বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

মিশর – “সাংবাদিকদের জন্য একটি ভয়ংকর জায়গা”

Abdulmonem Mahmood - a journalist who fled Egypt. Photo credit: @moneimpress

আবদুল্লাহ মোনেম মাহমুদ – মিশর ছেড়ে চলে যাওয়া একজন সাংবাদিক। ছবিঃ @মনেমপ্রেস   

মিশরীয় ব্লগার এবং সাংবাদিক আব্দুল মোনেম মাহমুদ মৃত্যুর ভয়ে মিশর ছেড়ে চলে গেছেন।

সাংবাদিক রক্ষা কমিটির মতে, গত ৩ জুলাই তারিখে সাবেক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ মুরসিকে উচ্ছেদের পর থেকে অন্তত ৪০ জন স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক সাংবাদিক গ্রেপ্তার বা আটকের শিকার এবং ২০১১ সালে সাবেক প্রেসিডেন্ট হোসনি মুবারকের উৎখাতের পর থেকে অন্তত আট জন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন। এছাড়াও “দেশের চলমান রাজনৈতিক সঙ্কট কভার করতে আসা স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক সাংবাদিকদের উপর হয়রানির প্রচারাভিযান” চালানোর জন্য সিপিজি মিশরকে অভিযুক্ত করছে -

সিপিজি’র ডেপুটি ডিরেক্টর রবার্ট মাহনি বলেন, “একের পর এক গ্রেপ্তার, শাস্তি, নিপীড়নের এবং সেন্সরশিপের মাধ্যমে, মিশরীয় সরকার সাংবাদিকদের কাছে একটি ব্যাপার পরিষ্কার করেছে: আপনার নিজের ঝুঁকিতে সরকারি আখ্যান থেকে পথভ্রষ্ট হবেন”।

তিনি আরও বলেন, “কর্তৃপক্ষকে স্বাধীনভাবে এবং সমালোচনামূলক প্রতিবেদন তৈরিতে বাঁধা প্রদানের এই প্রয়াস বন্ধ করতে হবে। তারা কারাগার আটক বা গ্রেপ্তারের অধীনে থাকা সকল সাংবাদিকদের মুক্তির প্রক্রিয়া শুরু করতে পারেন।”

টুইটারে, মাহমুদ লিখেছেন [আরবী ভাষায়]:

আমি কিছু সময় আগে মিশর ত্যাগ করেছি এবং এখন আমার পরিবার আমার সাথে যোগ দিয়েছে। হ্যাঁ, আমি আমার জীবনের জন্য ভয়ে পালিয়ে এসেছি, কারণ বিশ্বাসঘাতকতা দ্বারা আমি খুন হয়ে যেতে পারি। আমার শরীর পুড়িয়ে ফেলা বা [আমার গ্রেপ্তারের পর] স্থানান্তর গাড়ীতে নিহত হতে পারি, এবং তারপর আমার সহকর্মীরা আমাকে একজন সন্ত্রাসী বলে সম্বোধন করবে।

তিনি আরও লিখেছেনঃ

আমার স্ত্রী এবং আমি সাংবাদিক হিসেবে কাজ করি। অভ্যুত্থানের পর, আমরা হুমকির শিকার হয়েছি। কারণ, তাঁরা মনে করে আমরা মুবারক এর যুগের অভিজ্ঞ নই। আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি, আমি মুবারক এর শাসনকালে তিনবার জেলে গেছি।

এবং মাহমুদ ইতি টেনেছেন:

[সেনাবাহিনীর] সংবাদদাতা ও প্রধান সম্পাদক বৃন্দ যারা সিক্রেট সার্ভিস [এর অধীনের] কেবল তাঁদের জন্যই এখন মিশরে সাংবাদিকতা প্রাপ্তিসাধ্য।  অভ্যুত্থানের পর এখন সেখানে সাংবাদিকতা সবচেয়ে বিপজ্জনক পেশায় পরিণত হয়েছে।

এখন তিনি কোথায় আছেন বা কি করছেন তা কিছুই বলেন নি।

২০০৭ সালে মাহমুদ যখন গ্রেপ্তার হয়েছিলেন সে সময়ে তাঁকে নিয়ে গ্লোবাল ভয়েসেসে প্রকাশিত একটি গল্প এখানে রয়েছে।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .