বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

মিশর: “অভ্যুত্থান এর সাতান্ন বছর পরেও আমরা এখনো বুঝতে পারছি না”

বিপ্লবের ৫৭ তম বাষির্কিতে, মিশরীয়রা এখনো মূল্যায়ন আর বিতর্ক করছেন যে কিভাবে সেনা অভ্যুত্থান এর মাধ্যমে শুরু হওয়া এই ঐতিহাসিক ঘটনা তাদের আর ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জীবনে পরিবর্তন এনেছে। আজ পর্যন্ত, ব্লগাররা আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন বিপ্লবের ভালো মন্দ দিক নির্দিষ্ট করার জন্য, আর মুক্ত অফিসারদের সিদ্ধান্ত নিয়েও, যারা এই অভ্যুত্থান পরিচালনা করেছিলেন মিশরকে সাংবিধানিক রাজতন্ত্র থেকে প্রজাতন্ত্রে পরিণত করতে।

এই দিন উদযাপনের লক্ষ্যে, জেইনোবিয়া সিদ্ধান্ত নেন ভালো মন্দ উভয় দিক উল্লেখ করে মিশরের প্রথম প্রেসিডেন্ট মোহাম্মেদ নাগিবকে যথাযথ সম্মান জানাতে।

তার ব্লগে, তিনি নাগিবের দুষ্প্রাপ্য এক ছবি পোস্ট করে লিখেছেন:

এই দিনে আমি এই মানসিকতা উদযাপন করতে চাই, মোহাম্মাদ নাগিব অভ্যুত্থানের নীতিতে বিশ্বাস করেছিলেন।

তিনি আরো বলেছেন:

প্রেসিডেন্ট নাগিব এখনো এই দেশ থেকে তার প্রাপ্য পাননি, আমি এখনি ভাবি যে তার পরিবার কি ভূতপূর্ব প্রেসিডেন্টের পরিবার হিসাবে আল-সাদাতের পরিবার যে পেনশন পান সেটাই পান কিনা!! মোবারক মোহাম্মাদ নাগিবকে মিশরের প্রথম প্রেসিডেন্ট হিসাবে স্বীকৃতি দেন যা তাকে নাসের আর সাদাতের সমকক্ষ করে আর তাই তার পরিবারের অন্যান্য প্রথম পরিবারের সমান সুবিধা পাওয়া উচিত।

তিনি তার পোস্ট শেষ করেছেন এই বলে:

আমাদের উচিৎ প্রেসিডেন্ট নাগিব আর তার পরিবারের অধিকার স্বীকার করা যিনি অনেক কষ্ট ভোগ করেছেন নিজেকে বিপদের সম্মুখীন করে ওই সেনা অফিসারদের নেতৃত্ব দেয়ার কারনে।

আহমেদ এল মিলিগি বিভ্রান্ত হয়েছেন আর একমত হতে পারেননি যে এই বিপ্লব মিশরের জন্য ভালো না খারাপ ফল এনেছে। তার পোস্টে তিনি বলেছেন:

مرة اخري تعترض ثورة 23 يوليو افكاري فليس هناك حدث في التاريخ المصري المعاصر او القديم يجعلك غير قادر علي تكوين رأي ثابت علية سواء بالتأييد او المعارضة مثل ثورة 23 يوليو .. بالطبع هي شىء جيد بل هي كحدث شىء رائع لمصر و للمصريين و لكن كتطبيق فيوجد الف علامة استفهام عليها الامر الذى دفعني مرة اخر ان اعيد النظر في اهم انجازات الثورة و هل كانت هي في صالح مصر و المصرين ام انها خدمت اغراض و مصالح شخصية مرة اخري كعهد الملكية

আবারো ২৩শে জুলাই এর বিপ্লব আমাকে বিভ্রান্ত করছে। মিশরের সমসাময়িক বা আগের ইতিহাসের এমন কোন ঘটনা নেই যা আমাদেরকে অপারগ করে এই সিদ্ধান্ত নিতে যে আপনি এটার পক্ষে না বিপক্ষে। এটা অবশ্য মিশর আর মিশরীয়দের জন্য ঐতিহাসিক ঘটনা হিসাবে ভালো কিন্তু এটার কাজে পরিণত করার সময় হলে হাজারটা প্রশ্নবোধক চিহ্ন ওঠে। এর ফলে এই বিপ্লবের মূল প্রাপ্তি সম্পর্কে আমার অবস্থান পুনরায় চিন্তা করতে আমি বাধ্য হয়েছি আর এটা কি মিশর আর মিশরীয়দের নাকি ব্যক্তিস্বার্থকে উপকার করেছে, যেটা রাজকীয় সময় ছিল।

গামাল আব্দেল নাসের আর মুক্ত অফিসারদের বিরুদ্ধে একটা পোস্ট লিখেছেন ডেজার্ট ক্যাট। তিনি বিপ্লবের মূল লক্ষ্য নিয়ে কথা বলেছেন আর কতটা এটা পাল্টিয়ে গেছে:

ندور على اهداف الثورة واللى اولها كان القضاء على الفساد .. وبعد ما كان فساد عائلة واحدة بقى فساد عوائل وعائلات وعيالهم كمان وان كان عاجب .. ومن اكبر انجازات المقبور ناصر تبديد اموال مصر فى الحروب من 48 لليمن لوكسة 67 ، بعد ما كان الجنية المصرى يساوى 4 دولار اصبح الجنيه المصرى اقل من الجنية السودانى .. ومن القطن المصرى طويل التيلة للقطن اللى اكله الدود لحد لا بقى فى قطن ولا حتى تيله .. وطبعا مقدرش انكر اعظم انجاز تغيير العلم من اللون الاخضر للثلاث الوان اللى تفتح النفس .. وهنيئاً لمصر باللون الاحمر بس ياريت حد يتكرم ويشيل النسر من فوق العلم اصل اللى حطه السادات وسيادته كان فى السينما وقت الانقلاب

বিপ্লবের লক্ষ্যের দিকে দেখলে আমরা দেখি যে প্রথমটি ছিল দূর্নীতি দূর করা… আর একটা পরিবারের দূর্নীতির শিকার হওয়ার পরে আমরা এখন অনেক পরিবার আর তাদের সন্তানদের দূর্নীতির শিকার হচ্ছি। নাসেরের একটা বড় প্রাপ্তি হলো মিশরের অর্থাগার যুদ্ধে খরচ করা – ৪৮ এর যুদ্ধ দিয়ে শুরু করে ৬৭ এর টায় সমস্ত শেষ করা। মিশরীয় পাউন্ডের মূল্য সুদানের পাউন্ডের থেকে এখন কম, এক সময় ৪ ডলার মূল্য ছিল। তুলার উৎপাদনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, দীর্ঘমেয়াদী তুলা উৎপাদনের পরে আমরা পোকায় ক্ষতিগ্রস্থ তুলা উৎপাদন করেছি তার পরে একেবারে বন্ধ। আর অবশ্য, আমি তার সব থেকে বড় প্রাপ্তি ভুলতে পারিনা, পতাকাকে সবুজ থেকে তিন রঙের করা যা আমাজে জীবনের দিকে তাকাতে উৎসাহিত করে… মিশরকে পতাকার লাল রঙের জন্য অভিনন্দন আর আমি আশা করি কেউ ঈগলটাকে সরাবে, কারন এই ঈগল সাদাত যোগ করেছিলেন, যিনি বিপ্লবের সময়ে চলচ্চিত্রে ছিলেন।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .