বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

চীন: জেসমিন বিদ্রোহ, দ্বিতীয় সপ্তাহ

বেজিং আর সাংহাই এ এক সপ্তাহ আগে (ফেব্রুয়ারীর তৃতীয় সপ্তাহে) ছোট কিছু বিক্ষোভ হওয়ার পরে তা অন্য ১১টি নামহীন শহরে ছড়িয়ে পড়ে চীনে এক জেসমিন বিদ্রোহ তৈরি করতে অক্ষম হয় যেমন এক বেনামী ব্লগ পোস্টে জানানো হয়েছিল। তবে আজ (২৬শে ফেব্রয়ারি) চীনের ২৩টি শহরে দ্বিতীয় দফার বিক্ষোভের আয়োজন চলছে।

চৈনিক শিক্ষাবিদ, লেখক এবং ব্লগার রান ইয়ুনফে বর্তমানে আটক আছেন রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষকে অবমাননার জন্যে। ছবি ফ্লিকার থেকে রেবেকা ম্যাকের সৌজন্যে।

গত সপ্তাহ থেকে, গ্রেপ্তারের হার বেড়ে গেছে, বেইজিং এর বিক্ষোভ স্থলকে নির্মান স্থলে পরিণত করা হয়েছে, ইন্টারনেটের নিষেধাজ্ঞা জোড়াল করা হয়েছে বাড়তে থাকা শব্দের তালিকা দিয়ে। তবে তা আকাঙ্খিত প্রভাব ফেলতে পারেনি অনলাইনে জেসমিন বিক্ষোভের পক্ষের কণ্ঠ রোধ করার, ধারনা করা হচ্ছে যে ‘চীন’ টুইটার এর উপর ডিডস আক্রমণ চালিয়েছে, সরকারী মদদপ্রাপ্ত ৫০ সেন্টের দল চড়াও হয়েছে অকথ্য ভাষায় সহনীয় চীনা টুইটার ব্যবহারকারি দের প্রতি আর চীনের প্রধানমন্ত্রী হঠাৎ করে ঘোষণা করেছেন রবিবার সকালে নেটিজেনদের এক চ্যাট সেশনের

গ্লোবাল ভয়েসেস এর চৈনিক দলের টুইটার অনুসরন করলে রবিবার সারাদিনের ঘটনার একটি ধারাভাষ্য পাবেন ইংরেজীতে এবং সেগুলো ২৬শে ফেব্রুয়ারীর জেসমিন বিদ্রোহ নিয়ে একটি নতুন বেনামী ব্লগ থেকে নেয়া একটি পোস্টের অনুরুপ অনেকাংশে:

民主的春天暖人心,让我们散步去

গণতন্ত্রের বসন্ত হৃদয়কে উষ্ণ করেছে, আসুন হাঁটতে বের হই।

茉莉花革命来了,她的脚步是那样清晰,听起来虽然不大,但每个向往民主的中国人心中都能感受到她,她是那样亲切,那样让人振奋。五千来被专制和残暴奴役的大地又重新萌动起来,春一样的感觉……不,这就是春天,春天已经来到,只不过是初春,民主之芽已经破土而出,这是实实在在春的感觉,暖人心的感觉。

জেস্মিন বিদ্রোহ পৌঁছে গেছে। যদিও জোরালো না কিন্তু তার পদধ্বনি পরিষ্কার, আর প্রত্যেক চীনা যারা গণতন্ত্র চান তাদের হৃদয়ে এটা শোনা যাচ্ছে, তার দয়া তুলে ধরছে। ৫০০০ বছরের স্বৈরশাসন আর নিষ্ঠুর দাসত্বের পরে, এই মহান দেশ আবার জেগে উঠেছে, যেন বসন্ত এসেছে… না এটাই বসন্ত, এটা এসে গেছে। যদিও বসন্তের শুরু, ভূমি থেকে গণতন্ত্রের কুঁড়ি বেরিয়ে এসেছে, যা বসন্তের আসল ভাব জাগাচ্ছে, হৃদয় গরম করা ভাব।

来吧,朋友们,不要再害怕冬的寒冷,它即将过去,让我们走出家门,走上广场,用我们心中的暖意呵护着民主之芽,只要我们坚持,总有一天她会茁壮成长。

记住那特殊的日子:2011年2月20日。

তাই আসুন বন্ধুরা, আর দীর্ঘ শীতকে ভয় পাবেন না, এর সময় চলে গেছে। বাড়ি থেকে বেরিয়ে সামনে আসুন পথে। আমাদের হৃদয়ের উষ্ণতা ব্যবহার করি গণতন্ত্রের উন্মেষকে ছোঁয়ার জন্য, আমাদের লেগে থাকা থেকে, একদিন সে শক্তিশালী আর দৃঢ় হবে।

এই বিশেষ দিনকে মনে রাখবেন: ফেব্রুয়ারী ২০, ২০১১।

明天,也就是2011年2月27日也即将成为另一个特殊的日子。让我们用我们双脚把今后的每个周日都变成这样一个个特殊的日子。坚持就是胜利。未来的变化还很难预测,但不管怎样,既然天意在冥冥之中让我们找到了这个可行的方法,我们就不该放弃。这个方法的好处是,一旦约定,就可以让分散的每个人单独实施,一次成不了事,就两次、三次……,多次之后,总有一次会汇聚成民主之河,冲刷掉一切腐朽专制强加在我们身上的枷锁。

কাল, ২৭শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১, আবারো একটা বিশেষ দিন। দুই পা দিয়ে এখন থেকে সব রবিবার আসুন আমরা বিশেষ করে তুলি। লেগে থাকা থেকে বিজয় আসবে। ভবিষ্যৎে কি আছে তা যদিও বলা কঠিন, চিন্তা করবেন না, যেহেতু এটা ইশ্বরের ইচ্ছা যে আমরা সামনের দিকে যাব, আর এতা মাদের ছেড়ে দেয়া উচিত হবে না। এর ফলে আমাদের উপকার হবে, কারন একবার সিদ্ধান্ত নিলে, আমরা প্রত্যেকে সামনে যেতে পারবো নিজেই। যদিও আমরা প্রথমে সফল না হতে পারি, দ্বিতীয় বা তৃতীয় চেষ্টায়, এক সময় আসবে যখন আমাদের প্রচেষ্টা গণতন্ত্রের নদীকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবে, সকল বন্ধন ধুয়ে ফেলে যা স্বৈরতন্ত্র আমাদের উপরে চাপিয়ে দিয়েছে।

当然,专制独裁者不会轻易放弃,它会用暴力来恐吓和镇压我们,恐吓已经开始,看国内网站上已经在首要位置出现“埃及火烧警察”的图片,这就是恐吓,这是它们惯用的伎俩,六四时它们就用这些招数,它们是人类历史上最卑鄙的一群人。然而,现在已然不同,网络发展,民智已开,民主潮流滚滚而来,它们已经是黔驴技穷。

将来的任何变化,都不要为所动摇,人人做到从我做起,坚持散步,广为宣传,攻破专制堡垒的那一天一定能到来!

走,那我们散步去!

অবশ্যই, একজন স্বৈরশাসক সহজে এসব কিছুই ছাড়বে না, আর এরা সংঘাত আর ভীতি ব্যবহার করবে আমাদের দাবিয়ে রাখতে। এই ধরনের দাবিয়ে রাখা এরই মধ্যে শুরু হয়ে গেছে, যা দেখা যাচ্ছে প্রধান ওয়েবসাইট ‘মিশরীয় পুলিশকে পোড়ানো’ এর শিরোনাম ছবিতে। এটা দাবিয়ে রাখা, এটা তাদের কৌশল। এই ধরনের অসংখ্য কৌশল ব্যবহার করা হয় ১৯৮৯ এ, এরা মানব ইতিহাসের সব থেকে ঘৃণ্য ব্যক্তি। তারপরেও আজকে অবস্থা অন্য রকম। ইন্টারনেট বিস্তার লাভ করেছে। মানুষ এখন অনেক বেশী জ্ঞানী। আর গণতন্ত্রের ধারা বয়ে চলেছে; তাদের সময় এসেছে।

সামনে আসা কোন পরিবর্তন নিয়ে নাড়া খাবেন না। একসাথে আমরা এগিয়ে যাব। আমরা বেরিয়ে আস্তে চেষ্টা করে, কথা ছড়িয়ে দেব, আর যেদিন এই স্বৈরতন্ত্রের ঘাঁটি ভেঙ্গে পড়বে তা দ্রুত আসবে নিশ্চয়তা দেয়া যায়!

এখন চলুন রাস্তার দিকে এগুনো যাক!

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .