বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

ইন্দোনেশিয়া: অভিযোগ করার পরিণাম জেল

দুই বাচ্চার মা প্রিতা মুল্যাসারিকে নিয়ে সাম্প্রতিক ঘটনাবলী বর্তমানে ইন্দোনেশিয়ার ব্লগারদের মধ্যকার মূল আলোচ্য বিষয়। তিনি অনলাইনে একটি অভিযোগ পত্র লেখেন জাকার্তার শহরতলি এলাকা তাঙ্গেরাং এর একটি প্রাইভেট হাসপাতালের বিরুদ্ধে। আর এখন তিনি অভিযুক্ত তথ্য ও ইলেক্ট্রনিক ট্রানজাকশন আইন (ইউইউ আইটিই) এর ২৭ নং অধ্যায়ের ৩ নং পঙ্কতির লঙ্ঘণের জন্য।

প্রিতা হাসপাতালে তার সাথে খারাপ ব্যবহারের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন একটা মেইলিং লিস্টে। হাসপাতাল এ জন্যে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়। এই অনলাইন অভিযোগের ফলে ছয় বছরের জেল আর সর্বোচ্চ ১ বিলিয়ন রুপিয়া (প্রায় আমেরিকান ডলার ৯৮,০০০) জরিমানা দিতে হতে পারে।

এরুইন মুলিয়াদি তার ব্লগে মতামত দিয়েছেন:

Seakan kembali ke masa lalu, kebebasan berbicara bakal kembali jadi hal yang mewah di negeri ini. Salah-salah, apa yang kita bahas di internet bisa dijerat dengan pasal ‘pencemaran nama baik’ pada UU Informasi dan Transaksi Elektronik (ITE).

[…]

Peristiwa ini lantas menimbulkan keprihatinan bagi saya, yang mengharapkan bahwa pelayanan apapun (termasuk rumah sakit) harus berorientasi pada kepuasan konsumen. Bahwa saat kritik disampaikan (entah dengan redaksional yang subjektif, gaya bahasa yang emosional dan tidak mengikuti kaidah bahsa hukum yang aman) lantas berbuah penjara, tentu membuat keprihatinan kita semua yang terbiasa menulis di ranah maya ini, termasuk para blogger yang menjadi komunitas jurnalis citizen yang paham benar istilah ‘kebebasan berbicara’. Oke taruhlah apa yang ditulis oleh Prita memang dianggap tidak benar dan penuh kebohongan, apakah reaksi ‘balasan’ melalui gugatan ini tidak terlalu berlebihan? Bisa dibayangkan efek psikologis dari peristiwa ini terhadap para penulis yang selama ini kritis dalam ‘meluruskan yang bengkok’ dan bisa dibayangkan betapa mudahnya tiap kritikan akan digugat dengan tuduhan : ‘pencemaran nama baik’

মনে হচ্ছে যেন অতীতে ফিরে যাওয়া, দেশে কথা বলার স্বাধীনতা শীঘ্রই একটা বিলাসিতায় পরিণত হবে। একটা ভুল পদক্ষেপ দিলেই আমরা ‘মানহানি’ অধ্যায়ের জালে জড়িয়ে যাব আইটিই আইন অনুসারে যা আমরা ইন্টারনেটে বলে থাকি এমন জিনিশের জন্য।

এই দুঃখজনক ঘটনা আমাকে পিড়িত করেছে; আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি যে যেকোন ধরনের সার্ভিস (হাসপাতালসহ) এর লক্ষ্য থাকা উচিত গ্রাহকদের সন্তুষ্টি। সকল সমালোচোনা (তা বস্তুনিষ্টভাবে দেয়া হোক বা রাগের বশে লেখা হোক, যার ফলে সেটা লেখার শালিনতার নিয়ম মেনে চলেনি) যার ফলে লেখককে জেলে দেয়া হলো তা আমাদেরকে অবশ্যই দুঃখিত করে, যে প্রায় ভার্চুয়াল পৃথিবীতে লেখেন আর ব্লগার যাদেরকে নাগরিক সাংবাদিক বিবেচনা করা হয় যারা ‘বাক স্বাধীনতার’ ব্যাপারে খুবই সজাগ। বলা যাক যে প্রিতা, যার কথা বলা হচ্ছে যে সে মিথ্যা বলছে, আপনি কি মনে করেন না যে (আইনি) সাড়াটা বেশী হয়েছে? আমরা সবাই কল্পনা করতে পারি এর মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব সেই সব লেখকের উপরে যারা ‘ জিনিষ ঠিক করার’ ব্যাপারে দেঢ় আর আমরা কল্পনা করতে পারি যে কতো সহজে সমালোচোনাকে ‘ মানহানি’র নাম দেয়া যায়।

ডেইলি সোস্যাল নেটওয়ার্ক (দৈনিক সামাজিক নেটওয়ার্কের) একটা পোস্টে বলা হয়েছে:

Sangat disayangkan memang ketika anda mengajukan keluhan di internet, ternyata justru berakhir di penjara. Sedangkan kalau dipikir-pikir di koran-koran terkemuka hampir setiap hari ada saja keluhan terhadap perusahaan ini dan itu dan belum pernah saya dengar ada yang dipenjara karenanya. Mungkin sebaiknya kita lebih baik mengeluh di koran daripada lewat online? Memang sih ada juga kasus penulis surat pembaca yang dipenjara, namun yang ternyata keluhan tersebut diforward dari internet (anonim).

Fakta yang menarik bagaimana orang Indonesia tidak mampu menerima kritik bahkan dari pengguna yang katanya adalah raja. Apapun keluhan anda terhadap instansi apapun, silahkan keluhkan langsung di koran saja dan jangan melalui media online. Keluhan di koran pasti diperhatikan dan dicarikan solusi, keluhan via online akan membawa anda ke penjara.

Apakah ini namanya kebebasan berekspresi? Demokrasi? Sungguh menyedihkan.

এটা অবশ্যই দুঃখজনক যে কেউ ইন্টারনেটে অভিযোগ করছে, আর জেলে পৌঁছে যাচ্ছে। এক দিকে যখন আমরা দেখি যে কলাম ভরা জনগণের অভিযোগ কোম্পানির বিরুদ্ধে, কিন্তু কাউকে গ্রেপ্তার হতে শুনিনি (তার অভিযোগ পত্র সংবাদপত্রে ছাপানো হলেও)। হয়তোবা আমাদের সংবাদপত্রে অভিযোগ করা উচিত অনলাইনে না করে? একজন অভিযোগকারী পত্রলেখকের জেল অবশ্য হয়েছিল, কিন্তু আমরা এটা আসলে পড়ার পরে দেখলাম যে অভিযোগ প্রথমে অনলাইনে করা হয়েছিল (বেনামে)। এটা একটা মজার ব্যাপার যা দেখাচ্ছে যে ইন্দোনেশিয়াবাসী সমালোচোনা সহ্য করতে পারেনা, এমন কি গ্রাহকদের কাছ থেকে যাদেরকে রাজা মানা হয়। যদি আপনার কোন অভিযোগ থাকে, তাহলে সেটা সরাসরি সংবাদপত্রে ছাপান, ইন্টারনেটে যাবেন না। আপনার ছাপানো অভিযোগ দৃষ্টি আকর্ষণ করবে, এমনকি সমাধান, আর অনলাইনটা জেলে।

এটা কি প্রকাশের স্বাধীনতা? গণতন্ত্র? কি দু:খজনক।

মানবাধিকার কমিশনের (কোম্নাস হাম) অফিসার বলেছেন যে আদালত বেশী প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে একটা আইটি আইন ব্যবহার করে একজন গ্রাহককে মামলা করে। কমিশন আরো বলেছে যে তারা প্রস্তুত আছে ক্ষতিগ্রস্তের পরিবারকে বিচারে সাহায্য করতে।

ইতোমধ্যে ইন্দোনেশিয়ার ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা পাবলিক এডভোকেসিকে দেশের নতুন প্রিয় নেটওয়ার্কিং সাইট ফেসবুকে নিয়ে গেছেন।

এই কেস সবার দৃষ্টির সামনে আসে যখন ইন্দোনেশিয়ার সুপ্রিম আদালত আইটিইর পুনর্বিবেচনার দাবি খারিজ করে দেয়।

প্রিতার বিচারের আর একটা সেশন সামনের সপ্তাহে ঠিক করা হয়েছে।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .