বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

চীন: “পশ্চিমের দাসদের ফাঁসিতে ঝোলাও”

চীনের এক নতুন ওয়েব সাইট রাজনৈতিক উদারনৈতিকতা বাদীদের নিন্দা জানাচ্ছে। নিন্দা জানানো ব্যক্তির মধ্যে ২০১০ সালের নোবেল পুরষ্কার পাওয়া লিউ শিয়াওবো রয়েছে। গত সপ্তাহে এই সাইটটি তার উগ্রবাদী দৃষ্টিভঙ্গি এবং প্রদর্শনীর জন্য চীনের ইন্টারনেট জগতের মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। এই সাইটটির নাম প্রোগ্রেসিভ সোসাইটি এবং এর নামহীন স্রষ্টারা নিজেদের স্বদেশপ্রেমী হিসেবে বর্ণনা করেছে। যদিও এই সাইটটিতে অজস্র সংবেদনশীল রাজনৈতিক শব্দ রয়েছে, তারপরে চীনে যারা ওয়েবকে সেন্সর করে, তারা এই সাইটটিকে অনলাইনে রেখে দিয়েছে। এই ঘটনাটি অনেক প্রশ্ন তৈরি করেছে।

এই ওয়েব সাইটটিতে চারটি মূল অংশ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে হ্যাঙ্গ দি স্লেভস অফ দি ওয়েষ্ট (পশ্চিমের দাসদের ফাঁসিতে ঝোলানো), রটেন মিডিয়া (দুর্গন্ধযুক্ত প্রচার মাধ্যম), নিউ আইডিওলজিকাল ইমানসিপেশন মুভমেন্ট (নতুন আদর্শিক বন্ধনমুক্তি আন্দোলন), এবং সফ্টওয়্যার ওয়ারফেয়ার (সফ্টওয়্যার যুদ্ধ)। এই সাইটের আপাত উদ্দেশ্য হচ্ছে চীন গণপ্রজাতন্ত্রী রাষ্ট্রের উদারতাবাদী “বিশ্বাসঘাতকদের” মোকাবেলার জন্য একটা পাল্টা শক্তিকে প্রদর্শন করা। এই সাইটের মূল পাতায় তার তাদের সম্বন্ধে এ ভাবে জানাচ্ছে, “আমরা বিশ্বাস করি না যে আমাদের চিন্তা বিশ্বকে পাল্টে দিতে পারে, কিন্তু আমরা দেখছি যে আধুনিকতার প্রচেষ্টা বাড়ছে এবং আমরা এ ধরনের চিন্তার বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণ করেছি”।

পশ্চিমাদের দাস

পশ্চিমের দাস হিসেবে তালিকাভুক্ত বেশীর ভাগ ব্যক্তি উদারনৈতিক রাজনীতিবীদ অথবা মানবাধিকার কর্মী। নীচে যে কয়েকজনের ছবি প্রদর্শন করা হচ্ছে, তাতে আপনি মানবাধিকার আইনজীবী. টেঙ্গ বাইও, নাগরিক অধিকার কর্মী. ঝু ঝিয়ং, রাষ্ট্র বিজ্ঞানের পণ্ডিত, কিউয়ন হুই, অন্যতম লেখক, ইয়ু জি এবং শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার প্রাপ্ত ব্যক্তি লিউ শিয়াওবোর ছবি দেখতে পাবেন।

এই পাতায় চারটি মূল অংশ রয়েছে, যেগুলোর নাম হচ্ছে:

১.পশ্চিমের দাসদের জন্য ফাঁসিকাষ্ঠ- তথাকথিত বিশ্বাসঘাতক-এবং পশ্চিমের বশংবদদের পেছনের যে ইতিহাস, সে সম্বন্ধে তথ্য।
২.পশ্চিমের দাসদের আচরণ বিশ্লেষণ-একগুচ্ছ প্রবন্ধের সংগ্রহশালা, যা তথাকথিত পশ্চিমের দাসদের কথামালার বিশ্লেষণ করেছে।
৩.চীনকে রক্ষা করা-একগুচ্ছ প্রবন্ধের সংগ্রহ, যেগুলোর লেখক দেশপ্রেমী এবং জাতীয়তাবাদী নেতারা:
৪. যুদ্ধক্ষেত্র-একগুচ্ছ প্রবন্ধের সংগ্রহশালা, যেগুলো তথাকথিত পশ্চিমের দাসদের বিরুদ্ধে লড়াই করার উদ্দেশ্যে লেখা।

যে সব লেখা পড়তে পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে

এই ওয়েব সাইটের আলাদা ধরনের এক উগ্র স্বর রয়েছে, কিন্তু এখানে কিছু পদ ব্যবহার করা হয়েছে, যা একসময় জনপ্রিয় জাতীয়তাবাদীদের লেখায় দেখা যেত। যেমন উদাহরণ হিসেবে বলা যায় “চায়না ক্যান সে নো” (চীন না বলতে পারে না) এবং ‘চায়না ইজ আনহ্যাপি” (চীন অসুখী) নামক বইয়ের কথা।

এই ওয়েব সাইটের মূল পাতায় কি কি বই পড়া যেতে পারে তার এক তালিকা প্রদান করা হয়েছে, যা যুক্ত করে জাতীয়তাবাদী ওয়েবসাইট এবং ব্লগারদের সাইটগুলোক। এদের “নতুন ধারার বামপন্থী” এবং “নতুন বন্ধনমুক্ত আন্দোলনের অগ্রপথিক হিসেবে বর্ণনা করা হয়”:

    ওয়াঙ্গ শিয়াওডঙ্গ; (王小東), ওয়াঙ্গ শিয়াওডঙ্গ; চীনা জাতীয়তাবাদের পতাকাধারী ব্যক্তি;
    সং কিয়াং(宋強), চায়না ইজ আনহ্যাপি নামক বইয়ের লেখক;
    সং শিয়াওজু (宋曉軍), সাম্প্রতিক বিশ্ব এবং সামরিক বিষয়ক সমালোচক;
    হুয়াং যিশু(黃紀蘇), সংস্কৃতি সমালোচক;
    হান ডেগিয়াঙ্গ (韓德強), বিশ্বায়ন এবং নব্য-উদারনৈতিকতাবাদের সমালোচক
    গান ইয়াঙ্গ (甘陽), হংকং ভিত্তিক এক অন্যতম পণ্ডিত;
    ওয়াং শোয়াগুয়াং (王紹光), হংকং ভিত্তিক রাষ্ট্রবিজ্ঞানের এক পণ্ডিত এবং চীনা কমিউনিষ্ট পার্টির বুদ্ধিজীবী;
    ওয়েন টেইজুন (溫鐵軍), গ্রামীণ সমস্যা এবং সংস্কার বিষয়ে একজন বিশেষজ্ঞ;

    এই তালিকায় রাষ্ট্র পরিচালিত ওয়েব সাইটের নাম রয়েছে, যেমন ‘গ্লোবাল টাইমস’, নতুন বামধারা বিষয়ক পত্রিকা ‘দুশু(讀書); মাওবাদীদের ওয়েবসাইট ইউটোপিয়া’ (烏有之鄉):

    নতুন আদর্শিক বন্ধনমুক্তি আন্দোলন

    “আদর্শিক বন্ধনমুক্তি” অথবা চিন্তার “বন্ধন মুক্তি” শব্দটি ঐতিহাসিক এবং রাজনৈতিক কারণে প্রদান করা হয়েছে। চীনের ইতিহাসে একে অনেকবার উপস্থিত হতে দেখা দেয়। যদি ৪ মে নামক আন্দোলনে ফেরা যায়, তখন এর মাধ্যমে মাও জেদাং কমিউনিষ্ট পার্টি থেকে বিরোধীদের বিরুদ্ধে শুদ্ধি অভিযান চালায়, এবং সম্প্রতি বেইজিং অলিম্পিকের সময় জাতীয়তাবাদের এই প্রচারণা আবার তুঙ্গে উঠে। নতুন আদর্শিক বন্ধনমুক্তি আন্দোলন পাতায়, চারটি মূল বিভাগ রয়েছে:

    ১. চীনা মডেল ৩.০-একগুচ্ছ প্রবন্ধের সংগ্রহশালা, যা চীনা পদ্ধতির সম্বন্ধে গুণগান গেয়েছে এবং নব্য উদারনৈতিকবাদের বিরুদ্ধে পাল্টা জবাব প্রদান করেছে।
    ২.বিপরীত বর্ণবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ- উপনিবেশ উত্তর একঝাঁক সমালোচনা, যেগুলো সেই সমস্ত মতবাদসমূহকে সমালোচনা করে লেখা, যেগুলোর মাধ্যমে পশ্চিমের লোকজন চীনের সমালোচনা করে;
    ৩. আধুনিক চীনের শুরুর ৩০ বছরের ইতিহাস; ১৯৪৯-৭৯ সাল পর্যন্ত চীন গণপ্রজাতন্ত্রের ইতিহাসের পর্যালোচনা।
    ৪. নতুন আদর্শিক বন্ধনমুক্তি আন্দোলনের অগ্রপথিকরা-একগুচ্ছ প্রবন্ধ এবং বিতর্কের সংগ্রহশালা, যা নতুন আদর্শিক বন্ধনমুক্তি আন্দোলনে অবদান রেখেছে।

    দুর্গন্ধযুক্ত প্রচার মাধ্যম

    দুর্গন্ধযুক্ত প্রচার মাধ্যম নামক এই বিভাগে, ছয়টি মূল শাখা রয়েছে, যেগুলোর নাম:

    দুর্গন্ধযুক্ত প্রচার মাধ্যমের ছাল ছড়ানো- দুর্গন্ধযুক্ত প্রচার মাধ্যমের এক তালিকা, যার মধ্যে কাগজে ছাপানো পত্রিকাগুলো যুক্ত, যেমন নানফেঙ্গ-এর দৈনিক পত্রিকা সমূহ, চায়না ইয়থ ডেইলি এবং ইকোনমিক অবজারভার, এবং এর সাথে অনলাইন প্রচার মাধ্যম যেমন কেডিনেট রয়েছে:
    দুর্গন্ধযুক্ত প্রচার মাধ্যমের মানুষজন- দুর্গন্ধযুক্ত প্রচার মাধ্যমের সাংবাদিক, প্রাবন্ধিক এবং মতামত প্রদানকারী ব্যক্তিরা। এখানে এখন পর্যন্ত মাইকেল এন্টির নাম তালিকাভূক্ত করা হয়েছে;
    ৩. কুৎসিত পশ্চিমা প্রচার মাধ্যম-যত দুর দেখা যাচ্ছে, পশ্চিমের কোন প্রচার মাধ্যমের নাম এখান তালিকাভূক্ত করা হয়নি;
    সংবাদ বিশ্লেষণ- একগুচ্ছ সমালোচনার সংগ্রহ যা চীনের বিরুদ্ধে লেখা হয়েছে, যেগুলো চীনের জাতীয় আগ্রহকে বেছে নেয়, সেগুলোকে জটিল করে এবং সমাজের ক্ষতি করে।
    প্রচার মাধ্যমের অতিকথন উন্মোচন- প্রচার মাধ্যমের ভূমিকার ব্যাপারে পশ্চিমের মুক্ত প্রচার মাধ্যমের যে আদর্শ এবং মূল্যবোধ, তার সমালোচনা;
    চীনের অবস্থানের ভিত্তিতে মূলধারার প্রচার মাধ্যমে সবকিছুর বিনির্মাণ করা- জাতীয়তাবাদী প্রচার মাধ্যমে ছাপা হওয়া প্রবন্ধের এক গুচ্ছ।

    নির্বাচিত কিছু প্রতিক্রিয়া

    দ্রুত এই ওয়েব সাইট সিনার মাইক্রো ব্লগারদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। ২৬ নভেম্বর, ২০১০-এ সিনার এক আলোচনা সভায় আসা তাৎক্ষনিক কিছু প্রতিক্রিয়া নীচে প্রদান করা হল (২০০ মন্তব্যে আসার ৩-৪ ঘন্টা পরেই এই পাতা অপসারণ করা হয়েছে):

    成尚枫格: 貌似文革?(11月25日 14:46)

    爱迟到的蘑菇: 居然允许这种网站出现,是解除禁言了吗?还是只允许“极左”不允许“极右”?(11月25日 14:50)

    我是niuhaoning: 准你南方系天天跳,不准极左网站扇你们耳光?搞笑。左右要平衡嘛,否则跷跷板怎么玩呢。如果跷跷板一头是空的,那另一头的肯定就屁股和大地亲密接触了,那也是很疼的。(11月25日 15:20)

    穿拖鞋的啤酒猫: 越来越感觉中国才是新纳粹的沃土..(11月25日 17:13)

    蛋蛋看世界: 转发此微博:看到了,内容充满暴力,前些天想骂,但觉得那是替他们推广,我们正在加速奔向朝鲜(11月25日 17:16)

    老唐88: 我倒要看看真理部怎么对待这个网站,当然,也许真理部就是这个网站的后台呢。(11月25日 19:27)

    camphorbear: 恩,赞同这个网站的存在,但是希望他们能够把网站做得不这么血腥,不这么暴力。极左也好,极右也好,都可以心平气和地表达你的观点呀,搞成这样少儿不宜,不知道会不会被当作暴力网站屏蔽。(11月25日 23:39)

    宏之叙事: 不必激动,不必气愤。check & balance 左右制衡,方才和谐,现在这种制衡还处在初级阶段,充满了鄙视、谩骂,彼此都想灭了对方。希望今后能发展为良性互动,那才宪政可期。(今天 11:13)

    whvictoria: 日本有阴魂不散的右翼分子、德国有新纳粹、我们有毛左--与国际接轨了。(今天 11:25)

    左岸文化网盘索: 这么干其实是在给左派抹黑。网站活不了多久(今天 11:32)

    断桥不度: 很有趣的网站。我的担心是,这些文章的作者是一群什么样的人?70后?80后?90后?如果是,那太可怕了,这证明主导这个国家的仍是文革思想。(今天 12:01)

    成尚枫格: এটাকে কি অনেকটা সংস্কৃতি বিপ্লবের মত দেখাচ্ছে না? (২৫ নভেম্বর ১৪:৪৬)

    爱迟到的蘑菇: কিভাবে এ রকম একটি ওয়েবসাইট টিকে থাকে? আমরা কি আমাদের সেন্সরশিপ প্রথা তুলে ফেলেছি? অথবা আমরা কি কেবল উগ্র বামপন্থীদের সবকিছু প্রদর্শন করার সুযোগ প্রদান করব, যেখানে আমরা উগ্র ডানপন্থীদের সবকিছু সেন্সর করছি? (২৫ নভেম্বর ১৪:৫০)

    我是নিনহুয়াং: কি ভাবে আপনি নানফেঙ্গ দৈনিক সংবাদ প্রকাশনা সমূহকে প্রতিদিন লাফ দিতে দেন এবং উগ্র বামদের আপনার গালে চড় মারতে নিষেধ করেন? এটা হাস্যকর। আমাদের বাম এবং ডানপন্থী মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা দরকার, তা না হলে আমরা কি ভাবে এই খেলা উপভোগ করব? যদি আমাদের এখানে একপক্ষ পূর্ণ শক্তিতে বিরাজমান থাকে এবং অন্যপক্ষের হাত থাকে খালি, তাহলে অন্য প্রান্ত তার নীচের দিক জখম করে ফেলবে (২৫ নভেম্বর ১৫:২০)

    穿拖鞋的啤酒猫: আমার ভেতরে এমন এক অনুভূতির জন্ম নিচ্ছে যে, চীন নব্য-ফ্যাসিবাদের এক জন্মভূমিতে পরিণত হচ্ছে… (২৫ নভেম্বর ১৭:১৩)

    蛋蛋看世界: এই মাইক্রোব্লগকে আবার টুইট করা হয়েছে: আমি এই সাইটটি পড়েছি। এটা আক্রমণাত্মক ভাবনায় পরিপূর্ণ। কয়েকদিন আগে আমি এটাকে গালি দিতে চেয়েছিলাম, কিন্তু শঙ্কিত হলাম এই ভেবে যে, এই কাজ করলে তা কেবল তাদের এই সাইটের প্রচারণাই বাড়াবে। মনে হচ্ছে আমরা খুব দ্রুত উত্তর কোরিয়ার পথে অগ্রসর হচ্ছি।(২৫ নভেম্বর ১৭:১৬)

    老唐88: আমি দেখতে চাই কি ভাবে প্রচারণা বিভাগ এই ওয়েবসাইটটিকে মোকাবেলা করে। অবশ্যই এমনটা সম্ভব যে, এই বিভাগটি এই সাইটের পেছনে রয়েছে (২৫নভেম্বর ১৯:২৭)

    কমফ্রোবেয়ার: আমি একমত যে ইন্টারনেটে এই সমস্ত ওয়েবসাইটের থাকা উচিত। তবে আমি চাই, তারা যেন খানিকটা কম খুনে মানসিকতার এবং কম আক্রমণাত্মক হয়। আপনি উগ্র বাম বা ডানপন্থী যাই হোন না কেন, আপনি শান্তিপূর্ণভাবে আপনার চিন্তাভাবনা প্রকাশ করতে পারেন। এটা একেবারে শিশুদের উপযোগি নয়। আক্রমণাত্মক বার্তা ছাড়ানোর কারণে এটি বন্ধ হতে পারে। (২৫ নভেম্বর ২৩:৩৯)

    宏之叙事: উত্তেজিত বা রাগান্বিত হবেন না। মিলে মিশে থাকা এক সুন্দর সমাজের জন্য ভারসাম্য বজায় রাখা জরুরী। এই সাইটটি এখনো প্রাথমিক অবস্থায় রয়েছে, এখানকার সকল উপাদান অসন্তোষ এবং ঘৃণায় পরিপূর্ণ, যেন তারা অন্যদের ধ্বংস করে ফেলতে চায়। আমি আশা করি ভবিষ্যৎ-এ, যেন আরো গঠনমূলক প্রচারণা চালানো হবে যা, সাংবিধানিক পরিবর্তনকে সামনে নিয়ে যাবে। (২৬নভেম্বর ১১:১৩)

    ডাব্লিউএইচভিক্টোরিয়া; জাপানে রয়েছে ভুতুড়ে এক ডান সংগঠন, জার্মানীতে রয়েছে নব্য- নাৎসিরা এবং আমাদের এখানে রয়েছে মাওবাদী বামপন্থীরা- সত্যিকার অর্থে আমরা আন্তর্জাতিক বিশ্বের দিকে ধাবিত হচ্ছি (২৬ নভেম্ব ১১:২৫)

    左岸文化网盘索 : এই ওয়েবসাইট আসলে বামপন্থীদের চেহারাকে কুৎসিত করে তুলেছে। আমি মনে করি না এই ওয়েবসাইট খুব বেশি দিন টিকে থাকতে পারবে।(২৬ নভেম্বর ১১.৩২)

    断桥不度 : এটি একটি বেশ কৌতুহল জনক ওয়েবসাইট। আমি শঙ্কিত যে এখানে যে সমস্ত লেখা রয়েছে তার পেছনে আসলে কারা? তারা কি ৭০ এর দশকে জন্ম নিয়েছে? ৮০ দশকের পরে? ৯০-এর দশকের পরে? যদি তাই হয়, তাহলে তা খুবই বাজে বিষয়। এই সাইটটি প্রদর্শন করছে যে সাংস্কৃতিক বিপ্লবের যে চিন্তা তা এখনো দেশটিতে এক শক্তিশালী ভূমিকা পালন করেছে (২৬ নভেম্বর ১২:০১)

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .