বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

গ্লোবাল ভয়েসেস সম্মান জানাচ্ছে উন্মুক্ত ওয়েব অ্যাক্টিভিস্ট বাসেল খারতাবিল এর জীবনকে, সিরিয়ার শাসকগোষ্ঠীর হাতে যার জীবনাবসান হয়েছে।

বাসেল খারতাবিল। ছবি জোই ইতোর তোলা। উইকিমিডিয়ার সৌজন্যে (সিসি বাই ২.০ লাইসেন্স)

আমরা আমাদের বন্ধু বাসেল খারতাবিলের মৃত্যুর সংবাদে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করছি। তার মৃত্যু এক অপূরণীয় ক্ষতি এবং তার শোক-সন্তপ্ত পরিবার, বন্ধু এবং যারা তাকে জানেন এবং ভালবাসেন তাদের কাছে আমাদের গভীরতম সমবেদনা পাঠাচ্ছি।

বাসেল খারতাবিল (ওরফে বাসেল সাফাদি) সিরিয়ার একজন প্রযুক্তিবিদ এবং ক্রিয়েটিভ কমন্স প্রচারক যিনি মোজিলা ফায়ারফক্স এবং উইকিপিডিয়া সহ বিভিন্ন ওপেন সোর্স প্রকল্পে সক্রিয় ছিলেন। তিনি বহু বছর ধরে সিরিয়ায় জনগণের কাছে অনলাইনে প্রবেশাধিকার সম্প্রসারণ এবং উন্মুক্ত জ্ঞান ছড়িয়ে দেবার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। তিনি গ্লোবাল ভয়েসেস সম্প্রদায়ের অনেক সদস্যের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন এবং আমাদের ২০০৯ সালের আরব ব্লগার মিটিংয়ে অংশগ্রহণ করেছিলেন।

গত ২০১৫ সালের নভেম্বরে, বাসেলের স্ত্রী জানায় যে আসাদ সরকারের খুব কাছের কিছু লোক তার সাথে যোগাযোগ করেছেন গ্রেফতারকৃত বাসেল এর সংবাদ দেবার জন্যে। তারা নুরা গাজিকে জানিয়েছিলেন যে তার স্বামীকে মৃত্যুদণ্ডে দন্ডিত করা হয়েছে, কিন্তু অতিরিক্ত কোনও তথ্য জানাতে পারে নি। বাসেল এর অবস্থান এবং প্রকৃত অবস্থা এ পর্যন্ত অজানা ছিল। এবার নুরা সিরিয়ার কর্মকর্তাদের কাছ থেকে জানতে পেরেছে যে ২০১৫ সালেই বাসেলের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছিল।

এই পরিপ্রেক্ষিতে, আমরা উন্মুক্ত ওয়েব আন্দোলনের নেতা হিসেবে বাসেলের সমস্ত কাজকে সম্মান করি। এবং আমরা গত পাঁচ বছরে তার মুক্তির জন্য সুপারিশ করে যে সমস্ত ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠান সোচ্চার হয়েছিলেন, তাদের প্রচেষ্টাকে সম্মান করি।

সিরিয়ার নেটওয়ার্ক ফর হিউম্যান রাইটস এর তথ্য অনুযায়ী ২০১১ সালে বাশার আল-আসাদের স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ৬৫,০০০ এরও বেশি মানুষ গুম হয়ে গেছে।

শাসকগোষ্ঠী কর্তৃক গ্রেফতার করা বা জোরপূর্বক অন্তর্ধান করা হয়েছে এমন অনাবিষ্কৃত অনেক ক্ষেত্রেই সক্রিয় কর্মীরা অমানুষিক নির্যাতন, এমনকি গোপনে মৃত্যুদণ্ডের সম্মুখীন হয়েছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এর ২০১৬ সালের তথ্য অনুযায়ী ২০১১ সাল থেকে কমপক্ষে ১৭,৭২৩ জিম্মি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হেফাজতে মৃত্যুবরণ করেছে। এমন অনেক লোকের গল্প এখনো অজানা রয়ে গেছে।

বাসেল এর কাজ এবং জীবন সম্পর্কে জানতে পড়ুন:

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .