বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

ভিডিওঃ সমাজ থেকে আলাদা দুটি মানুষের অন্যায়ের বিরুদ্ধে জয়

দক্ষিণ আফ্রিকার খুসেলি “খুস্ত” জ্যাক এবং বলিভিয়ার অস্কার অলিভেরা ভিন্ন দেশের হলেও তাদের গল্প একইঃ তারা দুজনই অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়েছেন এবং জিতেছেন।

১৯৮৫ সালে, খুস্ত দক্ষিণ আফ্রিকার পোর্ট এলিজাবেথে একটি গ্রাহক বয়কটের আয়োজন করে জাতিগত বৈষম্য দূর করতে সাহায্য করেন। পনের বছর পর, ২০০০ সালে অলিভেরা বলিভিয়ার কোচাবাম্বায় পানি বেসরকারিকরণের প্রতিবাদে আন্দোলনে মূল ভূমিকা পালন করেন।

সময় ও মহাদেশের ভিন্নতা ছাপিয়ে দক্ষ সাংগঠনিক ক্ষমতা ও সহিংসতাবিহীন নাগরিক প্রতিবাদের প্রতীক হলেন এই দুই সংগ্রামী।

এ বছর, খুস্ত ও অলিভেরা মেক্সিকোর স্কুল অফ অথেনটিক জার্নালিজমে মিলিত হন। স্কুলটি থেকে একদল অধ্যাপক ও শিক্ষাবিদ তাদের কথা নিয়ে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন, যা নারকো নিউজ টিভি সম্প্রতি প্রচার করেছে।

আইনজীবী ও মানবাধিকার বিষয়ক উকিল রামবিদজাই ডিউব, যিনি ভিডিওটি নির্মাণে সহায়তা করেছেন, তিনি এই দুই সংগ্রামীর ব্যাপারে বিস্তারিত তুলে ধরে বলেন:

তরুণ ও উদ্যমী খুস্ত দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদী সরকারের আমলে কৃষ্ণাঙ্গদের অধিকার আদায়ের জন্য শ্বেতাঙ্গদের দ্বারা চালিত ব্যবসা অর্থনৈতিকভাবে বর্জনের ডাক দেন।

২০০০ সালে বলিভিয়ার কোচাবাম্বার সুউচ্চ প্রান্তরে, বলিভিয়ায় বৃষ্টিপাতসহ পানি বেসরকারিকরণের প্রতিবাদে অস্কার অলিভেরা অন্যদের সাথে নিয়ে কোচাবাম্বা পানি যুদ্ধ নামে একটি জনসমর্থিত প্রতিবাদ গড়ে তুলেছিলেন।

তিনি শেষ করেন এভাবে:

তারা উভয়ই তাদের লক্ষ্যে অভীষ্ট, তারা তাদের জনগণকে এক কাতারে তাদের মাটিতে দাঁড় করিয়েছেন। তারা ঝুঁকি নিয়েছেন; তাদের কর্ম ছিল সাহসিকতাপূর্ণ, সর্বোপরি জীবন-মরণের ব্যাপার নিয়ে কাজ করেছেন। কিন্তু তাদের পছন্দনীয় কী ছিল? পানি ছাড়া জীবন কি তাদের জন্য ছিল? স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও ন্যায় বিহীন জীবন কি তাদের জন্য ছিল? এবং সেজন্যই তারা শুধু তাদের সময় ও ক্ষমতা নয়, তাদের জীবন বিসর্জন দিয়েছেন; এবং তারা দুজনেই জয়ী হয়েছেন।

সাংবাদিক আরজু গেবুলা ওখুস্ত ও অলিভেরার সাথে দেখা করেছেন। তিনি তার ব্লগে লিখেছেন যে উভয়ই “তাদের গল্পের মত উৎসাহব্যঞ্জক।”

মেক্সিকান ব্লগ হাজমে এল চিঙ্গাদো ফাভর [es] তাদের পাঠকদের এই ভিডিওটি প্রকাশে উৎসাহিত করার জন্য সংক্ষিপ্ত মন্তব্য করেছেঃ

Este video no es una comedia como las otras que hemos hecho, pero creemos tanto en su mensaje que estamos motivados para compartirlo con todo el mundo y quisieramos pedir su apoyo con su difusión. El tema del video se explica por si solo.

এই ভিডিওটি আমাদের অন্য সৃষ্টিগুলোর মত মজাদার নয়, কিন্তু আমাদের মনে হয়েছে যে এর বার্তাটি এত ব্যাপক যে আমাদের এটিকে পুরো বিশ্বে ছড়িয়ে দিতে এবং আপনার সমর্থন কামনায় উদ্বুদ্ধ করেছে। এই ভিডিওটির মূলকথা আত্ম-বিশ্লেষণ।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .