বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

চীন: ট্রেন যাত্রীদের জন্য টিকিট কেনার নতুন পদ্ধতি

চুনইয়ুন-চীনের ভ্রমণ সময়কাল। চীনের নতুন বছর শুরু হবার ঠিক- আগে, বছরের শুরু এবং তারপরের কিছুদিন পর্যন্ত- এই ভ্রমণের সময় বজায় থাকে। এবার নতুন বছরে, চীনের সবচেয়ে বড় দু'টি রেল প্রতিষ্ঠান “রিয়েল নেম” বা প্রকৃত নামে টিকিট দেবার ব্যবস্থা করেছে।

ইয়েশুউ জেলার গুয়াংঝু স্টেশন, গুয়াংঝু দক্ষিণ চীন ভ্রমণের প্রধান কেন্দ্রস্থল। ছবি ডন ওয়েইনল্যান্ড

ইয়েশুউ জেলার গুয়াংঝু স্টেশন, গুয়াংঝু দক্ষিণ চীন ভ্রমণের প্রধান কেন্দ্রস্থল। ছবি ডন ওয়েইনল্যান্ড

শুক্রবারের ইনফরমেশন টাইমস জানাচ্ছে, গুয়াংঝু রেলওয়ে কোম্পানী অথবা চেঙ্গডু রেল মন্ত্রণালয় থেকে টিকিট নিতে গেলে সঠিক পরিচয়পত্র লাগবে। এবার টিকিটের উপর নাম এবং পরিচয় চিহ্নিতকরণ নাম্বার ছাপা থাকবে এবং স্টেশনে প্রবেশর জন্য একটি বিশেষ পরিচয়পত্র তৈরি করা হবে।

ইনফরমেশন টাইমস জানাচ্ছে, টিকিট পদ্ধতির এই পরিবর্তন ছাড়াও যাত্রীরা এবারে একবারে তিনটি টিকিট কিনতে পারবে। কিন্তু প্রতিটি টিকিটের জন্য তাকে আলাদা পরিচয়পত্র পেশ করতে হবে: একটি টিকিটের জন্য একটি পরিচয়পত্র।

এই পদ্ধতিতে বিভিন্ন উপাদান যোগ করা হয়েছে। এর ফলে একটি টিকিটের ব্যবস্থা করা অনেক চীনা নাগরিকদের জন্য কঠিন ব্যাপার হয়ে দাঁড়াবে, বিশেষ করে যারা নিজের এলাকা ছেড়ে অন্য এলাকায় কাজ করে। “ইয়োলো কাউ” বা যারা মূল জায়গা থেকে টিকিট কিনে লাভের জন্য আবার বিক্রি করে, সেই তারা বিশাল সংখ্যক টিকিটে আগে ভাগে কিনে রেখেছে, যাতে তারা চাহিদা মোতাবেক বেশি দামে বিক্রি করতে পারে। নতুন পদ্ধতি ট্রেনের নিরাপত্তা নিশ্চয়তা বাড়িয়ে দিতে পারবে।

চীনে, গত বছরের নববর্ষের ছুটির সময় নতুন টিকিট পদ্ধতির জন্য আবেদন এসেছিল। জানুয়ারি, ২০০৯-এ সিনা.কমে প্রকাশিত এক প্রবন্ধ এ সমস্যার এক সমাধান খোঁজার চেষ্টা করে, যাকে জনপ্রিয় ভাবে বলা হয় “ একটা টিকিট পাওয়া অনেক কঠিন”

春运当前,有关火车票实名制的呼声再次高涨。民意一方呼声急切,以为非实名制而不能解“一票难求”之困局。而处于铁道部一方,则断然表示“成本太高”,言下之意,难于实行。铁道部门的这种“傲慢”,加之其垄断地位、春运种种苦难现象,混合在一起,一再地刺激民意昂扬。

নতুন বছরের ভ্রমণের সময়, বাস্তবতার কারণে প্রকৃত নামে টিকিট বিক্রির ব্যবস্থার দাবি আবার বেড়ে যায়। এবার লোকেদের দাবি ছিল, দ্রুত এই ব্যবস্থা নেবার। তারা এই চিন্তা মাথায় রেখে এই দাবি জানায় যে, একটা টিকিট পাওয়া খুব কঠিন ব্যাপার। তবে প্রকৃত নাম দিয়ে টিকিট কেনার মধ্যে দিয়ে পুরো সমস্যার সমাধান হবে না। কিন্তু [রেল কোম্পানী] তারা খুব সাহসের সাথে প্রকাশ করেছে যে “টিকিটের দাম অনেক বেশি”। অন্য কথায় বলা যায়, এইভাবে কাজ চালানো বেশ কঠিন। রেল কর্তৃপক্ষের এই ঔদ্ধত্য বা চাপিয়ে দেওয়া মনোভাব, তাদের একক কতৃত্বের বিষয়টি ঘটে বিভিন্ন কঠিন অবস্থায় ভ্রমণের সময়। দু’টি বিষয় একসাথে মিলে যায় এবং আরো একবার এই বিষয়টিকে ঝাঁকি দেয় এবং জনপ্রিয় মতামতগুলোকে সামনে তুলে আনে।

বাইডু এনসাইক্লোপিডিয়ার বা বিশ্বকোষের মতে প্রকৃত নামের টিকিট নেওয়া পদ্ধতি, রেল কোম্পানীর সঠিক ভাবে টিকিট বিক্রির পদ্ধতি চালু করার এক ধারণা তৈরি করে, যা এমন সময় করা হবে, যে সময়টা রেল যাত্রার ক্ষেত্রে এক কঠিন অবস্থার সৃষ্টি হয়।

目前民众尤其是 外出务工人员,在出行乘坐火车这种公益性的大众交通工具时,常常遭遇不公平:虽然长时间排队,却很难买到自己急需的火车票;而一些票贩子却能通过各种手 段,获取他们并不急需的火车票。于是,在这种现实面前,公民乘坐火车变成了一种没有权利和尊严的选择:要么你去求人找关系买票;要么你多花钱到票贩子那里 买票。

যারা বাড়ি থেকে অনেক দুরের কোন স্থানে কাজ করে, তারা বাসায় ফেরার জন্য বর্তমানে ব্যাপক গণমাধ্যম কোন পরিবহণ, যেমন ট্রেন ব্যবহার করে। রেল পথে যাত্রা করার সময় তারা বাজে সব পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়; যদিও তারা লম্বা সময় ধরে টিকিটের জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে থাকে। জরুরি প্রয়োজনে একটা টিকিট কিনতে পারা খুব কঠিন একটা ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। তবে যারা কালোবাজারীতে টিকিট বিক্রি করতে চায়, তাদের জরুরি ভিত্তিতে টিকিট নেবার প্রয়োজন নেই, তারা নানাভাবে টিকিট কিনতে পারে। বাস্তবতা হচ্ছে নাগরিকদের ট্রেন ধরার বিষয়টি সঠিক এক সিদ্ধান্ত এবং মর্যাদার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ ক্ষেত্রে টিকিট পাবার জন্য হয় আপনার পরিচিত কারো হাতে পায়ে ধরে টিকিটের ব্যবস্থা করতে হবে, অথবা কালোবাজারীর কাছ থেকে টিকিট নিতে হবে।

নববর্ষের ভ্রমণকালীন সময়টি চীনে চুনইয়ুন নামে পরিচিত। শিনহুয়া সংবাদের মতে এটি বিশ্বের সবচেয়ে বিপুল পরিমাণ জনতার লম্বা সময়ের এক যাত্রা। এ বছরের যাত্রায় ২.১ বিলিয়ান বা ২১০ কোটি ভ্রমণের বন্দোবস্ত করতে হবে। এই সব ভ্রমণ হবে, কাজের ফলে এক জায়গায় থেকে আরেক জায়গায় যাওয়া, কাজের ক্ষেত্র থেকে বাড়ি ফেরা, বাড়ি থেকে আবার কাজের জায়গায় ফিরে যাওয়ার জন্য। গত বছরের তুলনায় এ বছর ভ্রমণের পরিমাণ ৯.৫ শতাংশ বেশি হবে।

তবে সকলেই প্রকৃত নামের টিকিট কেনা পদ্ধতি গ্রহণ করতে রাজী না। বাইডু বিশ্বকোষ কিছু সাধারণ অভিযোগের তালিকা তৈরি করেছে। এইসব অভিযোগ ছিল নতুন টিকিট কেনা পদ্ধতি নিয়ে:

春运期间,铁路与民航的最大区别是客流量大。一旦推行实名制后,将会增加售票的信息录入时间和验票的信息核对时间,降低工作效率,影响人流疏散,加剧人群滞留,容易形成挤压伤人事件隐患。所以,实名制在现实中不具有可操作性。

ছুটির সময় রেল এবং বিমান ভ্রমণের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় যে পার্থক্য হচ্ছে, এই সময় ট্রেনে যাত্রীর সংখ্যা প্রচুর পরিমাণে বেড়ে। যখনই প্রকৃত নাম পদ্ধতির মাধ্যমে টিকিট নিবন্ধন পদ্ধতি চালু হবে, তখন টিকিট পরীক্ষা করার পদ্ধতি সময় বেড়ে যাবে। সে সময় কাজের দক্ষতাও [রেলের কর্মচারীদের] কমে আসবে। লোকদের স্রোতের মত আগমনের প্রভাবে, জনতার ভিড় বাড়বে এবং হট্টগোলপূর্ণ আওয়াজে দুর্ঘটনার পরিমাণ বেড়ে যাবে। যার ফলে বাস্তবতা হচ্ছে প্রকৃত নাম পদ্ধতি কাজ করবে না।

这是增加了黄牛的麻烦,并不能从根本上解决问题,真正的黄牛,肯定不会是去排队买票的,既然是从内部拿票,所以你买黄牛票的时候只需带上你 的个人信息,如此而已。

এর ফলে এটি কালোবাজারীদের ব্যবসাকে কঠিন করে তুলবে, কিন্তু যে কোনভাবেই তারা সমস্যার সমাধান করবে। সত্যিকারের কালোবাজারীরা টিকিট কেনার জন্য লাইনে দাঁড়ায় না। কারণ তারা [বিশেষ সম্পর্কে] অফিস থেকে টিকিট কেনে। যখন আপনি কালোবাজারে টিকিট কিনবেন তখন আপনাকে কেবল আপনার ব্যক্তিগত তথ্য সরবরাহ করতে হবে।

চীনা নববর্ষ ভ্রমণ সময়সূচি, সাধারণত নির্ধারণ করা হয়, চীনের চুনজি হিসেবে পরিচিত নববর্ষ শুরুর চল্লিশ দিন পূর্বে। বাইডু বিশ্বকোষের সূত্রমতে, এ বছরের ভ্রমণ সময়কালের শুরু হবে জানুয়ারির ৩০ তারিখে এবং তা শেষ হবে মার্চের ১০ তারিখে। চীনের নতুন বছরে বন্ধের হিসেব হয় চন্দ্রবছর দিয়ে। সেই হিসেবে নতুন বছরে বন্ধ শুরু হবে ১৪ ফেব্রুয়ারি এবং তার ১৫ দিন পর্যন্ত চলবে।

“রিয়েল-নেম” বা প্রকৃত নাম বিষয়ক টিকিট বিক্রির তথ্য ১০ ডিসেম্বর ২০০৯-এ ফাঁস হয়ে পড়ে। এক চীন ব্লগ এই তথ্য জানিয়ে দেয়। ইনফরমেশন টাইমসের প্রবন্ধ, রেল কর্তৃপক্ষের এক অভ্যন্তরীণ সূত্রের মাধ্যমে পুরো বিষয়টি নিশ্চিত করে যে টিকিট কেনার ক্ষেত্রে এই পরিবর্তন অবশ্যই ঘটবে।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .