বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র: সঙ্গীত রচয়িতা লুইস ‘টেরর’ ডিয়াসকে বিদায়

ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্রবাসীরা বিদায় জানিয়েছে কম্পোজার (সঙ্গীত রচয়িতা) আর বাদ্যকার লুইস ‘টেরর’ ডিয়াসকে, যিনি সান্তো ডোমিঙ্গোতে ৮ই ডিসেম্বর হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে আর কিডনির জটিলতার কারনে মারা যান, এজেন্সিয়া এফে অনুসারে। নতুন প্রজন্মের কাছে সম্ভবত ডিয়াস খুব পরিচিত নাম হবে না, বিশেষ করে প্রজাতন্ত্রের বাইরে, যেখানে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তবে, ৭০ এর দশকের বিপ্লবী তরুণরা তার গানের উত্থান দেখেছেন: যা হচ্ছে ডোমেনিকান মানুষের নিয়ম আর মনস্তত্ত্বের সহজ বিবরন।

ছবি রেনাল্ডো ব্রিতোর সৌজন্যে, অনুমতিক্রমে ব্যবহৃত

ছবি রেনাল্ডো ব্রিতোর সৌজন্যে, অনুমতিক্রমে ব্যবহৃত

ডাকনাম ‘টেরর’ তার ক্ষমতার প্রতি ইঙ্গিত দিত যে তিনি জোরালো ভাবে বিভিন্ন ধরনের সুর, রক আর মেটাল থেকে মেরেঙ্গু আর ডোমিনিকান আদি গান মিশ্রণ করতেন, তার সঙ্গীতের জ্ঞান অনুসারে। তার গানের কথা, যা হৃদয় নিংড়ানো প্রকৃতির, ৭০ এর দশকের যুদ্ধ আর সংগ্রামের প্রতীক হিসেবে আবির্ভূত হয়, আর এটার প্রভাব আন্তর্জাতিক ভাবে অনুভূত হয়।

‘ওব্রেরো, তোমা মি মানো’ গানটা ডিয়াস ১৯৭৪ সালে লিখেছিলেন, যেটা বিভিন্ন বিপ্লবী সঙ্গীত দল রেকর্ড করেন যেমন লোস গুয়ারাগুয়াও (ভেনেজুয়েলা) আর এক্সপ্রেশন জোভেন (ডোমেনিকান প্রজাতন্ত্র)। একই বছর এই গান পরিবেশিত হয় ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্রে উদযাপিত “সিয়েট ডিয়াস কোন এল পুব্লো’ উৎসবে যেখানে জাতীয় আর আন্তর্জাতিক শিল্পী যেমন মার্সিডিজ সোসা, লুসেসিতা বেনিটেজ, ড্যানি রিভেরা, সিল্ভিও রড্রিগেজ আর ভিক্টর ম্যানুয়াল ও আনা বেলেন জুটি পরিবেশন করেন।

৭০ এর দশকের পরে ডিয়াস আবার সুরের উপরে গুরুত্ব আরোপ করেন। ১৯৮৩ সালে তিনি সেই গান লেখেন যেটা তাকে ডোমিনিকান কার্নিভ্যালের প্রতীকে পরিণত করে: কারনিভ্যাল (বাইলা এ লা চালেস), একটি জনপ্রিয় সৃষ্টি যেটা শাকিরার হিট গান ‘হিপ্স ডন্ট লাই’ এর কোরাসে ব্যবহৃত হয়েছে।

তার সঙ্গীতের একটা উদাহরণ ২০০৬ সালের কনসার্ট ‘লাস ভাম্পাইরাস’, ইউটিউব ব্যবহারকারী লিবেরাস এর সৌজন্যে:

তিনি রেখে গেছেন ৭০০টিরও বেশী সুর, যা জুয়ান লুইস গুয়েরা আর ফার্নান্দো ভিল্লালোনার মত নামি দামী শিল্পীর উপরে প্রভাব রেখেছে। একই সাথে তিনি অবদান রেখেছেন ডোমিনিকান রক সঙ্গীতেও, যার প্রতিষ্ঠাতা পিতা হিসেবে তিনি পরিচিত।

ব্লগার পেদ্রো জেনারো অনেক ডোমেনিকানের অনুভূতি জানিয়েছেন:

Parafraseando la canción de Liborio del propio Luis Días (Luis Díaz Portorreal), el Terror sigue vivo, seguirá vivo porque su legado es enorme y de una calidad incuestionable. Igual que él, estoy en negación…el Terror sigue Vivo!

লুইস ডিয়াসের (লুইস ডিয়াজ পোর্তোরিয়াল) এর ‘লিবোরিও’ গানটার কথা তুলে ধরে, টেরর এখনো বেঁচে আছেন, তিনি বেঁচে থাকবেন তার বিশাল প্রশ্নাতীত উত্তরাধিকারের জন্য। তার মতো আমিও অস্বীকার করতে চাচ্ছি…টেরর এখনো বেঁচে আছেন!

‘টেররের’ গানে ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্রের উজ্জ্বল উপস্থিতির কথা উল্লেখ করেন ভিক্টর ম্যানুয়েল:

Los isabelinos tuvieron la oportunidad en una ocasión de verle en persona, pero mas lejos llego una composición suya que hablaba de una belleza única en nuestras costas “La Ensenada”, en el tema Marola interpretado por Sergio Vargas.

ভিলা ইসাবেলার মানুষের সুযোগ হয় একবার তার বাজনা সামনে থেকে শোনার, কিন্তু আরো চমৎকার আমাদের সমুদ্রতীরের সৌন্দর্য নিয়ে রচনা করা তার একটা সুর ‘লা এন্সেনাদা’, যা সার্গিও ভার্গাসের গান মারোলাতে আছে।

ইউটিউব ব্যবহারকারী অটোনিকোলাস জোস ডুলাসের একটি ভিডিও তুলে ধরেছেন (যিনি ডিয়াসের সাথে ট্রান্সপোর্টে উরবানো রক ব্যান্ডে বাজাতেন) যেখানে তিনি তার বন্ধুকে শেষ শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন সঙ্গীত দিয়ে:

দুয়ার্তে ১০১ ব্লগে ফেসবুক আর টুইটারে পাওয়া যাওয়া নেটিজেনদের প্রতিক্রিয়াগুলো দেখা যাবে।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .