বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

কম্বোডিয়া: প্রথম অনলাইন মানবাধিকার পোর্টাল এর উদ্বোধন

সিথি.অর্গ (Sithi.org) হচ্ছে কম্বোডিয়ার একটি মানবাধিকার পোর্টাল যা বিভিন্ন মানবাধিকার লঙ্ঘন সম্পর্কে ব্যবহারকারীর তথ্য লিপিবদ্ধ করে। এটির উদ্বোধন হয়েছে গত ২২শে জুলাই, ২০১০ তারিখে এবং অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান যেমন দুতাবাস, আন্তর্জাতিক এবং স্থানীয় সাহায্য সংস্থা, প্রচার মাধ্যম এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরা।

এক বছর ধরে এই সাইটটির ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। এই সাইটে তুলে ধরা হয়েছে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বেশ কিছু রিপোর্ট, এই সংক্রান্ত আইনি দলিল এবং বিভিন্ন প্রকাশনা। এই তথ্যের প্রসার অনেক পাঠকদের এই সাইটে আকর্ষণ করেছে; এই সাইটটিকে টেকনলজি ফর ট্রান্সপারেন্সী নেটওয়ার্কে অন্তর্ভুক্ত করার পর গত ছয় মাসে এর পাঠক সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮০০০ থেকে ৩৩০০০ এর বেশী।

সিথি সাইটে প্রাপ্ত তথ্য বিভিন্ন পর্যালোচনা এবং মানবাধিকার সংক্রান্ত গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যে ব্যবহৃত হয়েছে। সিথির প্রকল্প সমন্বায়ক চোর চান্থিডা উদ্বোধনের সময় বলেছেন, “অন্যান্য এনজিও কর্তৃক বর্ণবাদ দূরীকরণে জাতিসংঘের কমিটিকে জমা দেওয়া ‘আদিবাসীদের অধিকার’ শীর্ষক রিপোর্টটিতে সিথি.অর্গ এর দুটি ম্যাপ অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যা আদিবাসীদের জমি নিয়ে সমস্যাগুলো দেখায়”। তিনি আরও জানান যে ইকোনমিক্স টুডে ম্যাগাজিনও সিথির উন্নয়ন সংক্রান্ত ম্যাপ ব্যবহার করেছে ভূমি সংক্রান্ত ছাড়ের ব্যপারে সমস্যাগুলো সম্পর্কে রিপোর্ট করার সময়।

এছাড়াও অংশগ্রহণকারীদের কাছ থেকে অনেক গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য (ফিডব্যাক) পাওয়া গেছে যা সাইটটি পরিচালনা, ব্যবহারকারীদের অংশগ্রহণ এবং যারা মানবাধিকার লঙ্ঘন সংক্রান্ত রিপোর্ট করে তাদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত সমস্যাগুলো দুর করতে সাহায্য করবে।

এই অভূতপূর্ব সাফল্য সত্বেও এই সাইটটির উন্নয়নের আরও সম্ভাবনা রয়েছে যা এটিকে তার চূড়ান্ত লক্ষ্যে পৌছাতে পারে, যা হচ্ছে মানবাধিকার লঙ্ঘন সম্পর্কে অধিক সংখ্যক মানুষকে সচেতন করা। যদিও প্রথমে সিথি চিন্তা করেছিল শুধু সাধারণ জনগণই এই সমস্ত রিপোর্ট জমা দিতে পারবে, বর্তমানে বিশ্বস্ত এনজিও সহযোগীরাও মানবাধিকার সংক্রান্ত রিপোর্ট সাইটে জমা দিতে পারে, যাতে এইসব তথ্য ঠিকমত যাচাই করা যায়। এছাড়াও পাঠক সংখ্যা বাড়লেও অনেকেই এই সাইট সম্পর্কে জানে না। পরিশেষে এই সাইটটি পরিচালনা বেশ জটিল বলে মনে হচ্ছে, যা এই সাইটটি গত দুই বছর ধরেই শোধরাতে চেষ্টা করছে। উদ্বোধন অনুষ্ঠানের সময় এনজিও আর সাধারণ মানুষকে উদ্বুদ্ধ করেছে সিথি কি পরিবর্তন আনা যায় সাইটে তা জানাতে। এ ছাড়াও এটি মন্তব্য চেয়েছে কিভাবে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা যায় যাতে লোকে সহজে রিপোর্ট জমা দিতে পারে। সিথির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে আরও বেশী ব্যবহারকারী-বান্ধব প্লাটফর্ম তৈরি করা এবং স্থানীয় ভাষায় সেবা অন্তর্ভুক্ত করা যাতে এই সাইটের সুবিধাগুলো কম্বোডিয়ার সমাজ পরিপূর্ণ ভাবে ভোগ করতে পারে।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .