বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

রাশিয়া, আমেরিকা: সংবাদপত্রে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী গৃহহীনদের নিয়ে রিপোর্টের উপর প্রতিক্রিয়া

এই মাসের প্রথম দিকে, রাশিয়ার সামাজিক নেটওয়ার্কিং পোর্টাল হাব্রাহাব্র.রু ৩০শে মেতে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে প্রকাশিত আমেরিকার গৃহহীনদের অনলাইন অস্তিত্ব নিয়ে একটি রিপোর্ট তুলে ধরেছে। রাস্তা আর ফেসবুকে: গৃহহীনরা অনলাইনে যুক্ত এই শিরোনামে রিপোর্টটির ভাষান্তর আর কিছু ছবি প্রকাশিত হয়েছে

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের মূল ইংরেজী ভাষার পোস্টটি ৯৩টি মন্তব্য পেয়েছেহাব্রাহাব্র.রু তে, বর্তমানে ১৮৩টি মন্তব্য জমা পড়েছে – আর নীচে তার কয়েকটি তুলে ধরা হলো:

কাকাইন্স:

বাহ!!! ০_০

এখানে আপনি ভিক্ষুক পাবেন না ল্যাপটপসহ।

ইসনোটমি:

এখানে যদি একজনকে পাওয়াও যায়, আপনি ভাববেননা যে সে এটা (ল্যাপটপ) কিনেছে।

উনেচকা:

এখানে একজন ভিক্ষুক তার ল্যাপটপের জন্য খুন হবেন। আর খুব সম্ভবত, আইন প্রয়োগকারী লোকের হাতে।

সিগার্ড:

এখানে একজন সাধারণ মানুষ যদি তার ল্যাপটপ নিয়ে রাস্তায় বেরোয় তাহলে বেশীক্ষণ টিকে থাকতে পারবে না…

ক্রেজিসিমেন্স:

এখানে ম্যাকিন্টোশ নিয়ে একজন সাধারন মানুষও প্রায় দেখা যায়না।

জেজে:

এটা যদি পহেলা এপ্রিল হতো, তাও আমি এটা বিশ্বাস করতাম না। কিন্তু আমরা তো দেখা যাচ্ছে আমেরিকার ভিক্ষুকের থেকেও অনেক গরিব।

ডাইমডাইম:

এগুলো একক ঘটনা। ভিক্ষুকদের মধ্যে নানা ধরনের চালাক লোকও আছে। একজন তো চলচ্চিত্র বানাচ্ছে আর উৎসবে পুরষ্কারও পাচ্ছে। কিন্তু বেশীরভাগ মদ্যপ।

আর পি:

এখানে কিছু ছাত্রও ল্যাপটপ কিনতে পারে না। এটা আমাকে দু:খিত করছে।

ইন্সকিন:

কিছু পার্থক্য আছে- আমি যতদূর জানি, ক্যালিফোর্নিয়াতে সারা বছর গ্রীষ্মকাল। আর অনেক খোলা আর বিনামূল্যে ওয়াইফাইও আছে, আমার মনে হয়। এখানে [সেন্ট পিটার্সবার্গ] আপনি যদি গৃহহীন হন, তাহলে বছরের নয় মাস ল্যাপটপ আর ইন্টারনেট সব থেকে কম আপনার চিন্তার বিষয় হবে।

পেট্রুচা:

এখানে ভদকা সব থেকে ভালো ল্যাপটপ।

হাইপারকম:

ওখানে, ভিক্ষুকরা ইন্টারনেট ছাড়া বাঁচতে পারেনা, যখন এখানে শিক্ষিত আর চাকরি থাকা মানুষেরও কোন ধারনা নেই যে ইন্টারনেট কোন কাজে লাগে। এই পার্থক্য আরো বেশী বিচলিত করার মতো সামর্থের ব্যবধান থেকেও।

বিগ_জাম্প:

কিছু মানুষ বুঝতে পারেনা যে কম্পিউটারের প্রয়োজন কি, আর ইন্টারনেট তাদের জন্য একেবারেই আলাদা দিক।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .