বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

তাইওয়ানের তৃষারাবৃত একদিন

A snowman at Yangmingshan National Park. Photo by Chi-Hung Lin. CC BY-SA 2.0

ইয়াংমিংশান ন্যাশনাল পার্কে তুষার মানব। ছবি তুলেছেন চি-হাঙ লিন। সিসি বিওয়াই ২.০ লাইসেন্সের আওতায় প্রকাশিত।

তাইওয়ান গ্রীষ্মমণ্ডলীয় জলবায়ুর দেশ। তাই সেখানে তুষারপাতের ঘটনা বিরল। যদিও সমুদ্র সমতল থেকে ৩ হাজার মিটার উঁচু পার্বত্য অঞ্চলে প্রায়ই তুষারপাতের ঘটনা ঘটে। তবে এ বছর উল্টো ঘটনা ঘটেছে। গত ২৪ জানুয়ারি ২০১৬-এ দেশটিতে গত ১০ বছরের মধ্যে সবচে বেশি শীত পড়ে। আর এই শীতে ১ হাজার মিটার কম উচ্চতায়ও তুষার পড়েছে।

তাইওয়ানের মানুষজন বেশ ঘটা করেই বিরল এই তুষারপাতের ছবি তুলে। কারণ এ ধরনের তুষারপাত দেখার অভিজ্ঞতা তাদের জীবনে খুব কমই এসেছে।

taiwan blue magpie

নীল কোকিল। তাইপের ইয়াংমিংশান ন্যাশনাল পার্কের তুষারাবৃত ডালে বসে আছে। পার্কটি সমুদ্র সমতল থেকে ৪০০-১০০০ মিটার উঁচুতে অবস্থিত। তাইওয়ানের সবচে বড় বুলেটিন বোর্ড সিস্টেমের জন্য ছবি তুলেছেন অ্যান্ডিসু০৪০৮। অনুমতি নিয়ে গ্লোবাল ভয়েসেস-এ প্রকাশ করা হয়েছে।

yangmingshan

তুষারাবৃত ইয়াংমিংশান ন্যাশনাল পার্কের ভিতর দিয়ে হাঁটছেন একজন পথিক। ছবি তুলেছেন এভান্ট১৯৯৭। অনুমতি নিয়ে গ্লোবাল ভয়েসেস-এ প্রকাশ করা হয়েছে।

sakura

তুষারে ঢেকে যাওয়া মিরকুয়াংয়ের সাকুরা গাছ। সিনচু'র মিরকুয়াং এলাকা সমুদ্র সমতল থেকে ৭০০-১২০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত। ছবি তুলেছেন তায়া ইউমিন। অনুমতি নিয়ে গ্লোবাল ভয়েসেস-এ প্রকাশ করা হয়েছে।

daurian redstart

ডোরিয়ান রেডস্টার্ট। তুষারাবৃত মিরকুয়াংয়ের গাছের ডালে বসে আছে। ছবি তুলেছেন তায়া ইউমিন। অনুমতি নিয়ে গ্লোবাল ভয়েসেস-এ প্রকাশ করা হয়েছে।

সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রার থেকে বাতাসের তাপমাত্রা খুব দ্রুত নেমে যাওয়ায় দক্ষিণ তাইওয়ানবাসী সামুদ্রিক ধোঁয়া (সি স্মোক) দেখার অভিজ্ঞতা অর্জন করে। ইয়া-লিন সাই নিচের ইউটিউব ভিডিওটি পোস্ট করেছেন। দৃশ্যটি ধারণ করা হয়েছে জিয়াওলিউকিউয়ে:

হঠাৎ তুষারপাতের ঘটনা মৎস্যজীবী এবং সবজি উৎপাদনকারীদের জীবনকে কঠিন করে তোলে। তাছাড়া তীব্র ঠাণ্ডায় ৪০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

সিনচু'র মিরকুয়াং এলাকায় বসবাস করেন তায়া ইউমিন। পরিবারের সাথেই থাকেন। ২৫ জানুয়ারি তিনি ফেসবুকে লিখেছেন:

清晨,和媽媽到菜園裡,用水澆菜,也用手把葉子上的雪和冰拿掉,全身凍僵地在田裡工作,有說有笑地說要給菜做告別式。

মায়ের সাথে আমি ক্ষেতে যাই। আমরা দুজনে মিলে সবজি ক্ষেতে পানি ঢালি। পাতার ওপর পড়ে থাকা বরফ ও তুষার তুলে ফেলে দিই। ঠাণ্ডায় জমে যাওয়ার আগপর্যন্ত আমরা ক্ষেতে কাজ করি। এরপরেও আমরা হাসতে ছিলাম। আর বলতেছিলাম আমাদের সবজিগুলোর জন্য একটি বিদায়ী অনুষ্ঠান থাকা উচিত।

vegetables

তায়া ইউমিনের মা তুষারাবৃত সবজিগুলো বাঁচানোর চেষ্টা করছেন। ছবি তুলেছেন তায়া ইউমিন। অনুমতি নিয়ে গ্লোবাল ভয়েসেস-এ প্রকাশ করা হয়েছে।

1 টি মন্তব্য

  • safin sami

    খুব ভাল লাগলো লিখা।

আলোচনায় যোগ দিন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .