বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

২৪ বার এভারেস্ট জয় করে বিশ্বরেকর্ড গড়লেন কামি রিটা শেরপা

ব্যক্তিগত ভাবে ২৪ বার সর্বোচ্চ চূড়া এভারেস্ট জয়ের রেকর্ড গড়লেন কামি রিটা শেরপা। ছবিটি সেভেন সামিট ট্র্যাকসের ফেসবুক পেজ থেকে অনুমতি নিয়ে ব্যবহার করা হয়েছে। 

মাউন্ট এভারেস্ট জয় করার ইচ্ছে অনেক পর্বত আরোহীরই স্বপ্ন, তবে এভারেস্ট পর্বতারোহী কামি রিটা শেরপা এভারেস্ট জয় করার এক সুউচ্চ রেকর্ড করে ফেলেছেন। এ নিয়ে ২৪ বার এভারেস্টের চূড়ায় যাওয়া কামি রিটা শেরপা একই সপ্তাহে দুইবার এভারেস্ট জয় করেছেন। একবার ১৫ মে এবং তারপরে ২১ মে, ২০১৯

কামি রিটা শেরপা আবার করে দেখালেন। ৪৯ বছর বয়সী এ শেরপা একই সপ্তাহে দুইবার এভারেস্ট জয় করে সবমিলিয়ে ২৪বার এভারেস্ট জয় করে নিজেই নিজের রেকর্ড ভেঙ্গেছেন। সময়: সকাল ৬:৩৮। অভিনন্দন!!

 
সেভেন সামিট ট্র্যাক নামের যে ভ্রমণ সহায়াতা প্রতিষ্ঠানের হয়ে তিনি কাজ করেন সে প্রতিষ্ঠান এ বিষয়টি নিয়ে ফেসবুকে ঘোষণা দিয়েছে:

২১ মে ২০১৯!

আমাদের জৈষ্ঠ্য গাইড কামি রিটা শেরপা ২৪তম বারের মতো এভারেস্ট জয় যা ৮,৮৪৮ মিটার। অনেক অনেক অভিনন্দন।

আজ সকাল ৬:৩০ মিনিটে কামি রিটা ২৪তম বারের মতো মাউন্ড এভারেস্ট জয় করেছেন (এ সপ্তাহে দুইবার) এবং আগের ২৩ বার এভারেস্টের চূড়ায় উঠার রেকর্ড ভেঙ্গেছেন।

সেভেন সামিট ট্র্যাক এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাসি লাকপা শর্মা বলেছেন আজ সকাল ৬:৩০ মিনিটে কামি রিটা শেরপা ভারত পুলিশের এক দলের গাইড হিসেবে দক্ষিণ দিক দিয়ে হিমালয়ের চুড়ায় পৌঁছেছেন। “তিনি সমগ্র দেশকে গর্বিত করেছেন এবং পর্বতারোহণের ইতিহাসে এটি স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে” – তাসি জানিয়েছেন।

আপনি: আমি এক সপ্তাহে দুইবার ব্যায়াম করতে চাই।

কামি রিটা শেরপা: এক সপ্তাহে দুইবার এভারেস্ট জয় https://t.co/S9FM71AWGh

অভিনন্দন কামি রিটা শেরপা নেপালের দিক দিয়ে ৭ দিনের মধ্যেই দুইবার এবং সবমিলিয়ে ২৪ বার এভারেস্ট জয় করায়!

কামি রিটা শেরপা গোষ্ঠীভুক্ত যাদের অনেকে পর্বত আরোহনের গাইডের কাজটি করেন এবং নেপাল এবং হিমালয় পর্বতের আশে পাশেই বসবাস করেন। অনেক শেরপাই খুবই দক্ষ পর্বতারোহী এবং স্থানীয় এলাকার সম্পর্কে অনেক অভিজ্ঞ। এবং তারা দীর্ঘ সময় ধরে সর্বোচ্চ পেশাগত ভাবে বিদেশী পর্বতারোহীদের গাইড হিসেবে সাহসিকতার সাথে কাজ করে যাচ্ছেন।

বেশির ভাগ পর্বতারোহীদের পরিচিত সলুকুম্বু জেলার থামে গ্রামের মানুষ কামি রিটা। এ গ্রামেরই বিখ্যাত অনেক পর্বতারোহী রয়েছেন যার মধ্যে একজন আপা শেরপা (আকা সুপার শেরপা) যিনি এর আগে সবচেয়ে বেশি বার এভারেস্ট জয়ের রেকর্ডধারী ছিলেন এবং আরেকজন অং রিটা শেরপা যিনি ১০ বার এভারেস্ট জয় করেছেন কোন ধরনের বাড়তি অক্সিজেন ছাড়াই যিনি ‘দ্য স্নো লেপার্ড’ নামেও পরিচিত।

কামি রিটা প্রথমবার এভারেস্ট জয় করেন ১৯৯৪ সালের ১৩ মে। এছাড়াও কারাকোরাম২ এবং লোথসি শৃঙ্গও জয় করেন একবার, মানাসলূ দুইবার এবং চো ওয়ু আটবার জয় করেন তিনি। সেভেন সামিট ট্র্যাকের তথ্য অনুযায়ী সবমিলিয়ে তাঁর ৮,০০০ মিটারের ছেয়ে উঁচু ৩৬টি পর্বতের চূড়া জয় সবমিলিয়ে।

অনেকবার এভারেস্ট জয় করার পর কামি রিটা জনবায়ু পরিবর্তনের বড় কিছু বিষয় দেখতে পেয়েছেন। এ বিষয়ে বিবিসি নেপালের সাথে কথা বলেছেন তিনি। তিনি বলেন:

पहिले १२/१३ वटा भर्याङ चढ्नुपर्थ्यो भने अहिले तीन-चारवटाले पुग्छ। […]

पहिले क्याम्प टूमै कति धेरै हिउँ हुन्थ्यो। अहिले हिमनदी मात्र छ। […] बाल्कोनीभन्दा माथि कम्मरसम्म हिउँ हुन्थ्यो अहिले ढुङ्गामात्र देखिन्छ।

আমরা আগে ৩-৪ দিনে ১২-১৩ সিড়ি ব্যবহার করে উপরে উঠার চেষ্টা করতাম। […]

ক্যাম্প ২ এ অনেক বেশি বরফ থাকতো। এখানে সেখানে শুধুই শিলাখন্ড দেখা যায়।

প্রায় ৩০০ পর্বতারোহী এভারেস্ট জয় করতে গিয়ে মারা গেছেন যার মধ্যে অল্প কয়েকটি লাশ নীচে নামিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। এখন মৃতদেহগুলো এভারেস্টেই বরফ চাপা দেওয়া হয়।

সম্প্রতি এক গবেষনার তথ্যে  ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড মাউন্টেইন ডেভলপমেন্ট জানিয়েছে, আগামী দশকের শেষের দিকে হিমালয় থেকে প্রায় এক তৃতীংশ বরফ কমে যাবে। এছাড়াও অনেক পর্বতারোহীর ফেলে আসা টেন্ট, পর্বতারোহনের যন্ত্রপাতি, গ্যাস সিলিন্ডার এবং মানুষের সৃষ্ট বর্জ্য জমছে এভারেস্টে যা একসময়ে এভারেস্টকে একটি বর্জ এলাকা হিসেবে তৈরি করতে পারে। যদিও এভারেস্ট জয় বড় একটি ব্যবসা কয়েকশ শেরপাদের জন্য যারা পর্বতারোহনে গাইড হিসেবে কাজ করেন।

প্রতিবছরের এ বছরেও নতুন রেকর্ড হয়েছে এভারেস্ট জয়ের ক্ষেত্রে। দক্ষিণ আফ্রিকার সারা এন’ কুশি কুম্বলো প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ আফ্রিকান নারী হিসেবে এভারেস্ট করেছেন। এবং এ বছরেও অনেক পর্বতারোহী মারা গেছেন এবং হারিয়ে গেছেন। কিন্তু থেমে নেই এভারেস্ট জয় করার কাজটি

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .