বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

সিরীয় পিতা বৃটিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পুত্রকে ফিরে পাবার আবেদন জানাচ্ছে

Syrian father Wael Zain claims his British son, Maudh, aged five, is stranded in Syria and that the British Foreign Office is not helping reunite them. Photograph shared on Twitter.

সিরীয় পিতা ওয়ায়েল জেইন দাবী করেছে তার পাঁচ বছরের বৃটিশ পুত্র সিরিয়ায় আটকে পড়েছে এবং তাদের পুনর্মিলনের জন্য বৃটিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছুই করছে না। ছবিটি টুইটারে প্রদর্শিত হয়েছে।

ওয়াএল জেইন সিরীয় এক নাগরিক, যে এখন লন্ডনে কাজ করে। সে তার পাঁচ বছরের পুত্র মাউধ, যে কিনা বৃটিশ নাগরিকত্ব লাভ করেছে, তার দুর্দশার কাহিনী তুলে ধরার জন্য টুইটারের আশ্রয় গ্রহণ করেছেন। মাউধ তিন বছর ধরে সিরিয়ায় আটকে রয়েছে।

ধারাবাহিক বেশ কয়েকটি টুইটে জেইন ব্যাখ্যা করছে যে তার পুত্র এবং স্ত্রী সিরিয়ার দেরাআ নামক গ্রামে বাস করে এবং সে দাবী করেছে সম্প্রতি তার পুত্রের গায়ে গুলি লেগেছে, আর তার চিকিৎসার প্রয়োজন। সে একই সাথে দাবী করছে করেন যে তার দুর্দশার কথা বৃটিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কানেই নিচ্ছে না।

মূলত সিরিয়ার ডেরাআর আদিবাসী জেইন টুইট করেছে:

দয়া করে সিরিয়ায় আটকে পড়া বৃটিশ নাগরিক আমার পাঁচ বছরের সন্তানকে ঘরে ফিরে আসতে সাহায্য করুন। বৃটিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাকে পরিত্যাগ করেছে।

সে ব্যাখ্য করছে:

নাওয়ার কাছে দেরাআ নামক গ্রামে সে আর তার মা বাস করত। সেখানে সে তিন বছর ধরে বাস করছে। দুই সপ্তাহ আগে তার গায়ে গুলি লাগে। তার এখন সাহায্যের প্রয়োজন।

অন্য একটি টুইটে বৃটিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রী উইলিয়াম হেগকে উদ্দেশ্য করে তার এর কাছে জেইন আবেদন জানাচ্ছে:

আমার পাঁচ বছরের পুত্র যে কিনা বৃটিশ নাগরিক, সে সিরিয়ায় আটকে পড়ে আছে এবং আপনার দপ্তর তাকে পরিত্যাগ করেছে।

এর সাথে সে আরো যোগ করেছে:

বৃটিশ সরকার নাজুক সিরীয় উদ্বাস্তু, বিশেষ করে নারী এবং শিশুদের সাহায্য করার অঙ্গিকার করেছে, কিন্তু তারা এক বৃটিশ শিশুকে সাহায্য করতে অস্বীকার করছে।

জেইন বলছে যে সে তিন বছর ধরে তার পুত্র সন্তানের মুখ দর্শন করেনি এবং তার কাছে পুত্রের সর্বশেষ তোলা যে ছবিটি রয়েছে, সেটি সে প্রদর্শন করেছে :

আমার পুত্রের সর্বশেষ ছবিটি আমি আবিষ্কার করেছি তা তিন বছর আগে সিরিয়া তোলা হয়েছিল। আমি তিন বছর তাকে দেখিনি, তার এখন জরুরী চিকিৎসা দরকার।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .