বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

জাপান: দারিদ্রের উপরে সাম্প্রতিক জরীপ সমৃদ্ধির ধারণাকে ভুল প্রমাণ করেছে

জাপানের সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদন দেখিয়েছে যে সে দেশে প্রতি ছয় জনের মধ্যে একজন দারিদ্র সীমার নীচে বাস করছেন। ওইসিডির পরিসংখ্যান অনুসারে, উন্নত বিশ্বে জাপানের দারিদ্রের হার সব থেকে বেশী আর মেক্সিকো, তুরস্ক আর আমেরিকার পরে চতুর্থ স্থানে।

ফ্লিকার ব্যবহারকারী উশিও শুগোর সৌজন্যে

ফ্লিকার ব্যবহারকারী উশিও শুগোর সৌজন্যে

গত সেপ্টেম্বরে দারিদ্র বিরোধী নেটওয়ার্কের (反貧困 হান হিঙ্কন) সেক্রেটারি-জেনারেল মাকোতো ইউয়াসা এই সমস্যার ব্যাপারে জানিয়েছিলেন আর জাপানের দারিদ্রের ব্যাপারটা এইভাবে ব্যাখ্যা করেছিলেন:

১৯৬০ এর দশকের উচ্চ অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির ফলে, জাপান এক রূপকথায় বিশ্বাস করে যে সকল জাপানী মধ্যবিত্ত। তবে এই রূপকথার কেন্দ্রে যে চাকুরির ধরন রয়েছে, তা পাল্টিয়ে গেছে অবিন্যস্ত চাকুরি আর অন্যান্য কারনে, আর বাড়তি সংখ্যক জাপানী বর্তমানে দারিদ্রে বসবাস করছেন।

অনেকে তাদের ব্লগে বিতর্ক করেন, আজকাল জাপানের আয়ের এই বিশাল পার্থক্য নতুন কিছু না। ৯০ এর দশকের প্রথম দিকে অর্থনৈতিক বুদ্বুদ ফেটে গেলে জাপানী অর্থ ব্যবস্থার দুর্বলতা ধরা পড়েছিল আর তারপর থেকে অনেক বিশেষজ্ঞ বলছেন যে দেশ অর্থনৈতিক মন্দা থেকে বের হতে পারে নি।

ইসাকি পরামর্শ দিয়েছেন এই সমস্যা কি করে বরাবর ছিল কিন্তু বেশীর ভাগ জাপানী এটাকে অন্য লোকের সমস্যা হিসেবে গণ্য করেছেন:

この記事を最初に見た時に、私は部落問題に近いな、と感じたんです。それは、私たちの隣に確実にその問題があるのに、知らないふりをする。見ない振りをし、無関係を装ってきた。

এই সংবাদ পড়ার পরে আমার মনে হল জাপানের আরো অভাবী দলের সাথে এর মিল আছে।

যদিও অবশ্যই সমস্যা আছে আর এটা আমাদের খুব কাছে আমরা এটা না দেখার ভাব করি আর তা করতে গিয়ে, আমরা নিজেদেরকে বোঝাতে সমর্থ হয়েছি যে এটা আমাদের ব্যাপার না।

মিয়াবি-টেল মনে করেন এই ব্যাপারটির এক দীর্ঘ ইতিহাস আছে আর এর দায়িত্ব রাজনৈতিক জড়তার কাঁধে বর্তানো যায়:

驚くべきは、この数字が今年ではなくて数年前のデータでさえすでに7人に1人いるという事実で、リーマンショック以降の世界恐慌の不景気のあとでは今現在では少なく見ても5人に1人はそれくらいの値になっていると考えられることである。自民政権下では、公式発表的に「日本に貧困はない」「一億総中流家庭」なんていうキャッチコピーもあったわけだが、現実はまったくそうでないということが改めて浮き彫りにされたわけである。

আশ্চর্যজনক হচ্ছে সাতজনের মধ্যে একজন দারিদ্রে বসবাস করছে এই তথ্য কয়েক বছর আগের উন্মোচন হয়েছিল। তবে এখন কেউ কেউ এটাকে ভালো হিসেবে দেখে যে লেহম্যান ব্রাদার্সের পতনের কারনে সারা বিশ্ব যে অর্থনৈতিক মন্দার কারনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এর ফলে জাপানে এখন পাঁচজনে মাত্র একজন দারিদ্রে বসবাস করছেন।

’জাপানে দারিদ্র নেই’ বা ‘সব মিলিয়ে একশ মিলিয়ন মধ্যবিত্ত পরিবার’ এমন স্লোগান এল পি ডি সরকারের আমলে ঘোষণা করা হত। কিন্তু এটা এখন আবার স্পষ্ট হয়েছে যে এটা সত্যি থেকে অনেক দূরে।

ফ্লিকার ব্যবহারকারী ক্যারিবের সৌজন্যে।

ফ্লিকার ব্যবহারকারী ক্যারিবের সৌজন্যে।

অবশ্য তারাও আছেন যারা মূদ্রার অন্য পিঠ দেখতে চান। ইউকি আশা করেন যে জাপানের সামাজিক আর অর্থনৈতিক ইতিহাসের এই কালো সময় সেই আত্মিক শক্তি জাগিয়ে তুলবে যার জন্য জাপানী মানুষেরা বিখ্যাত:

し・か・し
国の景気が良くなるまでこのままでいいのだろうか
貧しかった戦後の日本国民は、みな必死で頑張ってここまでよくなってきています
あの時代のハングリー精神があればきっと国を変えれなくとも企業の生き残りは可能だと思います
私は一社員でありますが社長のような視点で物事を考えていくことを目標としています
視野を広げればいろんなことに発見や改善が見えてくるからです
ハングリー精神なんて言葉、現代では死語なのかもしれませんが
僕はこの言葉を提唱していきたいと思います

কিন্তু

পরিস্থিতি এইভাবে চলা কি ঠিক দেশের অর্থনীতি ঠিক না হওয়া পর্যন্ত? যুদ্ধের পরে জাপানীরা যখন দরিদ্র ছিলেন, তারা কোন কুণ্ঠা ছাড়া তাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছিলেন পরিস্থিতি ঠিক করতে যেটা আমরা এখন জানি। আমরা যদি এখন আবার সেই ক্ষুধার্ত আত্মা পাই সেই সময়ের আমি নিশ্চিত যে আমরা যদি পুরো দেশ পাল্টাতে নাও পারি, আমাদের কোম্পানি গুলোকে শক্তিশালী আর প্রতিযোগিতা মূলক রাখা সম্ভব হবে।

আমি একজন কর্মী কিন্তু সিইওর দৃষ্টি দিয়ে আমি পরিস্থিতি দেখার চেষ্টা করি কারণ আমরা যদি দূরদর্শী হই, অনেক আবিষ্কার আর উন্নয়ন করার আছে, যা অনেক স্থানে প্রয়োগ করা যাবে। ‘ক্ষুধার্ত আত্মা’ এই কথাটা আজকাল হয়তো লোকে ভুলে গেছেন কিন্তু আমি আবার এটা মনে করাতে চাই।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .