বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

ইরানের পরমাণু সংকটের কি শুভ সমাপ্তি ঘটতে চলেছে ?

Mohammad Javad Zarif

ইরানি পররাষ্ট্র মন্ত্রী মুহাম্মদ জাভেদ জারিফ (সূত্রঃ আই এস এন এ)

জেনেভায় ইরান ও ছয় বিশ্ব পরাশক্তির মধ্যে দুই দিন ধরে নিবিড় সংলাপের পর পরমাণু আলোচনা গত বুধবার শেষ হয়েছে। ইরান ও তার প্রতিদ্বন্দ্বীরা উভয়ই এই আলোচনার ব্যাপারে বেশ ইতিবাচক মন্তব্য করেছেন। এখন তাঁরা আগামী নভেম্বরে আরেক প্রস্থ আলোচনার জন্য প্রস্তুত।

কূটনৈতিক সূত্র মতে, ইরানী প্রতিনিধি দল বলেছে, ইরান জরুরী নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার বিনিময়ে সংবেদনশীল পরমাণু কার্যক্রমের আকার পরিবর্তন করার জন্য প্রস্তুত।

ইরানী নেটিজেনরা এই বিষয়ে তাদের অনুভূতি এবং মতামত শেয়ার করেছেন, যেটি গত দশ বছর ধরে চলে আসছে। শহরের পর শহরে আলোচনার পর আলোচনা চলছে, কিন্তু এই সঙ্কট এখনও রয়ে গেছে।

এখন কি সেই সময়? যখন এই বিষয়টির একটি শুভ সমাপ্তি ঘটবে ?

টুইটারে আরাশ সোবহানি বিদ্রূপ করে বলছেন:

পারমাণবিক শক্তি আমাদের পরম অধিকার [ইসলামী প্রজাতন্ত্রটি বছরের পর বছর ধরে এই স্লোগানটির পুনরাবৃত্তি করেছে] কিন্তু, এই পরম অধিকার সম্পর্কে আলোচনার সমস্থ বিবরণ গোপন থাকে। শুধু শাসক দল এবং বিশ্বের ক্ষমতাধররা জানে কি ঘটেছে। এটা জানা মানুষের অধিকার নয়। 

এছাড়াও টুইটারে মাদিয়ার আশাবাদী এবং বলছেন:

জেনেভা থেকে ভালো খবর আসছে। প্রথম বাস্তব পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে বলে মনে হচ্ছে।

করশ বলেছেন, এই আলোচনার ক্ষেত্রে শীর্ষ পরমাণু আলোচক, ইরানী পররাষ্ট্রমন্ত্রী মহম্মদ জাভেদ জারিফের একটি বাস্তব সমস্যা আছে: পিঠে ব্যাথা যা তাকে হুইলচেয়ারে বসতে বাধ্য করে। করশ লিখেছেনঃ 

তাঁর পিঠ ব্যাথা সত্ত্বেও, হাসি মুখে তিনি সামনে এগিয়ে চলেন। এর মাধ্যমে তিনি তাঁর শত্রুদের জানাতে চান যে, তিনি এখনও ইরানিদের অধিকার রক্ষা করতে সক্ষম। 

এছাড়াও টুইটারে দ্রেকশেপারড মনে করেন, আলোচনাটি ইরান-মার্কিন সম্পর্কে নতুন যুগের সূচনা করতে পারেঃ

এখন থেকে “মার্কিনিদের সঙ্গ ত্যাগ” এর পরিবর্তে, চলুন “ইরান থেকে আমেরিকা পর্যন্ত শান্তি ও মানবতা দীর্ঘজীবী হোক” বলে স্লোগান দিই।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .