বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

অ্যাঙ্গোলা: মৎসকুমারী কিয়ান্ডা এবং অন্যান্য পৌরাণিক কাহিনী

অ্যাঙ্গোলার অনেক গল্প, উপকথা এবং পৌরাণিক চরিত্র আছে যা বিশুদ্ধ বাতাসে নিঃশ্বাস নেয়ার মত। এগুলো ছোটদের এমনকি বড়দের কল্পনাকেও পূর্ণ করে, সমৃদ্ধ করে অ্যাঙ্গোলার ইতিহাস ও সংস্কৃতিকে।

উদাহরণ স্বরূপ, কিয়ান্ডা চরিত্র টি বেশ জনপ্রিয়। জলের দেবী, যে প্রথাগতভাবে ভোট প্রদানে পূজিত হয়। অ্যাঙ্গোলার সাহিত্যে বোদ্ধাদের মধ্যে একজন, পিপেটেলা, “ও সাইলেনসিও ডা কিয়ান্ডা” [ কিয়ান্ডার নিরবতা] শীর্ষক একটি বই লিখেছেন।


“কিয়ান্ডাকে উৎসর্গ” এঁকেছেন অ্যাঙ্গোলার চিত্রশিল্পী জর্জ গুম্বে, এমন একটি ছবি যা অ্যাঙ্গোলার বহু ব্লগাররাই প্রদর্শন করেন

এ্যা ম্যাটারিয়া দো টেম্পো [সময়ের উপাত্ত] নামক ব্লগের লেখক দেনুডাদো বলেছেন এই মৎসকুমারীর প্রতি দূর্বলতা সম্পর্কে কিছু কথা:

“Durante a convivência que tive em Angola com pessoas pertencentes às classes populares, foram-me contadas diversas lendas e contos tradicionais daquele país. Além de uma outra fábula com animais, a maior parte das narrativas que ouvi, envolveu a figura mítica da sereia. As gentes do povo em Angola acreditam convictamente na existência de sereias, que dizem ser dotadas de poderes sobrenaturais. Em quimbundo (uma das línguas nacionais) as sereias são chamadas ianda, no singular de Kianda. Cada meio aquático tem uma sereia, isto é, cada rio, cada lagoa, cada charco tem a sua kianda que toma o nome do rio, lagou ou cacimba. De certa forma, ela é a encarnação do próprio meio aquático.”

যখন আমি অ্যাঙ্গোলার সবচেয়ে জনপ্রিয় সমাজশ্রেণীর সাথে মিলিত হয়েছিলাম তখন আমি সে দেশের অনেক প্রচলিত উপকথা এবং লোকগাথা শুনেছিলাম। জীববন্তুর অন্যান্য লোকগাথা ব্যতিত, প্রায় সব গল্পেই আমি শুনেছিলাম মৎসকুমারীর একটা পৌরাণিক ভূমিকা আছে। অ্যাঙ্গোলার সাধারণ জনগণ দৃঢ়ভাবে মৎসকুমারীর অস্তিত্ব বিশ্বাস করে, যাকে তারা অতিপ্রাকৃতিক ক্ষমতার অধিকারী ভাবে। কুইমবুনডো (জাতীয় ভাষার একটি) তে মৎসকুমারীকে বলা হয় ইয়ান্ডা, যা এক বচনে কিয়ান্ডা বলা হয়। প্রত্যেক জলীয় পরিবেশে মৎসকুমারী থাকে, এরকমই বলা হয়ে থাকে। প্রত্যেক নদী, জলাশয় অথবা পুকুর এ তার নিজস্ব কিয়ান্ডা আছে যার নামানুসারে নদী, জলাশয় বা পুকুরের নামকরন হয়। কিছু ক্ষেত্রে, সে জলীয় পরিবেশের প্রতিমূর্তি।

উপরের ব্লগে, লেখক কিয়ান্ডার সম্পর্কে যেসকল গল্প শুনেছেন তার একটি বর্ণনা করেন:

“As histórias de sereias que mais ouvi frequentemente relatavam o aparecimento de uma sereia a um homem pobre, a quem ela revelava a existência de um tesouro. Subitamente enriquecido, o homem passava a comportar-se de modo egoísta, gastando toda a riqueza em seu proveito pessoal e não em benefício da comunidade. Como castigo, a sereia acabava por fazer desaparecer o tesouro, ficando o homem na mais completa miséria. Por vezes o castigo era mais duro e o homem ficava para sempre encantado no fundo do rio ou da lagoa. Há histórias de sereias em que é toda a aldeia que se comporta de modo egoísta ou avarento, sendo neste caso o castigo aplicado a toda a comunidade, que fica então encantada no fundo do lago ou do rio. Há angolanos que juram mesmo, pelo “sangue de Cristo”, que ouviram o som de mulheres a pilar, de cães a ladrar ou de galos a cantar vindo de uma aldeia condenada a viver para sempre no fundo da lagoa ou do rio”.

প্রায়শ:ই আমি মৎসকুমারীর যে গল্পটি শুনতাম তাতে একজন গরীব লোকের সামনে এক মৎসকুমারী দেখা দেয় যার কাছে সে (মৎসকুমারী) এক গুপ্তধনের সন্ধান পেশ করে। হঠাৎ ধনী হয়ে ওঠা লোকটি সব ধন সম্পদ তার লোকালয়ের কল্যান ব্যতিত কেবল নিজের কল্যানে ব্যয় করে স্বার্থপরের মত আচরণ করতে শুরু করেছিল। শাস্তি স্বরূপ মৎসকুমারী তখন তার গুপ্তধন অদৃশ্য করে দিয়ে লোকটি সম্পূর্ণ দুর্দশায় পতিত করল। কখনও কখনও শাস্তি হতো রুঢ় এবং লোকটি নদী বা পুকুরের তলদেশে চিরকালের মত জাদুতে বশীভূত হয়ে থাকত। মৎসকুমারীর আরোও গল্প আছে যেখানে পুরো গ্রাম স্বার্থপর এবং লোভী আচরণ করে, যে ক্ষেত্রে পুরো লোকালয়ের উপর শাস্তি নেমে আসে, তারপর জলাশয় বা নদীর তলদেশে জাদুতে বশীভূত হয়ে থাকে। এমন অ্যাঙ্গোলাবাসী আছে যারা যীশূর রক্তের শপথ করে বলে যে তারা একটা গ্রামের নারীর কান্নার শব্দ, কুকুরের ডাক অথবা গৃহপালিত মোরগের গান শুনেছে যাদের পুকুর বা নদীর তলদেশে বাস করা জন্য জাদু করা হয়েছে।

কিয়ান্ডার সাথে আরও আছে জ্যাকার ব্যাংগো রূপকথা। এই চরিত্রকে ঘিরে অনেক ধরনের সংস্কার চালু আছে , যার মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হলো: উপকথায় আছে যে ব্যাংগো প্রদেশের ক্যাক্সিটো শহরে, একটি বিশেষ কুমির অফিসের প্রধানকে কর দেয়ার সিদ্ধান্ত নিল, যে ব্যক্তি(প্রধান) কর পরিশোধ হলো কিনা তা সুনিশ্চিত করার জন্য দায়বদ্ধ। বলা হয় যে সেই অফিস প্রধান এলাকার অধিবাসীদের প্রতি এমনই নিষ্ঠুর ছিল যে কুমিরটি সে আচরণ দেখে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল নিজে কর দিতে যাবে এবং তার ঔদ্ধত্বকে থামিয়ে দেবে। যখন কর সংগ্রাহক দেখল যে মহৎ কুমিরটি দানদে নদী হতে তার অভিলাষ পূরণে উঠে এসেছে, তখন সে ভীত হলো এবং জনগণের সাথে অসদাচারণ বন্ধ করে দিল।

অলথার দো টেমপো ( সময়ের দর্শন) এর লেখক অন্য সংস্করণটি সম্পর্কে বলেন:

“Pelo que me contaram, no tempo colonial eram todos obrigados a pagar impostos, assim a população do Caxito, reuniu todo o dinheiro dos impostos, colocando-o em seguida dentro da boca do jacaré e enviando-o ao governador para este receber os seus impsotos. Vendo tal situação o governador nem quis o dinheiro, nem exigiu mais impostos a essa população. Se é verdade ou não, boato ou lenda, sinceramente não sei, só acho que também devíamos ter jacarés em Portugal”.

আমাকে যা বলা হয়েছিল, ঔপনিবেশিক আমলে সকলকে কর/খাজনা দিতে হত। সে জন্য ক্যাক্সিটোর জনগণ করের সকল অর্থ একত্রিত করে তা কুমিরের মুখে রেখেছিল এবং তারপর সেটাকে তারা গভর্ণরের কাছে পাঠাল কর হিসেবে গ্রহনের জন্য। সেটা দেখে, গভর্ণর অর্থ আর চাইলেন না এবং জনগণের কাছ থেকে কর নেয়া বন্ধ করে দিলেন। এটা সত্য হোক বা না হোক, গুজব বা উপকথা হোক বা নাহোক, স্পষ্টভাবে আমি তা জানিনা, কিন্তু আমি মনে করি আমাদের পর্তুগালে কুমির থাকা উচিৎ ছিল।

পেডরো করডোসো তার ব্লগ কোইসাস ডি’অ্যাঙ্গোলা, যা কিমবুনডো লোকগাথার একটি উপকথা, তে বলেন“ সিংহ বন্ধুত্বের মতই শক্তিশালী।”:

“Dois amigos costumavam encontrar-se todos os dias, numa das conversas um deles comentou; – Os leões estão a aparecer nas redondezas. Tem cuidado com a tua casa, para evitares um desgosto.
– O Leão não poderá entrar. Tenho espingarda e lança.
– Enganas-te, porque não pode lutar com o Leão.
– Tenho a certeza que posso.
Ambos riram e continuaram a conversar até que por fim se separaram.

Passou-se um mês desde quando o rapaz tinha avisado o amigo, arranjou um meio de se transformar em Leão e resolveu atacar o camarada rugindo ferozmente.

Arranhou-lhe a porta de casa e encontrou o amigo a dormir. Levantou-o, bateu-lhe e desfez tudo aquilo que encontrou. Deixando o amigo em má situação, retirou-se e voltou à forma de homem.
No outro dia, foi visitar o amigo que atacara e este disse-lhe;
– Pobre de mim! O Leão veio aqui e destruiu tudo!
– Porque não fizes-te fogo ou lhe metes-te a lança?
– Meu amigo o Leão é forte como a amizade!”

দুইজন বন্ধু প্রতিদিনই দেখা করত এবং কথোপকথন চালিয়ে যেত। তাদের একজন মন্তব্য করেছিলেন:
-চারদিকে সিংহ। সমস্যা এড়ানোর জন্য বাসায় সাবধানে থেকো।
-সিংহ প্রবেশ করতে সমর্থ হবেনা। আমার কাছে বন্দুক ও ছুরি আছে।
-তুমি ভুল করছ। তুমি সিংহের সাথে লড়াই করতে পারবেনা।
– আমি জানি আমি পারব।
তারা হেসেছিল এবং আডডা চালিয়েছিল বিচ্ছিন্ন হওয়া পর্যন্ত।
ঐ ব্যক্তি তার বন্ধুকে উপদেশ দেয়ার পর একমাস অতিক্রান্ত হলো, তাই সে উপায় বের করল যে নিজেই সিংহ সাজবে এবং সিদ্ধান্ত নিল বন্ধুকে ভয় দেখাবে হিংস্রভাবে গর্জন করে। সে তার বাড়ীর দরজায় আঁচড় কাটল এবং বন্ধুকে ঘুমন্ত অবস্থায় পেল। সে তাকে জাগাল, প্রহার করল এবং যা পেল সব ধ্বংস করে ফেলল। বন্ধুকে দুর্দশাপূর্ণ অবস্থায় ফেলে রেখে সে চলে গেলো এবং পুনরায় মানুষ রূপে পরিবর্তিত হলো। পরবর্তী দিন সে যে বন্ধূকে হামলা করেছিল তাকে দেখতে গেলো যে তাকে বলল:

-প্রিয় আমার! সিংহ এসেছিল এবং সবকিছু ধ্বংস করে দিয়েছিল!
– কেনো তুমি তাকে গুলি করনি বা আঘাত করনি।
-বন্ধু আমার, সিংহ বন্ধুত্বের মতই শক্তিশালী ছিল!

এই অংশটাকে শেষ করতে, আরেকটা জনপ্রিয় উপকথা রয়েছে, যা কচ্ছপ ও হরিণের একটি গল্প থেকে নেয়া হয়েছে কনফেরারিডেসাগ্যডোস [ কচ্ছপের ভ্রাত্তৃত্ব বোধ] ব্লগ হতে:

“Certo dia, o cágado e o bambi discutiam sobre qual dos dois seria o melhor corredor. Então, o cágado propôs um desafio ao antigo amigo bambi: fariam uma corrida, marcando o seu itinerário desde o ponto de partida até ao ponto de chegada. Começariam juntos e veriam quem era capaz de chegar primeiro. O bambi, após aceitar o desafio foi dormir. O cágado, ao contrário, foi ter com seus iguais, os demais cágados. Combinou com eles que cada um se colocaria em um ponto do trajeto a espera do bambi. No outro dia, o bambi atrasou-se, mas o cágado já estava a sua espera. Na largada, o bambi saiu em vantagem, correndo em desabalada carreira. Em determinado ponto da estrada, parou e olhou para trás a fim de ver se enxergava o companheiro. Porém, um dos cágados que o aguardavam na estrada passou a sua frente, dizendo que, enquanto ele olhava para trás, ele, o cágado já havia passado havia muito tempo. Isso se repetiu várias vezes durante o trajeto, até que, extenuado, o bambi reconheceu que o cágado corria mais que ele, ao que este respondeu: — Amigo, já sou velho, tenho a escola toda!”

একদিন, কচ্ছপ ও হরিণ তর্ক করতে লাগল যে তাদের মধ্যে কে উত্তম দৌড়বিদ। তাই কচ্ছপ তার পুরাতন বন্ধু হরিণকে একটা প্রতিযোগীতার প্রস্তাব দিল: তারা দৌড়াবে তাদের প্রস্থান হতে গন্তব্য পর্যন্ত পথ চিহ্ণিত করে করে। তার একসাথে শুরু করবে এবং দেখবে কে প্রথমে শেষ করতে সমর্থ হবে। হরিণ চ্যালেঞ্চ গ্রহণ করা পর, ঘুমাতে গেলো। অন্যদিকে কচ্ছপ তার সকল কচ্ছপ বন্ধুদের সাথে দেখা করল। সে তাদের মাধ্যমে ব্যবস্থা করল যে তাদের প্রত্যেকে তাদেরকে হরিণের প্রত্যাশিত পথে দাঁড় করিয়ে রাখবে। নির্দিষ্ট দিনে, হরিণ দেরী করে ফেলল, বিলম্ব হলো, কিন্তু কচ্ছপরা ঠিকই তার জন্য অপেক্ষা করছিল। হরিণ একসাথে যাত্রার সুবিধা পরিত্যাগ করলো, দ্রুত দৌড়াতে শুরু করল। পথের কিছু স্থানে সে থামল এবং পেছনে তাকিয়ে দেখল তার সহযোগীকে দেখা যায় কিনা। সে দেখল কচ্ছপ তাকে ফেলে আগে চলে গেলো। আসলে সে তার জন্য পথে অপেক্ষা করছিল। পুরো যাত্রায় এরকম ঘটনা অনেকবার ঘটল যতক্ষণ না হরিণ অধৈর্য্য হয়ে বুঝতে পারল যে কচ্ছপ তার চেয়ে দ্রুত ছোটে, যার প্রেক্ষিতে তার বন্ধু প্রতিউত্তর দিল:-, বন্ধু, আমি বুড়ো হয়ে গেছি, আমি স্কুল শেষ করেছি!

আরও উপকথা এবং ভীতিকর কাহিনী:
হ্যালোঈন, অল সেইন্টস ডে এবং অন্যান্য উল্লেখযোগ্য ছুটির দিন পালনের উপলক্ষ্যে এই পোষ্টটি গ্লোবাল ভয়েসেসের ভূত, প্রেত, পৌরাণিক এবং উপকথা সিরিজ এর অংশ। দেখুন আমাদের বিশেষ আয়োজনের পাতা

1 টি মন্তব্য

  • মৎসকন্যা নিয়ে একটি গল্প আজই লেখা শেষ করলাম। আমার গল্পটির নাম : জলকন্যার গল্প
    কিন্তু সংযুক্ত ছবি খুঁজে পাচ্ছিনা। মৎসকুমারীর কি কোনো কাল্পনিক ছবি নেই?

    চরদুয়ারের বাথানে বাবার পাশে শুয়েছিল ছোট্ট এরফান । হঠাৎ শুণ্যে ভেসে উঠলো ওর শরীর। তারপর নিমেশেই হাওয়ার বেগে কেউ ওকে নিয়ে ছুটেছে। ভয়ে, আতংকে বাবা বলে চিৎকার দেয় এরফান। কিন্তু সে চিৎকার হয়ত বাবা শুনেননি। বাতাসের গতি আর শীতল হাতের ছোঁয়ায় ভয়ে অজ্ঞান হয়ে যায় এরফান। যখন জ্ঞান ফিরে আসে ও দেখে, বালুচরে ওর সামনে অনেকরকম খাবার, ফুল আর সামনে বিশাল বড় নদী। শিশুবেলায়, হামাগুড়ি দেয়ার বয়সেই নদী আর পানির সাথে চমৎকার দোস্তি এরফানের। ও কাঁদলেই মা ওকে নিয়ে পুকুরের পানিতে পা ডুবিয়ে দোলাতেন। নদীর ঢেউ দেখাতেন। তাহলেই শান্ত হয়ে হাসতে শুরু করতো এরফান। একবার নাকি মামা বাড়ি যাবার পথে ঝড়ে পরেছিল নৌকা, সেকি ঢেউ নদীতে। মা আর মামারা তখন ভয়ে হাহাাকার করছিলেন আর তখনও নাকি এরফান হামাগুড়ি দিয়ে নদীর ঢেউকে ছুঁয়ে দেয়, ওর হাতের ছোঁয়া পেয়ে সাথে সাথে শান্ত হয়ে যায় নদী। এটা কেন , কিভাবে হল এ নিয়ে মা আর বাবা অনেক ভেবেও কোনো উত্তর পাননি। শুধু নানাভাই বলেছিলেন, এ নিয়ে খুব বেশি আলোচনা করো না। আমাদের এরফান হয়তো সেইসব ভাগ্যবান মুসলিমদের একজন, যাদের জন্য আল্লাহ নিজ হাতে পুরস্কার দেবেন এবং যারা নবীজীর কাছাকাছি থাকবেন। শুনেছি এসব দ্বৈব ঘটনা শুধু তাদের জীবনেই সম্ভব হবে।

আলোচনায় যোগ দিন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .