বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

পেরুর মসজিদঃ ল্যাটিন আমেরিকার অভিবাসী মুসলমান সম্প্রদায়ের সুন্দরতম নিদর্শন

Bab Ul Islam mosque in Tacna, Peru. Detail of image on Flickr by user Karin Ibarra Saavedra (CC BY-NC-ND 2.0).

পেরুর, টাকনায় অবস্থিত বাব-উল-ইসলাম নামের মসজিদ। ফ্লিকারে ছবিটীকে বিস্তারিত ভাবে তুলে এনেছেন-এর ব্যবহারকারী কারিন ইবারা সাভেদ্রার। (সিসি বাই-এনসি-এনডি ২.০)।

পেরু এক নানান সংস্কৃতির দেশ, আর তাই যেমনটা গ্লোবাল ভয়েসেস সম্প্রতি সংবাদ প্রদান করেছে, লিমায় চীনা নববর্ষ উদযাপন কোন বিস্ময়কর বিষয় নয়। তবে দেশটির দক্ষিণে অবস্থিত টাকনা শহরে, বাব উল ইসলাম নামক মসজিদের মাধ্যমে আমরা আরেকদল অভিবাসীর আগমনের প্রমাণ পাচ্ছি, যে মসজিদে পেরুর মুসলমানেরা নামাজ পড়ে।

এই মসজিদ, যার এখন এক নিজস্ব ফেসবুক পাতা রয়েছে, তা ৯০-এর দশকে এখানে আগত মুসলমান অভিবাসীদের হাতে তৈরি। এখন থেকে ১৫ বছর আগে নামাজ পড়ার জন্য এটি তার দরজা খুলে দেয়।

ইসলামহোয়.অর্গ বিগত পাঁচ শতাব্দি ধরে ল্যাটিন আমেরিকায় মুসলমান অভিবাসনের ইতিহাসের সারাংশ তৈরী করেছে :

La historia de la llegada de los musulmanes al Perú suele circunscribirse a las oleadas migratorias llevadas a cabo a partir del siglo XIX hasta el siglo XX. Sin embargo, debe tenerse muy en cuenta migraciones anteriores a éstas y para ello debemos intentar retroceder en el tiempo, hasta el siglo XV.
[…]
los musulmanes llegados a América legaron mucho de su arte. Por ejemplo, hasta ahora se pueden observar en la ciudad de Lima (e iniciadas en la Lima colonial) construcciones con diseños mudéjares […]. En cuanto a comida, podemos aún deleitarnos con mazapanes, turrones, alfeñiques y mazamorras (derivado de masa mora), entre otros.
[…]
Actualmente hay cerca de 300 musulmanes pakistaníes, recalcando el número elevado de conversiones, en especial de mujeres. También hay inmigrantes de India, algunos países árabes, así como chilenos y colombianos.

পেরুতে মুসলমানদের আগমন সাধারণত উনবিংশ শতক থেকে বিংশ শতকে অভিবাসীদের ঢল নামার ইতিহাসের মধ্যে সীমাবদ্ধ। তবে নিঃসন্দেহে মুসলমান অভিবাসনের একেবারে গোড়ার ইতিহাস উল্লেখ করা প্রয়োজন আর সে ক্ষেত্রে আমাদের একেবারে আমেরিকা মহাদেশ আবিষ্কার শুরুর সময়ে, ১৫ শতকে ফিরে যেতে হবে।
[…]
উপনিবেশিক লিমায় যে উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়) ভবনগুলোয় মুদেজার নকশায় তার ছাপ দেখা যায়[…]। যখন খাবারের কথা আসে, তখন অন্যান্য খাবারে সাথে তাদের কাছ থেকে পাওয়া মারজিপান, টুরোনস, আলফেনিকুয়েস এবং মাজামোরাস (এই নামটি এসেছে মাসা মোরা থেকে, যার মানে মুরদের ময়দার তাল) নামক খাবার আমরা এখনো উপভোগ করি।
[…]
বর্তমানে এখানে প্রায় ৩০০ পাকিস্তানি অভিবাসী রয়েছে, এবং এখন এখানে ব্যাপক সংখ্যায় ধর্মান্তরিত মহিলা মুসলমানদের প্রতি জোর দেওয়া উচিত, যাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মহিলা। এছাড়াও ভারত, কিছু আরব রাষ্ট্র, এবং যথারীতি চিলি ও কলম্বিয়া থেকে অভিবাসী হিসেবে কিছু মুসলমান পেরুতে এসেছে।

এদিকে পেরুর রাজধানী লিমার এক এলাকা মাগদালেনায় আমরা মসজিদের অস্তিত্ব আবিষ্কার করেছি যা ১৯৮৬ নির্মিত। ব্লগার হুয়ান লুইস অরেগো পেনাগোস এই উপাসনা গৃহের ইতিহাস বর্ণনা করেছেন:

Estrictamente, la construcción no es la de una mezquita (como por ejemplo, la que se ha levantado en Tacna), sino una vieja casa “acondicionada” como templo de oración para los musulmanes que viven en nuestra ciudad (por ejemplo, la colocación de una gran cantidad de alfombras para facilitar la posición del rezo orientado hacia La Meca). […] Se puede visitar en cualquier momento del día, sin interrumpir los rezos. […]
Uno de sus miembros fundadores, Said Faroud, confiesa: “Antes no había mezquita. Pero qué es lo que pasa… los musulmanes se dan cuenta que están siendo perdidos; ellos y sus hijos, pierden su cultura, su religión, todo… y comienzan a avisar que vamos a hacer mezquita… y en 1986, después de años de esfuerzo logran fundar esta mezquita.

তবে কাঠামোগত ভাবে, এই ভবনটিকে মসজিদ হিসেবে গড়া হয়নি (যেমন,এর এক উদাহরণ হচ্ছে টাকনায় বানান ভবনটি), আদতে এটা ছিল এক পুরোনো বাড়ী, যেটাকে পরে আমাদের এই শহরে বাস করা মুসলমানদের নামাজ পড়ার স্থানে “পরিণত করা হয়” (এখানে আমরা অনেক গালিচা এমন ভাবে প্রদর্শিত হতে দেখেছি, যার ফলে মক্কার দিকে সহজে মুখ করা যায়)।[…] দিনের যে কোন সময় এখানে প্রবেশ করা যায়, যেখানে নামাজ পড়তে কোন বাঁধা নেই[…]।
এই মসজিদের অন্যতম এক প্রতিষ্ঠাতা সাইদ ফারওদ বলেন,” মুসলমানরা যে কোন স্থানে নামাজ পড়তে অভ্যস্ত…কিন্তু বিষয়টি হচ্ছে…এখানকার মুসলমানরা এই বিষয়ে সচেতন ছিল যে তারা ক্রমশ হারিয়ে হচ্ছে; তারা এবং তাদের সন্তান, যারা নিজেদের সংস্কৃতি, ধর্ম, সবকিছু হারাচ্ছে… আর তারা এই শব্দ ছড়িয়ে দেওয়া শুরু করে যে আমরা একটা মসজিদ নির্মাণ করতে যাচ্ছি…এবং এক বছর কঠোর পরিশ্রমের পর, ১৯৮৬ সালে, তারা এই মসজিদটি গড়তে সক্ষম হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া থেকে ইসলামের বাণী ছড়িয়ে দিতে যখন একদল মুসলমান পেরুতে আসে, এখানে পা দিয়ে তারা “বিস্মিত হয়ে পড়ে”:

Para nuestra sorpresa, la persona que contesto el teléfono, era la persona encargada de la mezquita en Lima. Su nombre era Sabed, es el imam de la mezquita de Lima (esta en la avenida Tacna, Magdalena) e insistió en recogernos en el aeropuerto. Nosotros le dijimos que tomaríamos un taxi. Nosotros nos pusimos contentos y aliviados de encontrar una mezquita. Saeed, estaba muy feliz, porque era la primera vez que llegaba un grupo de los Estados Unidos a visitar la mezquita de Lima. La mezquita, que era una casa gigante con 12 cuartos, fue donada por un hermano árabe.
[…]
Perú es un país gigante con más de 24 millones de personas. En la capital de Lima, hay aproximadamente 400 musulmanes. La mayoría de los musulmanes en Perú son una mezcla de palestinos y sirios que partieron de sus tierras buscando una vida económica mejor para sus familias.

আমাদের বিস্মিত করে ফোনের অপর প্রান্তে যে ব্যক্তিটি জবাব প্রদান করলেন, তিনি ছিলেন লিমা মসজিদের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি। তার নাম সাবেদ। তিনি লিমা মসজিদের ইমাম (এটা মাগদালেনার, টাকনা অ্যাভিনিউতে অবস্থিত) এবং তিনি আমাদের বিমান বন্দরে গ্রহণ করার উৎসাহ দেখালেন। আমরা তাকে বললাম যে বরঞ্চ আমরা ট্যাক্সি নিয়ে নেব। এখানে একটা মসজিদ পেয়ে আমরা আনন্দিত হলাম এবং স্বস্তি পেলাম। এই মসজিদ যা এক সময় ১২ কামরার এক এই বিশাল ভবন ছিল, তাকে মসজিদের পরিণত করা হয়েছে আমাদের এক আরব ভ্রাতার দানে।
[…]
পেরু হচ্ছে এক বিশাল দেশ যার জনসংখ্যা ২ কোটি ৪০ লক্ষ, এর মধ্যে ৪০০ জন নাগরিক মুসলমান। পেরুর বেশীরভাগ মুসলমানরা ফিলিস্তিনি ও সিরীয় উভয় সম্প্রদায়ের আন্তবিবাহের মাধ্যমে উদ্ভূত, যারা পরিবারের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি উন্নত করার আশায় এক সময় স্বদেশ ত্যাগ করেছিল।

কয়েকজন টুইটার ব্যবহারকারী পেরুতে মুসলমান সম্প্রদায়ের উপস্থিতির বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছে :

পেরুর, টাকনায় মুসলমানদের মসজিদ

আমরা আজানের ধ্বনি শুনতে পাই

বিস্ময়েরও এক প্রকাশ রয়েছে :

টাকনায় মসজিদ, আপনারা কি জানেন আমাদের এই এখানেও একটা মসজিদ আছে?

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .