বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

জর্ডান: ইজরায়েলে তৈরি

জর্ডানের হ্যাশেমাইট বিশ্ববিদ্যালয়ে ইজরায়েলে তৈরি গাউন বিতর্কের সৃষ্টি করেছে

১৯৪৮ সালের আরব – ইজরায়েল যুদ্ধের পরে আরব দেশসমূহ ইজরায়েলের তৈরি জিনিষ আমদানির ব্যাপারে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করে। যদিও এই বয়কট খুব কঠোরভাবে আরোপ করা হয়না (সিরিয়া আর লেবানন ছাড়া) স্থানীয় বাজারে ইজরায়েলে তৈরি লেবেল দেখলে এখনও তা প্রশ্ন আর উৎকণ্ঠা জাগিয়ে তোলে। জর্ডানের ওসামা আল রোমাহ ঝামেলার ঝাপি খুলেন যখন তিনি জানতে পারেন যে হ্যাশেমাইট বিশ্ববিদ্যালয় তাদের ছাত্রদের কাছে স্নাতকের গাউন বিক্রি করছে যার ব্যাগের উপরে ‘ইজরায়েলে তৈরি’ ছাপ মারা আছে।

তিনি তার আহত মনোভাবের কথা লিখেছেন:

لابد أن صدمة الطلاب عند ذهابهم لشراء أثواب التخريج واكتشافهم أن عبارة “صُنعَ في إسرائيل” مطبوعة على أكياس الأثواب من الخارج أكبر بكثير من صدمتي عندما علمتُ بالأمر، فأنا لا أطيق قراءة كلمة “إسرائيل”، كيف إذاً بمُنتجٍ صُنعَ في إسرائيل..؟!
যারা তাদের স্নাতক অনুষ্ঠানের গাউন আনতে গিয়েছিলেন তারা দেখে যে ‘ইজরায়েলে তৈরি’ ছাপা আছে গাউনের ব্যাগের লেবেলে। কোন সন্দেহ নেই যে ছাত্ররা মর্মাহত হয়েছেন আমার থেকে অনেক বেশী! আমি ইজরায়েল শব্দ পড়া পর্যন্ত সহ্য করতে পারিনা, সেখানের তৈরি জিনিষ গায়ে পরা অনেক পরের ব্যাপার!

এই আঘাত বিজিতের আক্ষেপে পরিণত হয়েছে যখন আল রোমোহ স্বীকার করেছেন যে ইজরায়েলের তৈরি জিনিষ জর্ডানে বেশ ভালই পাওয়া যায় আর ক্রেতারা পছন্দ করতে পারেন:

هذه ليست المرة الاولى التي يتفاجئ بها المواطنون في الأردن بوجود منتجات إسرائيلية تُباع بكل وقاحة بشكل علني في الأسواق المحلية، فمثلاً هناك بعض أصناف الفاكهة التي تُباع سواءً في بعض أسواق المنتجات الغذائية الكبرى أو في “بسطات” الشوارع وعلى كل حبّة فاكهة منها ورقة لاصقة بإسم “صُنِعَ في إسرائيل”، وكما أوضح وزير الزراعة الأردني سعيد المصري بأن المنتجات الإسرائيلية مكتوب عليها “صنع في إسرائيل” وعلى المستهلك أن يختار إما الشراء أو المقاطعة.
এটা প্রথমবার না যে জর্ডানবাসী ইজরায়েলের সামগ্রী খোলাখুলি লজ্জাহীন ভাবে বাজারে বিক্রি নিয়ে ধাক্কা খেয়েছেন। যেমন, বড় সুপারমার্কেট চেইনে নানা ধরনের ফল বিক্রি হয় আর রাস্তাতেও, যেখানে প্রত্যেকটা ফলে ‘ইজরায়েলে তৈরি‘ স্টিকার দেয়া থাকে। জর্ডানের কৃষি মন্ত্রী জানিয়েছেন যে সকল ইজরায়েলি জিনিষের গায়ে ইজরায়েলে তৈরি স্টিকার থাকে আর ক্রেতাদের ঠিক করতে হবে তারা সেটা কিনবে না এড়িয়ে যাবে।

এই ব্লগার আরো জানিয়েছেন যে ইজরায়েল আর জর্ডানের মধ্যে একটা শান্তি চুক্তি আছে:

حسناً، إذا سلّمنا بأن معاهدة السلام الأردنية الإسرائيلية عام 1994 واتفاقية التعاون التجاري بين البلدين سببان وجيهان لوجود سلع إسرائيلية في الأردن، لا يمكن أبداً أن يصل هذا إلى حد بيع “طلاب جامعيين” أثواب إسرائيلية، فانا أراه ترويضاً بطيئاً للجيل الجديد كي يقبل بواقعٍ مفروض علينا، والأعجب من ذلك، أن الجامعة الهاشمية معروف عنها رفضها للتطبيع فما سبب هذا الإستهتار بالطالب؟
ঠিক আছে, আমরা যদি এই বাস্তবতা মেনে থাকি যে ১৯৯৪ সালের জর্ডান-ইজরায়েলি শান্তি চুক্তি আর বানিজ্যিক সহযোগিতা চুক্তি দুই দেশের মধ্যে জর্ডানে ইজরায়েলি পণ্য থাকার যথেষ্ট কারন, আমরা এটা নিশ্চয় মানতে পারিনা যে ইজরায়েলি গাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের উপরে জোর করে দেয়া হচ্ছে যেন নতুন প্রজন্মকে প্রশিক্ষণ দেয়ার জন্য তাদের উপরে জোর করে চাপিয়ে দেয়া একটা পরিস্থিতি মানতে হবে। যেটা আরো বেশী আশ্চর্যজনক সেটা হল হাশেমাইট বিশ্ববিদ্যালয় তাদের স্বাভাবিকীকরণ বিরোধী (ইজরায়েলের সাথে) অবস্থানের জন্য পরিচিত – তাহলে ছাত্রদের বোকা বানানোর পিছনে কারন কি?

আল রোমোহ আরও বলেছেন:

أحد المسؤولين صرّح بأن أثواب التخريج أو “أرواب التخريج” تم صناعتها بمدينة الحسن في إربد بالأردن وأن الأكياس التي وُضعت فيها هي من صُنع إسرائيل، وهذا يفتح باباً أكثر إثارة، هل الأردن عاجز عن صُنع “أكياس”..؟

একজন কর্মকর্তা বাণী পাঠিয়েছেন যে স্নাতকদের গাউন জর্ডানের ইর্বিদের আল হাসান শহরে তৈরি হয়েছে, আর যে ব্যাগে এটা রাখা হয়েছে সেটা ইজরায়েলে তৈরি। এটা আরো বিতর্কিত ব্যাপার জন্ম দেয়: জর্ডান কি ব্যাগ উৎপাদনে অক্ষম?

পরিশেষে তিনি লিখেছেন:

أدعو جميع الطلاب لمقاطعة “أثواب التخرج” التي تبيعها الجامعة الهاشمية، وأن يشتروا أثواباً من الصناعة المحلية وإن لم يوجد فصناعة سورية، وأن يضعوا على الثوب وشاحاً مكتوب عليه “لم يُصنع في إسرائيل”، عسى أن تكون نهاية حياتهم الدراسية وبداية حياتهم العملية مُشرّفة.

আমি সকল ছাত্রকে আহ্বান জানাই হাশেমাইট বিশ্ববিদ্যালয় সরবরাহকৃত এই স্নাতক অনুষ্ঠানের গাউন বয়কটের জন্য আর তারা যেন স্থানীয়ভাবে তৈরি গাউন ব্যবহার করে। তারা যদি স্থানীয়ভাবে তৈরি গাউন না পায়, তাদের উচিত সিরিয়ার তৈরি গাউন পরা আর একটি ফিতা পরা যেখানে লেখা থাকবে ‘ইজরায়েলে তৈরি না’ যাতে এটা নিশ্চিত করা যায় যে তারা তাদের পড়া শেষ করে তাদের কর্মজীবনে সম্মানজনকভাবে প্রবেশ করতে পারবে।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .