বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

কাজাখস্তান: কাজাখ ব্লগাররা অনলাইন সেন্সরশীপের বিরুদ্ধে

গত সপ্তাহে কাজাখ ইন্টারনেট সংশোধনী আইন সংসদে পাঠানো হয়েছে। আর এতে কাজাখ ভাষী ব্লগার কর্মীরা জেগে উঠেছে। কাজাখ ভাষায় লেখা বেশ কিছু পোস্ট ভবিষ্যতে এই খসড়া আইন কাজাখ ইন্টারনেট সার্ভিসের উপর কি ধরনের প্রভাব ফেলবে তা বিশ্লেষন করছে। এর মধ্যে কয়েকটি পোস্ট রয়েছে যা তীব্র সমালোচনায় পরিপুর্ণ, তবে অন্যরা এই আইনের আগমনে তেমন বিস্মিত নয়।

জনারবেক মাতাই জনপ্রিয় কাজাখ ওয়েবসাইট মাসাগান.কম এর প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে অন্যতম। তিনি একমত যে সরকার অবশ্যই কাজনেটকে আইনের মধ্যে আনবে, কিন্ত তিনি বিশ্বাস করেন খসড়া আইন তাড়াহুড়ো করে করা এক পরিকল্পনা (কাজাখ ভাষায়):

“আমি ঠিক এই আইনটি আশা করি নি। এটি ব্লগ অথবা কোনা ওয়েব সাইটে এর জন্য বাধা, এমনকি যদি তারা একটা শব্দও ভুলভাবে লেখে। আমার সন্দেহ রয়েছে এটি আসলেই কোন বিপদজনক সাইটকে নিষিদ্ধ করতে করতে সক্ষম হবে কিনা। আমাদের এমন আইন দরকার যা অশ্লীল এবং নকল বা পাইরেসি সাইটকে ছেঁকে ফেলবে।

“তারা একটা বুলেটেই একটা ব্লগকে হত্যা করবে”, বলেছেন উরিমিতাল এবং সিম্বাট (কাজাখ ভাষায়):

“আমি এটাই আশা করেছি… ব্লগাররা কি বলছে যে ইন্টারনেট আইনের দরকার রয়েছে? তারা বলছে। তাহলে ভালো, স্বপ্ন সত্য হলো…”

নারগিসা সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বেশ কয়েকজন ব্লগারের, এই খসড়া আইন সমন্ধে। বেশীর ভাগ ব্লগার বলেছেন যদি আমরা দা.কেজেড জোনকে আইনের আওতায় আনার পরিকল্পনা করি, তাহলে আমাদের সেই সমস্ত সাইটের উপর মনোযোগ দিতে হবে যারা মাত্রাতিরিক্ত প্রচারণা করে অথবা সাইটে আক্রমনাত্বক বিষয়বস্তু রাখে।

মাসাগান পোর্টালের এডমিন (সাইটের সিস্টেম রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা ব্যাক্তি) বাকিতনুর বলেন (কাজাখ ভাষায়):

“যদি তারা সত্যিই অনলাইন নিয়ন্ত্রণ করতে চায় তাহলে আমি প্রথমেই বলবে নাজি ওয়েবসাইট এবং বিদেশীদের সমন্ধে ঘৃণা ছড়ায় এ সমস্ত সাইট নিষিদ্ধ করা উচিত, যখন কাজাখ ওয়েবসাইট-এর সরকারের কাছ থেকে গোপন সমর্থন দরকার”।

দুর্ভাগ্যজনক ভাবে খসড়া আইনে এ ধরনের কিছুই নেই। ব্লগারদের মুল সচেতনতা বা লক্ষ্য ছিল ব্লগ, সোশাল নেটওয়ার্ক এবং চ্যাট যেমন গণপ্রচারণা কেন্দ্রগুলো, আর্সেনাল বলছেন (কাজাখ ভাষায়):

“সরকার এই আইনের মাধ্যমে “খারাপ” সাইটগুলোকে নিষিদ্ধ করতে চায় কৌশলী ভাষার মাধ্যমে”।

আর্সেনালের দৃষ্টিভঙ্গির সাথে আনসার একমত এবং তার সাথে যোগ করেন (কাজাখ ভাষায়):

“মজলিস-এর অনেক খারাপ চিন্তা রয়েছে, এটা অনেক ভালো যে সেখানে খুব বেশী বুদ্ধিমান লোক নেই। কি ভাবে জাতির ভাগ্যকে আমরা বিশ্বাস করতে পারবো যখন ভাগ্যনির্ধারকরা ওয়েব সাইট এবং ব্লগকে আলাদা করতে পারে না”।

মাইলজাহইন প্রফেসার তার দৃষ্টিভঙ্গি সবার সাথে ভাগাভাগি করে নিয়েছেন। তিনি বলছেন যে খসড়া আইন সম্বন্ধে যথেষ্ট তথ্যের অভাব রয়েছে।

“যদি ওয়েব সাইটের মালিক তার অনলাইন উপাদানের জন্য দায়ী থাকে এবং নিজেই আইন অনুশীলন করে তাহলে আমাদের এই সংশোধনীর দরকার নেই। কিন্তু প্রত্যেক ব্যবহারকারীর আলাদা লক্ষ্য রয়েছে”।

বরুজাহান ভবিষ্যতের উন্নয়নের কথা ভাবছে, রাষ্ট্রপতি এই আইনকে কি বাধ্যতামুলক করবে (কাজাখ ভাষায়):

“আমি মনে করি এই আইন বিরোধীদের উদ্দেশ্য করে তৈরী করা হয়েছে। সরকার কাজাখ ভাষায় কি হচ্ছে তা নিয়ে মোটেও মাথা ঘামায় না। যদি তারা তা প্রয়োগ করে, তাহলে আমি আমার ব্লগ অন.কম নিবন্ধন করবো এবং বলবো যে এটি চালায় একজন কাজাখ যে আমেরিকায় বাস করে”।

সংক্ষেপে কাজাখ ভাষী ব্লগারদের বিরোধতা এই কারনে যে খসড়া এই আইন যে কোন কারনেই যে কোন ব্লগকে নিষিদ্ধ করে দিতে পারে। সেক্ষেত্রে ব্লগারদের কোন অধিকার থাকবে না।

এই লেখাটি নিউইরোশিয়াও পোস্ট করা হয়েছে।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .