বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

ইন্দোনেশিয়া: অনলাইন জাতীয়তাবাদ

গত শুক্রবারের যুগল বিষ্ফোরণ ছয় বছরের শান্তিপূর্ণ আর নীরব ইন্দোনেশিয়ার সমাপ্তি ঘোষণা করেছে। জাতি যখন সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা করছে, ইন্দোনেশিয়ার তরুণরা অনলাইনে জাতীয়তাবাদের মানসিকতা দেখাচ্ছে।

অনেক ইন্দোনেশিয়ান টুইট পাঠাচ্ছেন যেমন #ইন্দোনেশিয়াইউনাইট ট্যাগ ব্যবহার করে ‘আমরা ভীত নই’ এই বাণী দিয়ে। এটি এমন একটা কথা যা মানুষ সরাসরি বলতে সাহস করবে না, বিশেষ করে কয়েক বছর আগের বোমার ঘটনার পরে। মাইক্রোব্লগিং সাইটের বদৌলতে, ইন্দোনেশিয়ার তরুণরা তাদের ভয়ের খোলস থেকে বেরিয়ে আসছেন আর তাদের নিজেদেরকে আর তাদের মতামতকে প্রকাশ করছেন।

পিত্রা সাতভিকা বলেছেন:

Secara spontan, banyak pengguna Twitter, yang lalu diikuti pengguna Plurk dan Facebook, yang mengganti avatar mereka dengan bendera Merah Putih. Hashtag #indonesiaunite menjadi topik tren di Twitter (bahkan hingga saat ini ditulis).

[…]

Lalu apakah pernyataan moral melalui ranah social media ini bermanfaat? Jelas!!

Pertama, kita sebagai warga yang aktif di ranah daring bisa menunjukkan diri di hadapan dunia, kalau kita menolak aksi terorisme. Bahkan kita tidak akan takut terhadap mereka. Upaya para teroris yang (dari namanya saja sudah ketahuan) untuk menanamkan rasa teror di masyarakat sudah tidak mempan. Kita bisa menunjukkan kepada mereka kalau usaha mereka menakut-nakuti kita dan membuat kita lemah di mata dunia tidak mempan.

Kedua, masyarakat dunia tahu akan sikap perlawanan moral kita. Mereka bisa melihatnya melalui tren yang terjadi di Twitter dan Facebook Page. Mudah-mudahan dengan cara ini pula, akan membuat mereka tidak takut untuk datang ke negeri kita. Mereka juga tidak lalu asal mengecap negeri kita sebagai sarang terorisme. Untuk membantu mereka memahami, cobalah sesekali membuat tulisan dalam bahasa Inggris, agar mereka paham perlawanan kita dan sikap kita yang tidak takut akan terorisme.

Mudah-mudahan Indonesia Unite ini bisa benar-benar mempersatukan, setidaknya kalangan masyarakat daring. Mudah-mudahan juga para pemimpin kita tidak lagi berdebat dan beragumen tidak mutu, dan mengambil contoh kita. Kalau kita yang rakyatnya saja bisa bersatu dalam satu suara perlawanan, mengapa pemimpinnya tidak?

স্বত:স্ফূর্তভাবে, অনেক টুইটারকারী, প্লার্ক আর ফেসবুকের ব্যবহারকারীসহ তাদের অবতার ঠিক করেছেন আর জাতীয় সাদা লাল পতাকা ব্যবহার করেছেন। হ্যাশট্যাগ #ইন্দোনেশিয়াইউনাইট স্থানীয় টুইটারে সব থেকে ব্যস্ত ট্রেন্ডে পরিণত হয়েছে (এমনকি যখন এই প্রতিবেদন লেখা হচ্ছে)।

সামাজিক মিডিয়া থেকে এই মনোবলের বাণীর কি জনজীবনে কোন প্রভাব থাকবে? অবশ্যই!!

প্রথমত:, আমরা অনলাইন নাগরিক হিসাবে নিজেদেরকে আন্তর্জাতিক বিশ্বে তুলে ধরছি, যে আমরা সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে। আমরা তাদেরকে ভয় পাবো না। সন্ত্রাসীদের কাজ (তাদেরকে যে নামে ডাকা হয়, সেটা থেকেই আমরা জানি তারা কি করতে চাচ্ছে) আমাদের সমাজে ভীতি রোপন করা আর কাজে দেবে না। আমরা ওদেরকে দেখাতে পারবো যে তাদের চেষ্টা আমাদেরকে ভয় দেখানোর আর আন্তর্জাতিক বিশ্বের সামনে আমাদেরকে ভঙ্গুর দেখানো কাজে দেবে না।

দ্বিতীয়ত:, আর্ন্তজাতিক বিশ্ব আমাদের যুদ্ধের কথা জানবে। তারা এটা জানতে পারবে টুইটার আর ফেসবুক পেজ থেকে। আশা করা যায় এই ভাবে, (বিদেশীরা) আমাদের দেশে আস্তে ভয় পাবে না। তারা আমাদের দেশকে সন্ত্রাসীদের আবাসস্থল হিসাবে চিহ্নিত করবে না। তাদের বোঝার সুবিদার্থে, ইংরেজীতে পোস্ট করার চেষ্টা করেন, যাতে তারা আমাদের প্রতিরোধ আর সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান সম্পর্কে জানতে পারেন।

আশাপ্রদভাবে ইন্দোনেশিয়া ইউনাইটেড (প্রচারণা) আমাদেরকে আসলেই একত্র করবে, অন্তত অনলাইন নাগরিকদের। আশা করা যায় আমাদের নেতারা যুক্তিবিহীন তর্ক আর বির্তক করা বন্ধ করবেন, আর আমাদের উদাহরণ গ্রহণ করবেন। যদি মানুষ এর বিরুদ্ধে এক কন্ঠ হতে পারে, নেতারা কেন একই কাজ করতে পারেন না?

পান্দজি আর তার জাকার্তা টুইটার ব্যবহারকারীদের দল ইউটিউবে একটি গান পোস্ট করেছেন ‘কামি তিদাক তাকুত’ (আমরা ভীত নই) নামে।

তার ফেসবুকের নোটে, টিমোটিয়াস ক্রিশান বলেছেন যে সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধের আরো বেশি কারন হলো যে এটা ভীরুর কাজের থেকে পৃথক কিছুই না।

Rasanya tak pernah saya mendengar seorang garong yang menggarong rumahnya sendiri. Tapi telah menjadi sebuah deviasi ketika pengebom membom negerinya sendiri.

[…] Di tanah Palestina, setelah sebuah bom meledak, akan ada pihak yang secara terbuka dan terus terang mengaku bertanggung jawab atas meledaknya bom di titik A pada jam sekian. Di sini? Harus diburu terlebih dahulu. Setelah tertangkap, apakah langsung mengakuinya? Atau malah melemparkan kesalahan ke Pencipta, yang diklaim sebagai yang menyuruhnya meledakkan bom tersebut dengan alasan ini dan itu?

Kalau memang membenci suatu negara asing tertentu, pergilah ke sana dan ledakkan di sana pula. Jangan di negeri ini. Jangan di negara sendiri. Hanya akan mencucurkan darah sesama anak bangsa. Lalu, apakah dengan demikian tercapai tujuan peledakan yang diinginkan?

আমি মনে হয়না কখনো শুনেছি চোর তার নীজের বাড়িতে চুরি করে। কিন্তু এই কথাই পাল্টে যায় যখন একজন বোমাবাজ (আমরা চোরকে প্রতিস্থাপন করছি) তার নীজের দেশে বোমা মারে।

ফিলিস্তিনিদের দেশে, বোমা ফাটার পরে, একদল থাকবে যারা অবশ্যই দাবী করবে যে তারা ‘এ’ স্থানে বিষ্ফোরণের জন্য দায়ী একটা নির্দিষ্ট সময়ে। কিন্তু এখানে (অপরাধীদের) খুঁজে প্রথমে বের করতে হবে, আর তার পরে কি তারা তাদের কাজ স্বীকার করে? নাকি তারা (সর্বশক্তিমান) স্রষ্টাকে দায়ী করে, যিনি তাদেরকে পাঠিয়েছেন এটা করতে যেটা তারা এই এই কারনে করেছে?

তারা যদি আসলেই কোন দেশকে ঘৃণা করে, সেখানে গিয়ে সেখানের জিনিষ ওড়ানোর চেষ্টা করুক। এই মাটিতে না। এই দেশে না। এরা শুধু এখানে তাদের সহ দেশবাসীর রক্তই ঝড়াবে। তাহলে এটাই কি এই কাজের মূল লক্ষ্য?

ইন্দোনেশিয়ান টুইটারকারীরা যারা এই কাজকে সমর্থন করেন তারা ইন্দোনেশিয়াইউনাইট টুইব্বন ও ব্যবহার করেন।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .