বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

কুয়েত: সোয়াইন ফ্লুর গল্প

কুয়াত শহর থেকে সালাম! যদিও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট গল্প আরবী – ভাষার ব্লগকে দখলে রেখেছে। তবে অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে এই সপ্তাহে ইংরেজী- ভাষার ব্লগে সোয়াইন ফ্লু ছিল মূল বিষয়।

আজকের লেখা আমরা শুরু করি ‘সোয়াইন ফ্লু নিয়ে বাতিকগ্রস্থ’ নামে পোস্ট দিয়ে, যেখানে দান্ডেরমা বলেছেন তার পাগলের মতো বাধ্যতামূলক সূচিবায়ুগ্রস্ততার কথা যা ভয়ঙ্কর সোয়াইন ফ্লু থেকে রক্ষা করতে যথেষ্ট না:

আমি আসলেই বাতিকগ্রস্থ!! আমি সেই ধরনের মানুষ যার বছরে ৬০০ বার ফ্লু হয়! আর আমার অবশ্যই আচ্ছন্ন বাধ্যতামূলক গোলমাল আছে যা খুবই খারাপ হতে পারে!!! আমি এই মধ্যে দিনে ১০০০ বার আমার হাত ডেটল দিয়ে ধুই!!! ফ্লু ইউকে পর্যন্ত পৌঁছেছে! এখন কুয়েত বিমানবন্দরে ওরা মানুষের তাপমাত্রা মাপছে! সেপ্টেম্বরের আগে এর জন্য কোন টিকা নেই!

কি করা যায়? ! ভ্রমন বন্ধ করে দেব? বাড়িতে লুকিয়ে থাকবো? মুখোশ পরবো? পরবর্তি মাইকেল জ্যাকসন হয়ে যাবো?! আমি এই লোককে আর দোষ দেই না! বার্ড ফ্লু কুকুর ফ্লু মাছের ফ্লু ঘোড়ার ফ্লু শুকরের ফ্লু!!!এটা যেন ওইসব চলচ্চিত্রের দ্রশ্য…যেখানে একটি মহামারি সারা পৃথিবীব্যাপি ঘুরছে… আমি ২৮ দিন পরের কথা ভেবে শিউরে উঠছি!!!!

টিচমাসেস স্কুল ডেস রেগে আছেন যে ১৯৭৬ এর সোয়াইন ফ্লুর মহামারির পরেও টিকা তৈরি হয়নি। ‘সোয়াইন ফ্লু ষড়যন্ত্র ১৯৭৬’ নামে পোস্টে ব্লগার মন্তব্য করেছেনঃ

এটা প্রথমবার না যে সোয়াইন ফ্লু মহামারি ঘটেছে- না… তাহলে কেন এরা টিকা তৈরি করেনি? আমেরিকার ফক্স ডিক্স এ ১৯৭৬ এ ‘সীমিত মহামারি’ হয়েছিল। আর এই ছোট ঘটনার যে জিনিষটা কম উদ্দীপক তা হলো, ঠিক কি ভাবে সোয়াইন ফ্লুকে মিলিটারি এই বেসে নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছিল তা এখনো রহস্য ঠিক যেমন এর উৎপত্তিও।

টুয়েন্ট থ্রি আমাদেরকে আর একটা দিক দেখিয়েছেন ‘কতোটা মেক্সিকান শূকর!’ নামে পোস্টে যেখানে ব্লগার পরোক্ষভাবে ইঙ্গীত করেছেন স্কাই টিভি সাংবাদিক এডনা ব্রাডির হিথ্রো বিমানবন্দরের টারমিনাল ৫ এর বর্ণনার যা ‘অদ্ভুত’ বলেছেন আর আরো বলেছেন:

“আপনি মেক্সিকো অনলাইন আর টিভি থেকে ছবি আর রিপোর্ট দেখতে পাচ্ছেন,” ব্রাডি ব্যাখ্যা করেছেন। “ কিন্তু হিথ্রোতে আসলেই মুখোশ পরে মানুষের হাঁটা দেখে এই সমস্যার ব্যাপ্তীটা বোঝা যায়, আর মানুষ কতো চিন্তিত।”

টুয়েন্টি থ্রি যারা কুয়েতে যাচ্ছেন তাদেরকে মুখোশ পরে সাবধানতা অবলম্বন করতে বলছেন, যোগ করে:

প্রথমে যা ভাবা হয়েছিল এটা তার থেকে বড় দুর্যোগ হয়ে দেখা দিয়েছে… আপনি যদি মুসলিম দেশসমূহ দেখেন, আপনি তাহলে দেখবেন, আমরা নিরাপদ আছি… কিন্তু, কেবলমাত্র আমরা যদি এটা বাইরে রাখি। মানুষ দয়া করে মুখোশ পরেন কুয়েতে যাওয়ার সময়ে।

পরিশেষে ডিক্সিইবেদুইন একটা মজার লিঙ্ক দিয়েছেন সোয়াইন ফ্লুর আগের তথ্য দিয়ে: উড়ে যাওয়া শূকোর, তামিফ্লু আর কারখানা ফার্ম

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .