বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

জর্জিয়া: চল যৌনতার কথা বলি…

sexজর্জিয়ার সোশাল মিডিয়া বা সামাজিক প্রচার মাধ্যমের সবচেয়ে গুঞ্জরিত বিষয় রাজনীতি, নির্বাচন, ক্রীড়া, সমস্যা, ভূকম্প, অথবা বিপর্যয় নয়। তার বদলে বলা যায় এই মাধ্যমে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় এক নতুন টেলিভিশন অনুষ্ঠান। এর নাম ঘাহমে সোহরেনাস্টান। এটি আইমেডি টিভিতে প্রদর্শিত হয়। অনুষ্ঠানের শিরোনাম অনুবাদ করলে দাঁড়ায় “সোহরেনার সাথে একরাত” এবং এই অনুষ্ঠানে যৌনতা নিয়ে আলোচনা করা হয়।

এ ধরনের অনুষ্ঠান জর্জিয়ার টেলিভিশনে প্রথম। দেশটির প্রাক্তন প্লেবয়ের প্লেমেট (প্লেবয় নামক যৌন পত্রিকার বিশেষ ব্যক্তি) সোহরেনা বেগাসভিলি অনুষ্ঠানে থাকায়, এই অনুষ্ঠান অনলাইনে প্রচুর মতামত পেয়েছে। এইসব মতামতের মধ্য ইতিবাচক ও নেতিবাচক, উভয়ের ধরনের মত রয়েছে। নাইটগ্রাভিটি এই ধরনের অনুষ্ঠানে উৎসাহিত বোধ করছেন

გაქაჩავს. დარწმუნებული ვარ ბევრმა ცნობილმა თუ არა ცობილმა უყურა,ბევრმა კონსერვატმა და ა.შ.

এই অনুষ্ঠান কাজ করবে। আমি নিশ্চিত এটি প্রচুর জনপ্রিয়তা লাভ করবে। ততটা বিখ্যাত নয় এমন ব্যক্তি এবং রক্ষণশীল লোকেরাও এই অনুষ্ঠান দেখবে।

সকলেই একমত যে জর্জিয়ার টেলিভিশনে যৌনতার মত বিষয় নিয়ে এক টিভি অনুষ্ঠান থাকা উচিত এবং এ রকম সমালোচনা ছিল কৌশলগত প্রকৃতির, যেমন এক সমালোচক লুকরেনক এ ধরনের সমালোচনা করেছেন।

გადაცემას უდაოდ საინტერესო და სექსუალური წამყვანი ყავს–შორენა ბეგაშვილი,გადაცემის საინტერესოობაზე კი რა მოგახსენოთ მეგონა ტოპ 10 სიმღერას ვუსმენდი

এই অনুষ্ঠান সম্বন্ধে বলা যায়, এখানে নি:সন্দেহে কৌতূহলী এবং যৌন আবেদনময়ী উপস্থাপিকা রয়েছে- যার নাম সোহরেনা বেগাসভিলি- কিন্তু এই অনুষ্ঠান তেমন কিছুই না- এই অনুষ্ঠান দেখে আমার মনে হয়েছে, আমি ‘সেরা দশ সঙ্গীত ভিডিও-র মত’ এক অনুষ্ঠান দেখছি।

জর্জিয়ার জনপ্রিয় ব্লগার টোমুসাকা। তিনি এই অনুষ্ঠান নিয়ে বেশ কিছু পোস্ট লিখেছেন এবং তিনি এর প্রত্যেকটি অনুষ্ঠানের পর্যালোচনা করেছেন। ভদ্রমহিলা এই অনুষ্ঠানের কৌশলগত দিক নিয়ে সমালোচনা করেছেন

এর মধ্যে কোন মূল বিশেষ বিষয় নেই। এটি অনেকটা এমটিভির এক অনুষ্ঠানের মত। ৪৫ মিনিটের এই অনুষ্ঠানে ২০ মিনিট বিজ্ঞাপন এবং ২০ মিনিট ধরে এমটিভির গানের ভিডিও দেখতে হয়: ডি; শেষ ৫ মিনিট এখানে কেমন আছেন বলে সবাইকে বিদায় জানানো হয়, এই সাথে বলা হয়, “যৌনতা খারাপ নয়, যৌনতা ভালো”:ডি

লিসোহটোটা এমনকি এই অনুষ্ঠান নিয়ে এক অনলাইন জরিপ পরিচালনা করেছেন। এই জরীপে প্রশ্ন করা হয়েছিল, “কখন সোহরেনার সাথে এক রাত” অনুষ্ঠান বাতিল করা হবে?

poll

[১. এক মাসের মধ্যে অথবা আরও আগে (৪০ শতাংশ ব্যক্তি এক‌ই মত পোষণ করেন); ২) কয়েক মাস পরে (২৮ শতাংশ ব্যক্তি একই মত পোষন করেন); এই অনুষ্ঠান আদৌ বাতিল হবে না (৩১ শতাংশ ব্যক্তি একই মত পোষণ করেন)।]

আরেকজন ব্লগার গিয়র্গি বেনাসভিলি বিস্মিত যে, এই অনুষ্ঠানের বিরুদ্ধে লোকজন তেমন শক্তিশালী ভাবে প্রতিক্রিয়া দেখায় নি। বিশেষ করে লেখক এবং এই অনুষ্ঠানের পরিচালক এর বিরুদ্ধে কিছু দুর্নাম আশা করেছিল।

“আজ, ২০০৯ সালে, টেলিভিশনের মাধ্যমে যৌন শিক্ষা দেওয়া তেমন আর প্রাসঙ্গিক বিষয় নয়- এভাবেই এই অনুষ্ঠান সম্পর্কে উপসংহার টানা হয়, কারণ যে ভাবে নিরবতার মাধ্যমে এই অনুষ্ঠানকে সংবর্ধনা জানানো হয়েছে, তা এর লেখক বা আমার কাছে আশাপ্রদ বলে মনে হয়নি। যদি এই অনুষ্ঠানটি ২০০১ সালে তৈরি করা হত, তা হলে আমি কল্পনা করি এর প্রভাব বর্তমানে যেমনটা পড়েছে তার বিপরীত হত”।

বাস্তবতা হচ্ছে এই অনুষ্ঠান সম্বন্ধে তেমন প্রতিকূল প্রতিক্রিয়া না থাকা, অনেকের মনে ধারণা দেয় যে সমাজ বা অন্তত অনলাইন সমাজ এই ধরনের অনুষ্ঠান গ্রহণে তৈরি। ব্লগের অনেক পোস্ট এবং ফোরামে এমনকি এই অভিযোগ করা হয়েছে যে, এই অনুষ্ঠানে যথেষ্ট পরিমাণ তথ্য থাকে না, যেমন একটি মন্তব্যে অভিযোগ করা হয়েছে

გოგო კარგია უდაოდ. ყველაფერი ისე იყო როგორც ჩვენს ცხოვრებაში, გამომწვევი ფასადით შეფუთული ფრიგიდულობა. სექსი დარჩა ოცნებად 😀 😀

নিশ্চিতভাবে বলা যায় মেয়েটা সুন্দর, সকলকিছু [অনুষ্ঠান-ডি।] আমাদের জীবনের মত-শীতলতা মুড়ে দেওয়া হয়েছে এক অসংযত চাদরে। যৌনতা আমাদের এক স্বপ্নের কথা স্মরণ করিয়ে দেয় :ডি :ডি

সম্ভবত এই টেলিভিশন অনুষ্ঠান এক যৌন বিপ্লব ঘটিয়ে দেবার আশা করেছিল, কিন্তু তা করতে ব্যর্থ হয়েছে, কারণ জর্জিয়া ইতোমধ্যে “সোভিয়েত ইউনিয়নে কোন যৌন বিষয় থাকবে না” জাতীয় মানসিকতা থেকে বের হয়ে আসতে পেরেছে। এই বিষয়টি এ দেশে আর নিষিদ্ধ কোন বিষয় নয় এবং হয়তো ইতোমধ্যে এক যৌন বিপ্লব ঘটে গেছে, যদিও এক মসৃণ বিপ্লব।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .