বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

ইরান: সিরিয়ার বিক্ষোভকারীরা বলছে, “ইরান নয়, হেজবুল্লাহও নয়!”

এই পোস্টটি সিরিয়া বিক্ষোভ ২০১১-এর উপর করা আমাদের বিশেষ কাভারেজের অংশ

বেশ কয়েকজন ইরানী ব্লগার সিরিয়ায় অনুষ্ঠিত বুধবারের বিক্ষোভে সিরিয়ার প্রতিবাদকারীদের প্রদান করা স্লোগানের প্রতি প্রতিক্রিয়া প্রদর্শন করেছে, যেখানে জনতা আওয়াজ তুলেছে, “ইরান নয়, হেজবুল্লাহও নয়!” সিরিয়া হচ্ছে ইরানের মিত্র রাষ্ট্র এবং একই সাথে লেবাননের হেজবুল্লাহ নামক জঙ্গি দলটির সাথে ইরানের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে।

যখন ইরানের সরকারি প্রচার মাধ্যম সিরিয়ার বিষয়ে নিশ্চুপ রয়েছে, তখন ইরানী ব্লগাররা সেখানে চলাতে থাকা ক্রমাগত এই আন্দোলনের বিষয়ে তাদের কণ্ঠ তুলে ধরছে।

জনপ্রিয় লিঙ্ক শেয়ার করা সাইট বালাতারিনে বেশ কিছু ব্যক্তি একটি ভিডিওর লিঙ্ক পোস্ট করেছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে যে সিরিয়ার বিক্ষোভকারীরা ইরানের শাসকদের বিরুদ্ধে স্লোগান দিচ্ছে।

বাহরাইনী নাগরিকদের সমর্থনে ইরান সরকার একটি বিবৃতি প্রদান করেছে যে, জনতা সৌদি আরবের সেনাদের সেই দেশ ছেড়ে যাবার আহ্বান জানিয়েছে, সেই সংবাদের কথা উল্লেখ করে এবং ইন্টারনেটে গুজব ছড়িয়ে পড়েছে [ এর কোন প্রমাণ আমাদের কাছে নেই] যে সিরিয়ার শাসককে সাহায্য করার জন্য ইরান তার সেনাদের সেখানে পাঠাবে-এর ভিত্তিতে, ইরানী ব্লগার ইরানেসাবজ লিখেছে [ফারসী ভাষায়]:

আমি বিস্মিত এই কারণে যে ইরান নামক রাষ্ট্রটি বাহরাইনে, সৌদি আরবের সেনাদের নিপীড়নের বিরুদ্ধে অভিযোগ করছে, কিন্তু তারা সিরিয়ার জনতাকে দমন করার জন্য নিজস্ব সেনাবাহিনী পাঠাচ্ছে।

ইসলামি এই শাসক ব্যবস্থা লিবিয়া এবং অন্য সব এলাকার বিক্ষোভের প্রতি তাদের সমর্থন প্রকাশ করেছে। ইরানসিএনএন বলছে [ফারসী ভাষায়]:

ইসলামি এই শাসক গোষ্ঠী যখন লোকজন বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় রাস্তায় নেমে পড়ে এবং বিক্ষোভ প্রদর্শন করে তখন তারা এটিকে ভালো কাজ বলে বিবেচনা করে, আবার ইরান, লেবানন, সিরিয়া এবং ভেনেজুয়েলার নাগরিকরা যখন তা করে, ইরান তখন তাকে ব্যতিক্রম হিসেবে বিবেচনা করে।

শিয়াহ ও সেফিদ ব্লগ (যার মানে হচ্ছে সাদা এবং কালো) জিজ্ঞেস করেছে [ফারসী ভাষায়] কেন ইরানের সরকারি টেলিভিশন সিরিয়ার বিক্ষোভ আন্দোলন সম্বন্ধে এবং সেখানে যে সমস্ত লোকজন মারা গেছে তাদের সম্বন্ধে কোন ধরনের সংবাদ প্রদান করে না।

দোলাতেমেলি লিখেছে [ফারসী ভাষায়] যদি সিরিয়ার স্বৈরশাসকে উৎখাত করা হয়, তাহলে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের পররাষ্ট্র নীতি ভয়াবহ সমস্যায় পড়ে যাবে। ইরানের শাসকের সিরিয়ার ক্ষমতাসীন শাসকদের ক্ষমতায় রাখার জন্য যা যা করা সম্ভব, তাই করবে।

এই পোস্টটি সিরিয়া বিক্ষোভ ২০১১-এর উপর করা আমাদের বিশেষ কাভারেজের অংশ

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .