কারণে অবাধভাবে প্রচুর কার্বন নিঃসরণের জন্য দ্বীপটি বাস্তবিক অর্থে অত্যন্ত ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রী টনি ডি ব্রাম তার এক বক্তব্যে বিষয়টি তুলে ধরেছেনঃ

আমরা দ্বীপরাষ্ট্রে বসবাসকারী একটি জাতি এবং সমুদ্র পথে জাহাজের আনাগোনা আমাদের জীবনযাপনের অন্যতম একটি অবলম্বন। একই সাথে জাহাজ আসা যাওয়ার কারণে পরিবেশ দূষণ সহ কার্বন নিঃসরণ আমাদের দেশ এবং জনগণের জন্য অস্তিত্ব বিপন্নকারী এক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

হিসেব মতে, ১৯৯০ সালের পর থেকে এ পর্যন্ত জাহাজের কার্বন নিঃসরণের পরিমাণ শতকরা ৭০ শতাংশ বেড়েছে এবং ২০১২ সালে সেখানে কার্বন ডাই অক্সাইডের মোট নিঃসরণের পরিমাণ ছিল বিশ্বের শতকরা ২ দশমিক ৭ শতাংশ। এইসব নির্গমন যদি একটি দেশ হিসাবে রিপোর্ট করা হত তবে, কার্বন ডাই অক্সাইডের নিঃসরণকারির হিসেবে সামুদ্রিক পরিবহনের ক্রম জাপান ও জার্মানির মধ্যে অবস্থান করত। যদিও এইসব নির্গমন জলবায়ু পরিবর্তনের উপর জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনের কোন নিয়ম মানছে না। ধারণা করা হচ্ছে যে যদি ব্যবস্থা নেয়া না হয়, তবে এই নির্গমন আগামী কয়েক দশকে আরও দ্রুত বৃদ্ধি পাবে। [It has been left up to the IMO to make progress, which has been slow – as the infographic below from Transport & Environment, an umbrella group representing European environmental and sustainability organizations, highlights.] অবস্থার উন্নতি করতে আইএমওকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে, কিন্তু তাদের কাজের গতি অত্যন্ত ধীর। পরিবহন ও পরিবেশের নীচের তথ্যচিত্রে কিছু অংশীদারকে দেখানো হয়েছে, যা ইউরোপীয় পরিবেশগত ও টেকসইগত সংগঠনগুলোকে তুলে ধরেছে।

International-Maritime-Organisation-Timeline22

এই সপ্তাহে যদি আইএমও দ্বারা মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ প্রস্তাব গৃহীত হয়, তবে সেটা হবে জাহাজের নির্গমন হ্রাসের ক্ষেত্রে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য। এর পাশাপাশি এই বছরের শেষের দিকে প্যারিসে অনুষ্ঠিতব্য জাতিসংঘের জলবায়ু আলোচনায় বিশ্ববাসির কাছে তা হবে প্রেরণার উৎস।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .