বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

রাতের খাবার হিসেবে শেষ পরিনতি বরণ করল মিশরের #স্পাইডাক

A White Stork - similar to Menes. Photograph from the Wikimedia Commons, used under the Creative Commons Attribution 2.0 Generic license.

মেনেসের মতো দেখতে একটি সাদা সারস পাখি। ছবিঃ উইকিমিডিয়া কমন্স, ক্রিয়েটিভ কমন্স অ্যাট্রিবিউশন ২.০ জেনেরিক লাইসেন্সের অধীনে ব্যবহৃত। 

মিশরে গুপ্তচরবৃত্তির জন্য ষড়যন্ত্র করে ফাঁসানো এবং গ্রেফতারকৃত হাঁস হিসেবে অভিযুক্ত সারস পাখিটির জীবনবসান ঘটেছে। একটি মিশরীয় পরিবারের রাতের খাবার টেবিলে খাবার হিসেবে পাখিটির জীবনের পরিসমাপ্তি ঘটে।

একটা গুপ্তচর হাঁসকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে গত ৩১ আগস্ট তারিখে মিশরে খবর ছড়িয়ে পড়ে। এর পালকের সাথে সংযুক্ত অবস্থায় একটি সন্দেহজনক যন্ত্র পাওয়া যায়। পরে জানা যায়, হাঁসেটি আসলে একটি সারস পাখি ছিল, যার নাম মেনেস। একটি গবেষণার কাজে ব্যবহারের জন্য পাখিটির শরীরে ট্র্যাকিং ডিভাইস লাগানো হয়।

৪ ঠা সেপ্টেম্বর তারিখে মোস্তফা হুসেন ঘোষণা করেন: “ভুলভাবে অভিযুক্ত সারস পাখিটিকে মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে”ঃ

ভুলভাবে অভিযুক্ত সারস পাখিটিকে মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।

তবে মজার অবস্থাটি খুব সংক্ষিপ্ত ছিলো।

মিশরীয় ব্লগার জেইনোবিয়া জানাচ্ছেনঃ 

এটি ভাগ্য না কি তা আমি জানি না, কিন্তু মনে হচ্ছে নীল নদের তীরে মেনেসের গল্প অত্যন্ত দু:খজনক।

গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে অভিযুক্ত হওয়া এবং মিশরীয়র হাতে এক দিন আটক থাকার পর, তাঁরা এটাকে মুক্ত করে দিল পাখিটির শেষ পরিণতি দেখার জন্য ! দক্ষিণে একটি মিশরীয় নুবিয়ান পরিবার পাখিটিকে শিকাড় করে এবং খেয়ে ফেলে !!!

মিশরের নেচার কনজারভেশন সোসাইটি ফেসবুকে লিখেছেঃ 

দুঃসংবাদঃ মেনেস নামের সাদা রঙের সারস পাখিটিকে হত্যা করা হয়েছে।

বেশ কয়েক দিন আগে সালুঘা এবং গাযালের সুরক্ষিত এলাকার মধ্যে নিরাপদে মুক্তি দেয়ার পর, নিকটস্থ নীল নদের তীরে মেনেস উড়ে যায়। সেখানে পাখিটিকে বন্দী করার পর হত্যা করা হয়। সেটি স্থানীয় গ্রামবাসীদের দ্বারা খাওয়া হবে।

পোস্টটি ব্যাখ্যা করেছেঃ

হাজার হাজার বছর ধরে নুবিয়ান খাদ্যের অংশ হয়ে আছে সারস পাখি। তাই সারস পাখি খাওয়ার ঘটনাটি একেবারে নতুন কিছু নয়। যাইহোক, মিশর থেকে প্রস্থান পর্যন্ত পাখিটিকে নিরাপদ রাখার জন্য ক্ষণজন্মা মেনেসের মুক্তির সাফল্যের গল্পই যথেষ্ট ছিল না।

এবং সমস্যাটি আরও বড় – আরও জটিল:

অনিয়ন্ত্রিত পাখি শিকাড় মিশরের দীর্ঘদিনের সমস্যা। যাইহোক, প্রকৃতি এবং জীব বৈচিত্র্যের সাথে স্থানীয় চাহিদার মধ্যে সামঞ্জস্য বজায় রাখা অতি গুরুত্বপূর্ণ।

পোস্টটি উপসংহারে বলেছে:

এই অঞ্চলের উন্নতির জন্য এখনও দীর্ঘ পথ পারি দিতে হবে। বিশেষভাবে, পাখি শিকারে এবং পরিযায়ী পাখির ক্ষেত্রে সচেতনতা তৈরিতে।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .