বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

মিশর: চলচ্চিত্র নির্মাতার সংগ্রাম অবশেষে কাজে দিল

অবশেষে এ মাসের শেষভাগে মিশরী চলচ্চিত্রপ্রেমীরা ইব্রাহিম এল বাতাউতের ছবি আইন শামস (সূর্যের চোখ) দেখতে পাবেন। মিশরের এই এই চলচ্চিত্রকে সেন্সরশীপের সাথে দীর্ঘ লড়াই করতে হয়েছে।

এল বাতাউত পরিগণিত হন মিশরের সব থেকে পরিশীলিত আর স্বাধীন পরিচালক আর নির্মাতাদের মধ্যে একজন হিসেবে। সেন্সরের সাথে সংগ্রাম শুরু করেন যখন তিনি তার দ্বিতীয় চলচ্চিত্রের কাজ শুরু করেন। পরিচালক ঠিক করেছিলেন জোয়ারের বিপরীতে গিয়ে দরকারী অনুমতি ছাড়াই চিত্রগ্রহণ শুরু করার। তিনি তার কারন ব্যাখ্যা করেছেন আর্ট রিভিউ ম্যাগাজিনে এভাবে:

চলচ্চিত্রটি অন্যভাবে নির্মিত হয়েছিল। সেন্সরের অনুমতি ছাড়া। আমি চিত্রগ্রহণ করে এখন ওদেরকে জিজ্ঞাসা করছি তা দেখার জন্য যাতে আমি প্রদর্শন করার অনুমতি পেতে পারি। কিন্তু তারা এটা চায়না। তারা চায় আপনি তাদেরকে চলচ্চিত্রটা সম্পর্কে জানাবেন এটা সম্পর্কে চিন্তা করার সময় থেকে‌ই।

চলচ্চিত্রটির ফেসবুক গ্রুপে জানানো হয়েছে যে আইন শামস অনেক সম্মানিত পুরষ্কার পেয়েছে। তার মধ্যে আছে:

টোয়ারমিনা চলচ্চিত্র উৎসবে শ্রেষ্ট চলচ্চিত্রের গোল্ডেন টাউরো পুরষ্কার।

রটারড্যাম আরব চলচ্চিত্র উৎসবে শ্রেষ্ট প্রথম চলচ্চিত্রের পুরষ্কার।

কারথেজ চলচ্চিত্র উৎসবে বিশেষ জুরির পুরষ্কার।

তারপরেও, সেন্সরশীপ চলচ্চিত্রটাকে মিশরে বিদেশী চলচ্চিত্র হিসাবে দেখানোর শর্তে অনুমতি দিয়েছে- ‌এই সমঝোতাতে পরিচালক আপত্তি জানিয়েছেন।

চলচ্চিত্রের ব্লগে দেয়া একটা প্রতিবেদনে জসেফ ফাহিম উক্তি করেছেন:

“এটা শ্লেষপূর্ণ। মে মাসে আইন শামসকে নির্বাচিত করা হয়েছে কান চলচ্চিত্র উৎসবে দেখানোর জন্য, যার মানে এই চলচ্চিত্রের সুযোগ হতে পারে ইউরোপে আর বিশ্বের অন্যান্য দেশে প্রদর্শিত হওয়ার কিন্তু মিশরে না!”

কিন্তু এখন আর ঝামেলা নেই। মিশরীয় টিভিতে চলচ্চিত্রটার ট্রেলার এরই মধ্যে দেখানো হয়েছে আর মিশরের চলচ্চিত্র প্রেমীরা, যারা তৃষার্ত এল বাতাউতের পরের চিন্তা উদ্রেককারী চলচ্চিত্রের জন্য, তারা এটা তাদের কাছের কোন সিনেমা হলে শীঘ্রি দেখতে পাবে।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .