বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

ইজরায়েল: খাবারের প্রতি ভালোবাসার জন্য

যখন ইহুদীদের ধর্মীয় উৎসব ‘হাই হলিডে’ কাছে চলে আসে, তখন সব ইহুদীদের মনে খাবারের বিষয়টি চলে আসে। ইহুদী ব্লগ জগৎ এখন এই জমকালো রান্না, খাবারের বৈশিষ্ট্য ও পরিচয় এবং ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক ভাবে প্রিয় রান্না করা খাবারের স্বাদ গ্রহণ করার অপেক্ষায় রয়েছে।

বেনজি লোভিটের ব্লগের নাম হোয়াট ওয়ার জোন???। তিনি বেশ লোভনীয় ভাবে ইজরায়েলী খাবারের কথা বর্ণনা করেছেন এবং সম্প্রতি তার জন্মভূমি আমেরিকা ভ্রমণের সময় আমেরিকার জঘন্য খাবার খেয়ে জেগে উঠেছেন:

আমি ইজরায়েলী খাবার পছন্দ করি। তা ভালবাসি। এটা স্বাস্থ্যকর। এটা সুস্বাদু এবং আমি কি সব্জীর কথা উল্লেখ করেছি – পবিত্র ফালাফেল এর গোল টুকরো? আমি আমেরিকায় থাকার সময় তা এত বেশী খেয়েছি যে শেষে আমরা পেটে সমস্যা দেখা দিল। সে সময় আমি অন্য যে কোন খাবার শেষ করার পর এর সাথে এই খাবার খেয়েছি এক অনুতাপের সাথে (ওহ আমি কি করেছি???) এবং শেষে বিপদে পড়েছি (উহুহহহহহহহহহওহোহহহহহহ) (পেটে ব্যথায় পেটে হাত রেখেছি)…. আমি আর কখনই এমন করব না”)।

আই গুগলড ইজারায়েল, ব্লগ এ্যাশলি লোভিট এর কথোপকথন এক ব্লগ পোস্টে একত্র করেছে, যার শিরোনাম, “ফালাফেল: উপাখ্যান, অতি কথন… চিকপিজ নামের খাবার”

“]

[ছবি: আই গুগলড ইজরায়েলের সৌজন্যে]

ফালাফেল বিষয়ে তিনি মতামত দিচ্ছেন:

যদি তা এরকম শোনায় না, বা তার মতো মনে হয় না, কিন্তু ইজরায়েলীরা যদি তাদের জাতীয় খাবার হিসেবে কাউকে গ্রহণ করত তাহলে তা হত ফালাফেল। মাছ ও চিপস বা ছোট ভিন্ন খাবার মিশিয়ে বানানো ভূমধ্যসাগরীয় স্বাদ, যা মধ্যপ্রাচ্যে টাপাস নামে পরিচিত।

এর সাথে উপহার হিসেবে তিনি আমাদের ধারণা দিয়েছেন, কোথায় ফালাফেল পাওয়া যাবে এবং যখন সেখান যাবেন কি ভাবে তা খাবেন। এ্যশলি এই খাবার কি ভাবে বিভিন্ন সীমানা পেরিয়ে ইজারায়েলে এল তা জানাচ্ছেন।

তিনি ব্যাখা করেছেন:

যদিও ইজরায়েলের সাথে তার এক শক্তিশালী সম্পর্ক রয়েছে, তবে ফালাফেল আদতে এসেছে মিশর থেকে। প্রথমে তা ফাবা নামের এক জাতীয় সীম দিয়ে বানানো হত। এর ইতিহাসের শিকড় খুঁজে পাওয়া যেতে পারে কপ্ট নামের খ্রীষ্টান সম্প্রদায়ের মধ্যে। মিশরে তাদের বিশেষ ধর্মীয় ছুটির দিনে মাংস খাওয়া নিষেধ। এ কারণে তারা ফালাফেল নামের বিকল্প খাবার খেত।

ফালাফেল মুলত রাস্তার খাবার থেকে সর্বত্র এক জাতীয় খাবারের প্রতীকে পরিণত হয়েছে।

কিন্তু মনে হয় আমরা আমাদের নিজেদের ছাড়িয়ে যাচ্ছি। জিউমিনিয়াকানের আলিজা হাউসম্যান আমাদের থামতে বলছেন এবং তিনি আমাদের অবস্থান যা তার উপর এক প্রতিফলন তৈরি করেছেন। যখন আমরা “ইহুদী খাবার” নিয়ে কথা বলি তখন স্বভাবত:ই প্রশ্ন জাগে কাদের এবং কি ধরনের খাবারের কথা আমরা বলছি।

ভদ্রমহিলা জানাচ্ছেন:

এখন আমরা “ইহুদী খাবার” নিয়ে অনেক কথা শুনেছি। এই কথাটি মনে হচ্ছে সবার মুখে মুখে উচ্চারিত হচ্ছে। এই কথাটি আমাকে অস্বস্তিতে ফেলে, কারণ ওই ইহুদী খাবার। আমি খেয়াল করেছি, যেন মনে হচ্ছে তারা কেবল আশহকেনাজি খাবার নিয়ে কথা বলছে (পূর্ব ইউরোপের খাবার)।

হাউসম্যান তার এক বন্ধুর সাথে আলাপচারিতা তুলে ধরেছেন:

যখন আমি একজন আশহকেনাজি ইহুদীকে, ইহুদী খাবার ও পূর্ব ইউরোপের খাবারের মধ্যে তুলনার বিষয়টি জিজ্ঞাসা করলাম, সে বলল, আমি মনে করি এটা অনেক ছড়িয়ে পড়া এক ঘটনা.. যেখানে পূর্ব ইউরোপের সকল কিছুর সাথে ইহুদীদের যুক্ত করা হয়.. এমনকি হালাচা (ইহুদী আইন), মিনহাগিম (প্রথা), প্রার্থনা… ইত্যাদি….”

বন্ধুটি যোগ করেন, যদিও আমি এই বিষয়ে এ কথা বলবো যে, এই বিষয়টি বিশ্বের সবচেয়ে খারাপ জিনিষ। এটা আহত করে এবং এটি লোকজনকে তাদের নিজেদের পেছনের ঘটনা ও বর্ণনা সম্বন্ধে সন্দেহ তৈরি করে, যা মোটেও ভালো নয়… এবং ইহুদীদের বৃহত্তর ভাবে একক জাতি হিসেবে দেখার প্রবলতা সৃষ্টি করে।

যদি আপনি ইহুদী খাদ্যে এবং বিভিন্ন অঞ্চলের সংস্কৃতি সম্বন্ধে জানতে চান, তাহলে উইকিপিডিয়ার “জিউইশ কুজিন” বা “ইহুদী খাবার” প্রবন্ধটি পড়তে পারেন, হয়তো সেটি আপনার কৌতূহল মেটাতে পারে।

যদি আপনি এখনো ক্ষুধার্ত থাকেন, তাহলে কালেকটিভ থটস অফ এ জিনরড লিফ এই জিভে পানি আনা ছবি, আপনার জন্য রেখে গেছে, যার নাম তেল আভিভের সকালের নাস্তা

image-upload-133-725148

ইজরায়েলে আমরা যা বলে থাকি, “বেটায়াভোন! তোমার খাবার উপভোগ কর।

1 টি মন্তব্য

আলোচনায় যোগ দিন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .